Main Menu

2018

 

ফুলকপি, বাধাকপি ও ওলকপির ভেষজ গুণ

ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি শীতকালীন তরকারির। তরকারির অন্যান্য  মধ্যে কপির সমাদর এসময় খুবই বেশি। প্রাচীনকালে গ্রিক ও রোমানরা কপি খেতেন। কপি সেইজন্যে অতি প্রাচীন তরকারি। ইংরেজরা ভারতে প্রথম কপি নিয়ে এসেছিলেন। বলা হয়ে থাকে উইলিয়াম কেরি ১৮২০ সালে প্রথম ফুলকপি, বাঁধাকপি প্রভৃতি এনে বাংলায় এই সবজির চাষ করিয়েছিলেন। ভারতে প্রচলিত কপি সাধারণত তিন রকমের ফুলকপি, বাঁধাকপি ও ওলকপি (ওলকপিকে গট কপিও বলা হয়)। সুস্থ থাকতে কপি ব্যবহার: ১. কপি স্তন্যের দুধ বাড়িয়ে দেয়, মধুর, বীর্যবর্ধক, শীতল, গরিষ্ঠ। দীপন (কর্মপ্রেরণা দেয় উদ্দীপ্ত করে), সহজে হজম হয়, বাত সৃষ্টি করে এবং পিস্তু ওRead More


শিমের ভেষজ গুণাগুণ

শিম খেতে তো ভাল লাগে, এটি স্বাদে মিষ্টি কিন্তু খাওয়ার পর পরিপাকে শিম অম্ল বা টক রস উৎপন্ন করে। অনেকের মতে শিম খেলে শরীরের বল বাড়ে, মল পরিষ্কার হয়। কিন্তু সহজে পরিপাক হয় না বলে বায়ু সৃষ্টি করে। শিম শরীরের ভেতরের বিষ নষ্ট করে। কিন্তু সেই সঙ্গে দৃষ্টি শক্তির তেজ কমিয়ে দেয় বলেও অনেকের ধারণা। শিমের ভেষজ গুণাগুণ: ১. বাত দূর করতে : অনেকে বলেন বেশি শিম খেলে বাত হয় অর্থাৎ শিম বাতল বা বাত-ব্যাধি কারক। কিন্তু শিমের তরকারি যদি রসূন ফোড়ন বা রসুন বাটা দিয়ে রান্না করা যায় তাহলেRead More


ধুন্দলের ভেষজ গুণাগুণ

বর্ষার সবজি ঝিঙে ধুধুল বা ধুন্দল। আয়ুর্বেদ মতে, ঝিঙে শীতল, মধুর, কফ ও বায়ু সৃষ্টি করে, পিত্ত নাশ করে এবং খিদে বাড়িয়ে তোলে। শ্বাসের কষ্ট অথাৎ হাঁপানি, জ্বর, কাশি ও কৃমির উপশম করে। মলের অবরোধ দূর করে, পেট পরিষ্কার করে দেয়। সুস্থ থাকতে ঝিঙে বা ধুন্দলের ব্যবহার: পাথরি দূর করতে: ঝিঙে লতার শিকড় গরুর দুধে বা ঠাণ্ডা জলে ঘষে সকালবেলা পর পর তিন দিনে খেলে পাথরি দূর হয়। ঝিঙে কফকারক : ঝিঙে কফকারক এবং বাত ব্যাধি বৃদ্ধি করে। অনেকে বলেন বর্ষাকালে বেশি ঝিঙে খাওয়া ভাল নয়। এতে বায়ুর প্রকোপ বৃদ্ধিRead More


