Main Menu

Tuesday, June 19th, 2018

 

গিমা তিতা স্বাদযুক্ত সুস্বাদু শাক

বৈজ্ঞানিক নাম: Glinus oppositifolius (L.). সমনাম : Mollugo oppositifolia L. (1753), Mollugo spergula L. (1759). ইংরেজি নাম: জানা নেই। স্থানীয় নাম: গিমাশাক। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots বর্গ: Caryophyllales   পরিবার: Molluginaceae     গণ: Glinus   প্রজাতি: Glinus oppositifolius.    বর্ণনা: ব্যাপিত শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট, মসৃণ থেকে মসৃণবৎ বর্ষজীবী বীরুৎ, প্রধান মূলবিশিষ্ট। কান্ড ৩০-৪০ সেমি লম্বা। পাতা ১.৫-২.৫ x ০.৪-০.৬ সেমি, অপ্রকৃত আবর্তী,চমসাকার, উল্টাভল্লাকার, বা উপবৃত্তাকার, পত্রবৃন্ত ০.১- ০.২ সেমি লম্বা। পুষ্প ০.৪ সেমি (প্রায়) লম্বা, পুষ্পবৃন্তিকা। পুষ্পপুট ৫টি, ৩.০-৩.৫ x ১.৫ মিমি (প্রায়), ফলে সংযুক্ত পুষ্পপুট ৫ মিমিRead More


রক্তজবা ফুল এশিয়ার এক বৈচিত্র্যময় ফুল

বর্ণনা: জবা মালভেসি পরিবারের হিবিস্কাস গণের একটি ছোট বৃক্ষ। আমাদের দেশের অনেকেই বাড়ির আঙিনা কিংবা বাসাবাড়ির ছাদের টবে নানা জাতের ফুলগাছ লাগিয়ে থাকে। এসব গাছের মধ্যে জবা একটি। দেশের সর্বত্রই এই ফুলের চাষ হয়। চিন দেশ এর উত প ত্তিস্থান। গাছ টি ২-৪ মি. উঁচু, কাণ্ড খসখসে, পাতা মসৃণ ও চকচকে, ফুল ১০-১৫ সে. মি. চওড়া। ফুল এক ক অথবা দ্বৈত। গাছটি কষ্টসহিষ্ণু, অল্প যত্নে জন্মে। শাখা কলম দ্বারা এর বংশ বিস্তার হয়। প্রায় সারা বছরই গাছে ফুল ফোটে। বর্তমানে অনেক ধরনের হাইব্রীড জবার অস্তিত্ব পাওয়া যায় এবং সেগুলোর মধ্যেRead More


ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী বাংলার উপনিবেশবাদ বিরোধী বিপ্লবী

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী ১৮৮৩ সালে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের সুন্দাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পৈতৃক ভূমিও সেখানেই। পিতার নাম শিবসুন্দর রায় ও মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবী। তিনি ছিলেন বিপ্লবীদের মা। ময়মনসিংহের নান্দাইলের খারুয়া গ্রামের ব্রজকিশোর চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। তাঁর যখন ৩২ বা ৩৩ বছর বয়স তখন একটিমাত্র কন্যা নিয়ে তিনি বিধবা হন। বিপ্লবী ক্ষিতীশ চৌধুরী ছিলেন তাঁর দেওরপুত্র। ক্ষিতীশ চৌধুরী এবং ময়মনসিংহের বিপ্লবী নেতা সুরেন্দ্রমোহন ঘোষ (পরে বি.পি.সি.সি.-র প্রেসিডেন্ট) ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরীকে বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান ‘যুগান্তর’ দলভুক্ত করে নেন।   ১৯১৬ সালের ৩০ জুন কলিকাতার গোয়েন্দা-পুলিসের ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট বসন্ত চ্যাটার্জীর হত্যার পর সুরেন্দ্রমোহনRead More


লুকলুকি এশিয়ার বাণিজ্যিক ফল

বর্ণনা: টিপা ফল এক ধরনের টক মিষ্টি অপ্রচলিত ফল। এর অন্যান্য নামগুলো হলো- টিপফল, টিপটিপানি, টিপাটিপি, লুকলুকি, পেলাগোটা, প্যালা, পায়েলা, ঝিটকি, পলাগোটা, টরফই, পানিয়ালা, পানি আমলা, পাইন্না, পাইন্যাগুলা, বেহুই ইত্যাদি। এর ইংরেজি নাম Indian plum বা coffee plum. এর বৈজ্ঞানিক নাম Flacourtia jangomas বা Flacourtia cataphracta। এটি নিচুভূমি এবং পাহাড়ি এলাকার বৃষ্টিবহুল অঞ্চলের ‘উইলো’ পরিবারভুক্ত বৃক্ষ। বিস্তৃতি: এটি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়াতে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। অনেক অঞ্চলে এটি চাষ করার ক্ষেত্র ছেড়ে মুক্তভাবে জন্মে থাকে। এর আদি নিবাস জানা যায়নি তবে ধারনা করা হয়, এটি এশিয়ার ক্রান্তীয় অঞ্চলRead More


কাকডুমুর এশিয়ার পরিচিত উপকারি গাছ

বৈজ্ঞানিক নাম: Ficus hispida সমনামঃ Ficus oppositifolia Roxb. Ficus compressa, Covellia hispida ইংরেজি নাম: Hairy Fig, devil fig, opposite-leaved fig-tree, rough-leaved fig. বাংলা নাম: কাকডুমুর জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Eudicots অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Rosales পরিবার: Moraceae গণ: Ficus প্রজাতি: Ficus hispida L.f. পরিচিতি: কাকডুমুর মোরাসি পরিবারের ফাইকাস গণের একটি বৃক্ষ। এদের ফল ছোট এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত। এই গাছ অযত্নে-অবহেলায় এখানে-সেখানে ব্যাপক সংখ্যায় গজিয়ে ওঠে। গাছও তুলনামূলকভাবে ছোট হয়ে থাকে। এদের পাতা অত্যন্ত খসখসে। এই পাতা দিয়ে গ্রামাঞ্চলে অনেকে শিং, মাগুরজাতীয় মাছ কাটার আগে ঘষে পিচ্ছিলতা পরিষ্কার করেন।Read More


নীল উষ্ণমণ্ডলীয় এশিয়া ও আফ্রিকার গুল্ম

নীল গাছ বাংলা নাম: নীল, অন্যান্য স্থানীয় নাম: নিলিনী, রঞ্জনী, গ্রামিনিয়া, কালোকেশী, নীলপুষ্প, মধুপত্রিকা। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Magnoliophyta শ্রেণী: Magnoliopsida বর্গ: Fabales পরিবার: Fabaceae উপপরিবার: Faboideae গোত্র: Indigofereae গণ: Indigofera প্রজাতি: Indigofera tinctoria Linn. পরিচিতি: নীল গুল্ম জাতীয় এক প্রকারের উদ্ভিদ। বহু বর্ষজীবি গাছ কিন্তু একসময় বর্ষজীবি হিসেবে চাষ করা হতো। প্রাচীনকালে মিশর, গ্রিস ও রোমের লোকেরাও নীলের কথা জানতো। মিশরের ১৮তম রাজবংশের মমিগুলি নীল রং এর কাগজে মোড়া থাকতো। ভেষজ গুণ: এই গাছের ভেষজ গুনও বিদ্যমান। প্রাচীন ভারতে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নীলের আছে প্রশস্তি। আধুনিক কবিরাজি চিকিৎসায় নীলে শিকড়Read More