Main Menu

Saturday, June 23rd, 2018

 

গিদারী নদী বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

গিদারী নদী (ইংরেজি: Gidari River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। তবে নদীটি বাংলাদেশ ভারত যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত আন্তঃসীমান্ত নদী নয়। নদীটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী ও লালমনিরহাট সদর উপজেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৫৮ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক গিদারী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ২৯।[১] প্রবাহ: নদীটি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অতঃপর নদীটি একই জেলার সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়ন অবধি প্রবাহিতRead More


ভৈরব-কপোতাক্ষ বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আন্তঃসীমান্ত নদ

ভৈরব-কপোতাক্ষ নদ (ইংরেজি: Bhairab-Kapotakkho River)  বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদ। নদীটি ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলা এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার একটি নদী। নদটির দৈর্ঘ্য ৯৫ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৪৫ মিটার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ভৈরব-কপোতাক্ষ নদের প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৭০। প্রবাহ:ভৈরব-কপোতাক্ষ নদটি মুর্শিদাবাদ জেলার চরকুশবাড়িয়ার কেছে জলাঙ্গী নদী থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। অতঃপর নদটি মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। পরবর্তী পর্যায়ে এ নদ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ালগাছি ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে ইছামতী-কালিন্দী নদীতে নিপতিত হয়েছে। নদীটিRead More


বহেড়া এশিয়ার ঔষধি বৃক্ষ

পরিচিতি: বহেড়া বৃক্ষ ৬০ থেকে ১০০ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়, গাছের গুড়িও বেশ লম্বা, অবশ্য ছাল খুব বেশি পুরু হয় না, পাতা ৩ থেকে ৭ বা ৮ ইঞ্চি লম্বা হয়; দেখতে অনেকটা ছোট আকারের বট পাতার মতো, শীতকালে গাছের পাতা পড়ে যায়, বসন্তকালে আবার নতুন পাতা গজায়। পাতার বোঁটা (পত্রবৃন্ত) ১ বা দেড় ইঞ্চি লম্বা। ফুল ছোট, দেখতে অনেকটা নাকছাবির মতো, সেগুলি পুষ্পদণ্ডের চারদিকে যেন সাজানো; ফুলে নভেম্বরের দিকে হয় ফল; সেই ফল পুষ্ট হয় শীতের প্রাককালে, তারপর আপনা-আপনি পড়ে যেতে শুরু হয়; ফলে একটি বীজ, তার মধ্যেRead More


চালকুমরা এশিয়া ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার জনপ্রিয় সবজি

ভূমিকা: চালকুমরা বা চালকুমড়া বা জালিকুমড়া বা জালি কিউকারবিটাসি পরিবারের বেনিনকাসা গণের একটি লতানো প্রজাতি। এদের কাঁচা ও পাকা জনপ্রিয় সবজিরূপে খাওয়া হয়। মোরব্বা তৈরির জন্যও এটি জনপ্রিয়, তবে মোরব্বায় একটু বেশি পরিপক্ক ফলের ব্যবহার হয়। বিবরণ: এরা দৃঢ়, আরোহী, শক্ত রোমশ যুক্ত বীরুৎ। কান্ড শাখান্বিত, বিস্তৃত। আকর্ষ সরু। পত্র বৃক্কাকৃতি গোলাকার, ১০-২৫ x ১০-২৫ সেমি, গভীর ভাবে তাম্বুলাকার, উপরের পৃষ্ঠ অসৃমণ, নীচের পৃষ্ঠ শক্ত রোমযুক্ত। ৫-৭ খন্ডিত, প্রান্ত তরঙ্গিত, দন্তুর, শিরা খররোমাবৃত, বৃন্ত শক্ত, ৫-২০ সেমি হলদে বাদামী, রোমশ বা অতিরোমশ। উদ্ভিদ সহবাসী। পুংপুষ্প একল, বৃন্ত ৫-১৫ সেমি লম্বা, ঘনRead More