ঢেঁড়সের ভেষজ গুণাগুণ

ঢেঁড়শ একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এর উচ্চতা ২ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। পাতা ১০ থেকে ২০ সে.মি দীর্ঘ এবং চওড়া। একটি বোঁটায় পাতা ৫ থেকে ৭টি অংশে ভাগ থাকে। ঢেঁড়সের ফুল হয় ৪ থেকে ৮ সেমি চওড়া ও পাঁপড়ির রঙ সাদাটে হলুদ, একটি ফুলে ৫টি পাঁপড়ি থাকে। প্রতিটি পাঁপড়ির কেন্দ্রে লাল বা গোলাপী বিন্দু থাকে। ঢেঁড়শ ফল লম্বাটে আকারের হয়, দেখতে প্রায় ১৮ সেমি দীর্ঘ, এবং এর ভেতরে অসংখ্য বিচি থাকে। ঢেঁড়সের ভিতরে পিচ্ছিলভাব থাকে। ভেষজ গুণ: কচি ভেঁড়শ বেশি উপকারী। সংস্কৃত ভাষায় ঢেঁড়শকে বলা হয় ভিণ্ডিশ। ঢেঁড়শকে আয়ুর্বেদে রোমশ বলাRead More


আনুগত্য কাকে বলে

আনুগত্য (ইংরেজি: Loyalty) শব্দটির মমার্থ হলো এমন এক মানসিকতা যার মধ্য দিয়ে কারও কোনও কিছুর প্রতি বিশ্বস্ততা, অনুরাগ ও সমর্থন ফুটে ওঠে; সেটা পরিবার, চাকুরির ক্ষেত্রে নিয়ােগকর্তা, ধর্মীয় অথবা বহুত্ববাদী সমাজে যে-কোনও প্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রদর্শিত হয়। আনুগত্য স্বভাবতই আত্মস্বার্থ বহির্ভুত একটি আসক্তি। রাজনীতিতে আনুগত্য হলো দেশভক্তি ও রাষ্ট্রিক বাধ্যতার অন্তর্গত। নিজ দল বা গােষ্ঠীর অন্ধ প্রশংসা এবং অন্যদের সমালােচনা আনুগত্যের অঙ্গ। আনুগত্যের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো দেশ, দল বা গােষ্ঠীর সঙ্গে একাত্মতা। প্রাচীন গ্রিক ও রােমান তাত্ত্বিকেরা আনুগত্যকে রাজনীতির সর্বোচ্চ পুণ্য হিসেবে দেখতেন; এবং সেখানে সীমিত সংখ্যক যাঁরা নাগরিকত্বের অধিকারী হতেন,Read More


মানকচুর ভেষজ গুণাগুণ

আয়ুর্বেদ মতে, মানকচু মৃদু বিরেচক অথাৎ ‘অল্প মাত্রায়’ মলকারক (অনেকের মতে মল ধারক অর্থাৎ মল রোধ করে), মূত্র বৃদ্ধি করে, শোথ রোগ সারিয়ে তোলে, শীতবীর্য অর্থাৎ শরীরে ঠাণ্ডা প্রভাব সৃষ্টি করে, লঘু অথাৎ সহজে হজম হয়, পিত্ত ও রক্তের দোষ নাশ করে। সব রকম কচুর মধ্যে মানকচুরই মান অথাৎ কদর বেশি। খেতেও বেশি ভাল। কচু পাতার মতো মানকচুর পাতাও খাওয়া যেতে পারে। প্রথমে পাতা ভাল ভাবে সেদ্ধ করে জল ফেলে দিয়ে ঘন্ট ইত্যাদি রান্না করতে হবে। মানকচু সেদ্ধ করে চাকা চাকা করে কেটে তেলে ভেজে খেতে খুবই ভাল লাগে। মানকচুরRead More


কচু ও কচুশাকের ভেষজ গুণ

কচু Colocasia গণের একধরনের কন্দ জাতীয় উদ্ভিদ। কচু মানুষ প্রাচীনকাল থেকে চাষ করে আসছে। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় সব এলাকায় কচু দেখা যায়। রাস্তার পাশে, পুকুরের পাড়ে, বাড়ির আনাচে কানাচে,  স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে অনাদরে-অবহেলায় কচু জন্মে থাকে। সুস্থ থাকতে কচু ও শাক : ১. পিত্তের প্রকোপ দূর করা: কচুর কচি পাতার রসে অল্প জিরে মিশিয়ে খেলে পিত্তের প্রকোপ কমে। রক্তপিত্তের রোগীদের পক্ষে কচুপাতা ভাতে যা তরকারি হিসেবে খাওয়া ভাল। ২. স্তনের দুধ বাড়ানো: কচুপাতা বা কচুর শাক খেলে স্তনের দুধ বাড়ে। ৩. পেটের রোগ দূর করতে: অনেকে বলেন কচুর শাক সেদ্ধRead More


