You are here
Home > 2018 > June > 25

দুধকুমার নদ বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গ ও ভুটানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদ

দুধকুমার নদ (ইংরেজি: Dudhkumar River) বাংলাদেশ ভারত ও ভুটানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদ। নদটি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ভুটানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। নদটির মোট দৈর্ঘ্য ৩১৮ কিলোমিটার,[২] বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৫ কিলোমিটার, বাংলাদেশে গড় প্রশস্ততা ৬০ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক দুধকুমার

ধরলা নদী বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

ধরলা নদী (ইংরেজি: Dharla River) বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানেরএকটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলা, ভুটান এবং সিকিমের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ২০৯ কিলোমিটার, বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৫ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ১.২ কিলোমিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন

মাথাভাঙ্গা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

মাথাভাঙ্গা নদী (ইংরেজি: Mathavanga River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই নদীটির দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, প্রস্থ ২৯ মিটার এবং দর্শনার নিকট গভীরতা ১০ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ৫০০ বর্গকিলোমিটার। সাধারণত এই নদীর তীর উপচে

কদম গাছের ঔষধি ব্যবহার

কদম বা বুল কদমকদম বা বুল কদম (বৈজ্ঞানিক নাম Neolamarckia cadamba) (ইংরেজি নাম burflower-tree, laran, Leichhardt pine) রুবিয়াসি পরিবারের এন্থোসেফালুস গণের একটি মধ্যম বা বৃহৎ-আকৃতির সপুষ্পক বৃক্ষ। এরা প্রায় ৪০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়।[১] কদমের আছে অনেক আয়ুর্বেদিক ভেষজ গুনাগুণ যা নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আয়ুর্বেদিক ব্যবহার: ১. কোষবৃদ্ধিতে (Hydrocele):  অনেকে

কাঁটা বাঁশের ভেষজ গুণাগুণ

কাঁটা বাঁশ (বৈজ্ঞানিক নাম Bambusa bambos) বৃহৎ ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ। এর এর ইংরেজি নাম giant thorny bamboo, Indian thorny bamboo, spiny bamboo, thorny bamboo. কাঁটা বাঁশ সম্পর্কে জানতে বিস্তারিত পড়ুন কাঁটা বাঁশ পৃথিবীর উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের তৃণ এখানে বাঁশ বা কাঁটা বাঁশের ভেষজ ব্যবহার উল্লেখ করা হলো: ১. গাভীর প্রসব সংক্রান্ত সমস্যা: আপনারা অনেকে

কাসালং বাংলাদেশ ও মিজোরামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

কাসালং নদী: কাসালং নদী (Kasalong River) বাংলাদেশ ও ভারতের মিজোরামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী, যদিও এই নদীটি যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক আন্তঃসীমান্ত নদী হিসেবে স্বীকৃত নয়। নদীটি  মূলত উত্তর-পূর্ব পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় কর্ণফুলী নদীর একটি প্রধান উপনদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১২৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৮০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি

দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী বাংলাদেশ পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদী (ইংরেজি: Jamuneshwari River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১৬ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৫০ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক যমুনেশ্বরী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর হচ্ছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৫৮।[১] প্রবাহ: দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদীটির উৎপত্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলীগঞ্জ মহকুমার হলদিবাড়ি

মাতামুহুরী বাংলাদেশ ও আরাকানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

মাতামুহুরী নদী: মাতামুহুরী নদী (ইংরেজি: Matamuhuri River) বাংলাদেশ ও মায়ানমারের আরাকানের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি বাংলাদেশের বান্দরবন ও কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি নদী। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার, বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪৬ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৫৪ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক

রায়মঙ্গল বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আন্তঃসীমান্ত নদী

রায়মঙ্গল নদী (ইংরেজি: Raimangal River) বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ৬২ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২২৬৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক রায়মঙ্গল নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৮৩।[১] প্রবাহ:রায়মঙ্গল নদীটি সুন্দরবনের কাছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার

পটুয়াখালী নদী বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার একটি নদী

পটুয়াখালী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পটুয়াখালী জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১১ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২৫০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক পটুয়াখালী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪৮।[১] এই নদীর গড় গভীরতা ৬ মিটার এবং নদী অববাহিকার মোট আয়তন ২০ বর্গ কিলোমিটার। পটুয়াখালী

Top