পটোল লতার ভেষজ গুণ

পরিচিতি এই লতা গাছটির বোটানিক্যাল নাম Trichosanthes dioica Roxb,এটি cucurbitaceae ফ্যামিলীভুক্ত। পটোলকে বলা হয় তিনটি ত্রিদোষের প্রতিকারক। এটি দেহের তিন ধরণের সমস্যার সমাধানে আয়ুর্বেদে ব্যবহার করা হয়। বায়ু, পিত্ত ও কফ এই অসুখে ব্যবহৃত হয়। উপযোগিতা চরকে এই বনৌষধিটির ব্যবহার করার ক্ষেত্র রক্তপিত্তে (Haemoptysis), শোথে, মদ্যপানের জন্য বিভিন্ন পিত্তবিকৃতিজনিত রোগে, সর্বপ্রকার বিষদোষে, পিত্তশ্লেষ্মাজনিত জ্বরে। তবে এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থা মতো ব্যবহার করাই শ্রেয়। অম্লপিত্ত রোগে পটল: বাঙালি সমাজে আরও একটি কথা প্রচলিত আছে যে, ‘মুড়ি আর ভুড়ি সব রোগের গুড়ি’, অর্থাৎ রোগের উৎস মাথা ও পেট। আমার ধারণা শেষোক্ত স্থানটিRead More


বেনিনকাসা হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের একটি গণ

গণের বৈজ্ঞানিক নাম: Benincasa Savi, Bibl. Ital. 9: 158 (1818). জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Rosids বর্গ:  Cucurbitales পরিবার: Cucurbitaceae উপপরিবার: Cucurbitoideae গণ: Benincasa Savi, Bibl.   বিবরণ: বেনিনকাসা হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের একটি গণের নাম। এরা বর্ষজীবী লতান বীরৎ, বৃন্ত জুড়ে কোমল রোমশ। পত্র করতলাকার ৫ খন্ডিত। আকর্ষ ২-৩ খন্ডিত। এদের ফুল হলুদ, সাধারণত সহবাসী, একল। পুংপুষ্প: বৃতিনল প্রশস্ত ঘন্টাকার, খন্ড ৫টি, অর্ধ ফলকাকার, দলমন্ডল চক্রাকার, সাধারণত ৫ খন্ডিত, খন্ড বিডিম্বাকার। পুংকেশর ৩টি, মুক্ত, বৃতিনলের অভ্যন্তরে সন্নিবিষ্ট, পুংদন্ড খাটো, পরাগধানী বহির্মুখী, পুরু। স্ত্রী পুষ্প: বৃতি ওRead More


লাউ এশিয়া ও আফ্রিকার জনপ্রিয় সবজি

বৈজ্ঞানিক নাম: Lagenaria siceraria (Molina) Standl., Publ. Field Mus. Nat. Hist. Chicago, B. Ser. 3: 435 (1930). সমনাম: Cucurbita siceraria Molina (1782), Lagenaria vulgaris Seringe (1825). ইংরেজি নাম: Bottle Gourd, Club Gourd, Whiteflowered Gourd. স্থানীয় নাম: লাউ, কদু, পানি লাউ। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Rosids বর্গ:  Cucurbitales পরিবার: Cucurbitaceae উপপরিবার: Cucurbitoideae গণ: Lagenaria প্রজাতি: Lagenaria siceraria (Molina) Standl.. বর্ণনা: লাউ কিউকারবিটাসি পরিবারের লাগেনারিয়া গণের একটি বৃহৎ বর্ষজীবী বীরুৎ। এদের কান্ড শাখান্বিত, খাঁজযুক্তকৌণিক, রোমশ। আকর্ষ সূত্রাকার, রোমশ, -২ খন্ডিত। পত্র বৃন্ত ও পত্র ফলকের সংযোগ স্থলে ২টি দ্বিপার্শ্বিকRead More


