You are here
Home > 2018 > July > 01

কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশ ও আসামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

কুশিয়ারা নদী (ইংরেজি: Kushiara River): কুশিয়ারা নদীটি বাংলাদেশ ও আসামের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি ভারতের আসাম রাজ্যের এবং বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৮ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ২৬৮ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক কুশিয়ারা

পাতি ভুশন্ডা বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা পাতি ভুশন্ডা হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের সাইরেস্টিস গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: পাতি ভুশন্ডা প্রজাপতির প্রসারিত ডানার মাপ ৫৫-৮০ মিমি। উভয় লিঙ্গের পেছনের ডানার উপরের দিকে প্রান্তীয় সুস্পষ্ট কান্ড, বেশ আলাদা গাঢ় দাগ রয়েছে। পুরুষের উপরের দিক গাঢ় বাদামী রঙের এবং গাঢ় দাগ বিশিষ্ট। সামনের ডানা যথাসম্ভব একটি

লালফুটকি ভুশন্ডা বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা লালফুটকি ভুশন্ডা হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের সাইরেস্টিস গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: লালফুটকি ভুশন্ডার প্রসারিত ডানার মাপ ৮৫-৯৮ মিমি। পুরুষ এবং স্ত্রীর উপরের দিক fuliginous বাদামী। সামনের ডানার কোষ দুটি সর্পিলাকার কালচে রেখা দ্বারা অতিক্রান্ত, যার মধ্যে সুস্পষ্ট carmine দাগ রয়েছে। পেছনের ডানা ফ্যাকাশে তীর্যক কালচে রেখা বহন

বাবলা গাছের ১৪টি ভেষজ গুণ

ভূমিকা: বাবলা মাঝারি আকৃতির  বৃক্ষ। এর পাতা তেঁতুলের পাতার মতো। গাছের গায়ে কাঁটা আছে। বাবলার বোটানিক্যাল নাম Acacia nilotica willd. এই বাবলা গাছের হিন্দি নাম ববুর, ববুল ও কীকর। বাবলা গাছের নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আর একটি গাছ এদেশে হয়; তার প্রচলিত গ্রাম্য নাম গুয়ে বাবলা। গুয়ে এই বিশেষণ দেওয়াটার কারণ হলো

শিয়ালমুত্রা বা ডানকোনী গুল্মের ১০টি ভেষজ গুণ

এর বৈজ্ঞানিক নাম vernonia cinerea. ঔষধ হিসাবে এই গাছ ব্যবহার করা হয়। সচরাচর এই গাছ দেখা যায় অনেকে এই গাছকে ডানকোণী বলে থাকে। ব্যবহার: ১. অর্শজনিত অধিক রক্তস্রাব হতে থাকলে সেটা হঠাৎ বন্ধ করা অসমীচীন, তাদ্বারা আসতে পারে অন্য নানা প্রকার উপসর্গ। তাই আয়ুর্বেদের চিকিৎসা পদ্ধতি একটু পৃথক। এছাড়াও এই রোগের আনুষঙ্গিক উপসর্গও

পাতি কাগজী বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা পাতি কাগজী হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের সাইরেস্টিস গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: পাতি কাগজীর প্রসারিত ডানার মাপ ৫০-৬০ মিমি। উভয় লিঙ্গে ডানার উপর মানচিত্র সদৃশ দাগ রয়েছে এবং বাইরের দিকে অনিয়মিত। উপরের অংশ ফ্যাকাশে সাদা সরু, ফ্যাকাশে মলিন রেখা বিশিষ্ট এবং একটি প্রশস্ত বাদামী প্রান্ত রয়েছে, সামনের

সিধাড়ু এশিয়ার প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা সিধাড়ু হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের সিরোচোরো গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: সিধাড়ু প্রজাপতির প্রসারিত ডানার মাপ ৫৭-৬৫ মিমি। পুরুষ এবং স্ত্রীর উপরের দিক বাদামী ফিকে হলুদ সেলের মধ্যে দুটি অনিয়মিত গাঢ় দাগ রয়েছে, সেলের শেষে দুটি গাঢ় সর্পিলাকার রেখা রয়েছে, একটি প্রশস্ত, বেশ সর্পিলাকার stramineous ফ্যাসসিয়া সেলের ঠিক

পাতি ঢেউখিলানি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা পাতি ঢেউখিলানি হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের সিরোচোরো গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: পাতি ঢেউখিলানি প্রজাপতির প্রসারিত ডানার মাপ ৬৫-৭৫ মিমি। পুরুষের উপরের অংশ ফ্যাকাশে ferruginous সামনের ডানা সরু কালচে প্রান্তীয় কান্ড বিশিষ্ট, এর ভেতরের সারিবদ্ধ lunules ফ্যাকাশে ভাবে উপরের অংশ একটি সারিবদ্ধ ৬টি কালো দাগ রয়েছে, সাদা দাগ

দেশি রাজা বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারের প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা দেশি রাজা হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের চারাক্সেস গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: দেশি রাজা প্রজাপতির এদের প্রসারিত ডানার মাপ ৯০-১০০ মিমি। পুরুষের পেছনের ডানার উপরের দিক প্রায় সরু কালো প্রান্ত বিশিষ্ট, কিছু তামাটে দাগ সামনের ডানার চূড়ায় অবস্থিত। স্ত্রীর প্রশস্ত সাদা discal কান্ড কষ্টা পর্যন্ত পৌঁচায়। পুরুষ

কালো রাজা বাংলাদেশ, ভারত, শ্রী লঙ্কা ও মায়ানমারের প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা কালো রাজা হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের চারাক্সেস গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: কালো রাজা প্রজাপতির প্রসারিত ডানার মাপ ৭০-৮০ মিমি। উপরের discal কান্ড হলদে সবুজ থেকে ফ্যাকাশে সাদা, সাধারণ তল বেশ গাঢ় বাদামী, discal কান্ড সামনের ডানার চূড়ার কাছে দাগের ভেতর ভেঙে যায়। পেছনের ডানার দুটি সমান

Top