পেঁপের ভেষজ গুণাগুণ

পেটের অসুখে যেসব রোগীরা ভুগছেন পেঁপের ঝোল তাদের জন্য বেশ উপকারী। বাঙালি বাড়িতে কাঁচা পেপের কদর আছে। আগে বাঙালির পেট-রোগা বলে একটা বদনাম ছিল এখন হয়তো স্বাস্থ্য-সচেতন হয়ে ওঠার জন্যে সেটা অনেকটা কমেছে। কিন্তু পেটের অসুখে কাঁচকলা ও কাঁচা পেঁপের ঝোল এখনও পথ্য। পাকা পেপে যেমন ফল হিসেবে প্রিয় তেমনই কাঁচা পেঁপে দিয়ে রান্না করা হয় নানারকম পদ যেমন শুক্তো, ডালনা, হেঁচকি, ঘন্ট, ঝোল এসব তো আছেই আম-আদা দিয়ে কাঁচা পেঁপের চাটনি বাঙালি-রসনার চিরপ্রিয়। ভোজ বাড়িতে কাঁচা পেঁপে প্লাস্টিকের মতো স্বচ্ছ ও পাতলা করে কেটে তৈরি করা হয় পাতিলেবুর রসRead More


কাঁচকলার থোড় ও মোচার গুণাগুণ

কাঁচকলার গুণের কথা বাঙালি বাড়িতে কে না জানে। কাঁচকলার রান্নাই বা কত রকমভাবে করা হয়ে থাকে। ভাতে, ঝোল, ভাজা, শুক্তো, ডালনা, কোফতা, বড়া, চপ, চিপস- এইভাবে তালিকা দীর্ঘ হয়ে যায়। কাঁচকলার খোসাও ফেলা যায়- ছেঁচকি, ঘণ্টো, বড়া, সেদ্ধ করে বেটে কালজিরে দিয়ে সাঁতলে নেওয়াতারই বা কত রকমফের। এ ছাড়া আছে থোড় ও মোচা। সত্যি কথা বলতে কি কলাগাছের সব অংশই কাজে লাগে– পাকা কলা, কাঁচকলা, গোড়, মোচা সব কিছুই খাওয়া হয়। কলাপাতা খাওয়া না হলেও খাওয়া-দাওয়ার কাজে লাগে। কলাপাতাকে শ্রেষ্ঠ ভোজনপত্র বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। পংক্তি ভোজনে বা ভোজRead More


করলা বা উচ্ছের ভেষজ গুণ

করোলা রোগ সারাতে পটু করোলা স্বাদে কটু বা তিক্ত হলে কি হবে স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। প্রাচীনকাল থেকেই করোলার তরকারি খাওয়ার প্রচলন। সুষম সন্তুলিত আহারে যেমন অম্ল, লবন, তীক্ষ্ণ কষায় আর মিষ্টি রসের প্রয়োজনীয়তা আছে তেমনই তিক্ত ও কটু রসও প্রয়োজন। করোলা আমরা দু ধরনের দেখতে পাই যেমন বড় করোলা এবং উচ্ছে বা ছোট করোলা। অনেক সময় তরকারি রান্না করতে গিয়ে করোলার তেতো ভাব কমানোর জন্যে টুকরো করে কেটে, নুন মাখিয়ে হাত দিয়ে চটকে নিয়ে রস নিংড়ে নেওয়া হয়। করোলার ওপরকার জলও ছড়িয়ে নেওয়া হয়। এতে তেতো ভাব কমে বটেRead More