লাগেনারিয়া হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের একটি গণ

গণের বৈজ্ঞানিক নাম: Lagenaria Seringe, Mem. Soc. Phys. Geneve. 3(1): 25, t. 2 (1825). জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Rosids বর্গ:  Cucurbitales পরিবার: Cucurbitaceae উপপরিবার: Cucurbitoideae গণ: Lagenaria Ser.   বর্ণনা: লাগেনারিয়া হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের একটি গণের নাম। এরা বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। এদের পাতা অর্ধগোলাকার-তাম্বুলাকার বা বৃক্কাকার। আকর্ষ ২-খন্ডিত। এদের পুষ্প বৃহৎ, সাদা, সহবাসী। পুংপুষ্প: লম্বা মঞ্জরীদন্ড বিশিষ্ট, বৃতি নল ঘন্টাকার বা ধুতুরাকার, খন্ড ৫টি, দল মন্ডলের খন্ড ৫টি, দীর্ঘায়ত-বিডিম্বাকার, খাঁজযুক্ত, পুংকেশর ৩টি, বৃতি নলে সন্নিবিষ্ট, পুংদন্ড মুক্ত, পরাগধানী ভিতরে অবস্থিত, সামান্য যুক্ত বা মুক্ত, দীর্ঘায়ত,Read More


আমলকির ১৩টি ভেষজ গুণাগুণ

আমলকি বা আমলকী (বৈজ্ঞানিক নাম: Phyllanthus emblica) ফাইলান্থাসি পরিবারের ফাইলান্থুস গণের সহবাসী, রোমশ বিহীন বা রোমশ পর্ণমোচী বৃক্ষ। এরা প্রায় ২০ মিটার উঁচু, বাকল ধূসর, মসৃণ শাখা তামাটে রোমশ।[১] এটি বাংলাদেশ ও ভারতে যথেষ্ট পাওয়া যায়। আমলকী হচ্ছে ত্রিফলার একটি। আমলকি সম্পর্কে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমলকি ঔষধি গুণ সম্পন্ন সহজলভ্য ফল এখানে আমলকির বেশ কিছু ভেষজ গুনাগুণ আলোচনা করা হলো: ১. অম্লরোগ (Acidity): একে আয়ুর্বেদের ভাষায় বলা হয় অম্ল রোগ। এ রোগে সহযোগীরুপে আত্মপ্রকাশ করে পিত্তবিকৃতি। সে ক্ষেত্রে শুষ্ক আমলকী ৩ থেকে ৪ গ্রাম এক গ্লাস গরম জলে পূর্বRead More


শ্বেত চন্দন এশিয়ার বাণিজ্যিক বৃক্ষ

বৈজ্ঞানিক নাম: Santalum album L., Sp. Pl. 1: 349 (1753). সমনাম: Santalum myrtifolium Roxb. (1820). ইংরেজি নাম: জানা নেই। স্থানীয় নাম: শ্বেত চন্দন। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Asterids বর্গ:  Santalales পরিবার: Santalaceae গণ: Santalum   প্রজাতি: Santalum album L. বর্ণনা: শ্বেত চন্দন সান্টালাসি পরিবারের সান্টালুম গণের একটি ছোট, চিরহরিৎ, রোমহীন বৃক্ষ। এরা ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, বাকল অমসৃণ, সরু আনুভূমিক ফাটল যুক্ত। পত্র ২২-৩১ x ৭-১১ মিমি, প্রতিমুখ থেকে অর্ধপ্রতিমুখ, চর্মবৎ, ভঙ্গুর, উপবৃত্তাকার, ডিম্বাকার, শীর্ষ সূক্ষ্মাগ্র, সামান্য দীঘাগ্র, গোড়া স্থূলাগ্র, ক্রমশ: সরু, প্রান্ত তরঙ্গায়িত, শিরার শেষপ্রান্ত মুক্ত,Read More