Main Menu

Monday, July 2nd, 2018

 

উচ্ছে পৃথিবীর উষ্ণ মণ্ডলীয় অঞ্চলের সবজি

ভূমিকা: উচ্ছে হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের মমরডিকা গণের একটি বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। বিবরণ: এদের কান্ড শাখান্বিত, রোমশ, ১-২ মিটার লম্বা। পত্র অর্ধগোলাকার, ৪-৮ x ৪-৮ সেমি, উভয় পৃষ্ঠ রোমশ বিহীন, অস্পষ্ট শিরাল, খন্ডিত, খন্ড ডিম্বাকৃতি-দীর্ঘায়ত, মূলীয় অংশ রোমশ, বৃন্ত অর্ধ-রোমশ। পাতার আকার ও অবস্থান মাটি ও বাস্তুতন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। উদ্ভিদ সহবাসী। পুংপুষ্প: একল, মঞ্জরীদন্ড সরু, রোমশ বিহীন, মঞ্জরীপত্র ফলকাকার, বৃক্কাকার বা গোলাকৃতি তাম্বুলাকার, অখন্ড, রোমশ, দলমন্ডল সামান্য অসমাঙ্গ, হলুদ, খন্ড বিডিম্বাকার স্থূলাগ্র বা খাতাগ্র। স্ত্রী পুষ্প: মঞ্জরীদন্ড প্রায়শ সহপত্রী, গর্ভাশয় মূলকাকার, ঠোটযুক্ত। ফল ছোট, উভয় প্রান্ত সরু, গুটিকাকার, ৩টিRead More


করলা পৃথিবীর গ্রীষ্ম প্রধান অঞ্চলের সবজি

বৈজ্ঞানিক নাম: Momordica charantia L. var. charantia C. B. Clarke in Hook. f., Fl. Brit. Ind. 2: 616 (1879). সমনাম: Momordica indica L. (1754), Momordica elegans Salisb. (1796). ইংরেজি নাম: Bitter Melon. স্থানীয় নাম: করলা। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Rosids বর্গ:  Cucurbitales পরিবার: Cucurbitaceae উপপরিবার: Cucurbitoideae গণ: Momordica L..   বিবরণ: করলা হচ্ছে কিউকারবিটাসি (শসা লাউ) পরিবারের মমরডিকা গণের একটি বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ। এদের কান্ড শাখান্বিত, রোমশ, ১-২ মিটার লম্বা। আকর্ষ প্রায় ২০ সেমি লম্বা, রোমশ, সরল। পত্র বৃক্কাকার বা অর্ধ-গোলাকার, ৪-১২ সেমি লম্বা। এবং ৪-১২ সেমিRead More


হাতিশুঁড়ের ঔষধি গুণাগুণ

হাতিশুঁড় একপ্রকার বর্ষজীবি আগাছা জাতীয় উদ্ভিদ। একে বিভিন্ন নামে দাকা হয় যেমন- হাতিশুঁড়ি, হাতিশুণ্ডি, হস্তীশুণ্ডী, শ্রীহস্তিনী, মহাশুণ্ডী ইত্যাদি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Heliotropium indicum, এবং ইংরেজি নাম ‘Indian heliotrope’। লোকায়তিক ব্যবহার ১. ফোলা: হঠাৎ ঠাণ্ডা লেগে হাতে পায়ের গাঁট ফুলে গেলে (এটা সাধারণতঃ কফের বিকারে হয়) এই হাতিশুঁড়ের পাতা বেটে অল্প গরম করে ঐ সব ফোলার জায়গায় লাগালে ওটা কমে যায়। ২. আঘাতের ফোলায়: এই পাতা বেটে গরম করে ঐ আঘাতের জায়গায় লাগালে ব্যথা ও ফোলা দুই চলে যায়। ৩. বাগীর ফোলায়:  উরু ও তলপেটের সন্ধিস্থানে অর্থাৎ কুচকীতে যেটা হয় তারRead More


খেসারির ডালের ১০টি ভেষজ গুণ

খেসারি (বৈজ্ঞানিক নাম: Lathyrus sativus) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের ডাল জাতীয় শস্য। খেসারির ডাল খাওয়ার নিয়ম: খেসারির ডালে গর্ভপত্র খঞ্জতাকারক। এইটি থেকে সর্বদা আমাদের সাবধান হওয়া দরকার; বাংলা, বিহার বিশেষত উড়িষ্যার গ্রামাঞ্চলে খেসারির বহু চাষ হয় এবং আহার্য ডাল হিসেবে বৎসরের পর বৎসর তাঁরা ব্যবহার করে আসছেন কিন্তু তাঁরা এর দ্বারা কোনো কুফল পাননি সেটা কারণ হচ্ছে, তাঁরা এই ডালটিকে প্রথমে বালির সঙ্গে ভেজে নিয়ে যাঁতায় ভেঙ্গে খোসাটা ঝেড়ে বের করে দিয়ে থাকেন; এর দ্বারা ঐ গর্ভপত্রের দোষ অংশটা বালির উত্তাপে নষ্ট হয়ে যায়। তারপর ব্যবহার করা হয় বলেই ঐ দোষমুক্তRead More


বাংলাদেশের প্রজাপতির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা

বাংলাদেশে নিমফালিডি, আমাথুসিডি, ডানাইডি, সাটিরিডি, আক্রাইডি, রিওডিনিডি, লিসিনিডি, পিরিডি, পাপিলিওনিডি এবং হেসপারিডি পরিবারের কীটপতঙ্গগুলোকে সাধারণত প্রজাপতি বলা হয়। এই সব পরিবারগুলোর ভেতরে শেষেরটি ছাড়া বাকিগুলো পাপিলাওয়নিডি অধিপরিবারের অন্তর্ভুক্ত। শেষেরটি অন্তর্ভুক্ত হেসপারিওইডি অধিপরিবারে। এসব পরিবার বা গোত্রে প্রায় ১৫০টি প্রজাতি রয়েছে যেগুলোর নাম বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নিম্নে পরিবারের নামের পরেই প্রজাপতিটির বাংলা নামসহ বৈজ্ঞানিক নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আপনারা বৈজ্ঞানিক নামের পাশে উল্লেখিত বাংলা নামে ক্লিক করে প্রজাপতিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অধিপরিবার: PAPILIONOIDEA পরিবার (Family): NYMPHALIDAE ১. পাতি মরচেপাতা, Аriadne merione (Cramer) ২. কমলা দাগী ফুলকি দাঁড়া,Read More


রয়াল বাংলাদেশ ভারত মায়ানমার এবং চীনের প্রজাপতি

বর্ণনা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা রয়াল বা হলুদ পানসি হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের জুনোনিয়া গণের একটি প্রজাপতি। এদের প্রসারিত ডানার মাপ ৫০-৬০ মিমি। পুরুষের সামনের ডানার উপরের দিক কালো, একটি প্রশস্ত, মধ্যম ফিকে হলুদ (হলুদ) patch গোড়া থেকে ডিস্কের পেছন পর্যন্ত অবস্থিত তার পরে সরু এবং নিচের দিকে বেকে যায়, দুটি খাটো ফিকে হলুদ দাগ চূড়ার পূর্বে অবস্থিত। পেছনের ডানার উপরের দিক কালো, একটি বড়, প্রশস্ত প্রায় পশ্চাৎ ফিকে হলুদ (হলুদ) patch এবং একটি বড়, সুস্পষ্ট নীল প্রায় গোড়ার দাগযুক্ত। স্ত্রীর সামনের ডানার উপরের দিক গাঢ় হালকা হলুদ, বাদামী, ফিকে হলুদRead More


চাঁদনরি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রজাপতি

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা চাঁদনরি বা ধূসর পানসি হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের জুনোনিয়া গণের একটি প্রজাপতি। বিবরণ: চাঁদনরি প্রজাপতির প্রসারিত ডানার মাপ ৫৫-৬৫ মিমি। উভয় লিঙ্গের উপরের দিক ধূসর রঙের, বাদামী রেখা বিশিষ্ট এবং উভয় ডানায় সারিবদ্ধ বাইরের discal ওসেলি রয়েছে। পুরুষের সামনের ডানার উপরের দিকে দুটি সর্পিলাকার কালো রেখা কোষের মধ্য পর্যন্ত অতিক্রম করে এবং দুটি সমান কোষের শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত, একটি খুব সর্পিলাকার মলিন রেখা কোষের ঠিক পেছনে এবং দুটি (ভেতরেরটি ফ্যাকাশে ) বেশ মলিন রেখা এইটি এবং বাইরের প্রান্তের মধ্যে থাকে। ৬টি দাগ ওসেলা সমৃদ্ধ, ১ম, ২য়Read More


নয়ান বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার এবং চীনের প্রজাপতি

বর্ণনা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা নয়ান বা ময়ূর পানসি হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের জুনোনিয়া গণের একটি প্রজাপতি। এদের প্রসারিত ডানার মাপ ৬০-৬৫ মিমি। উপরের দিক মেটে রঙের হালকা তামাটে। সামনের ডানার উপরের দিকে ২-এর ভেতর ওসেলাস আছে। পেছনের ডানার উপরের দিকে একটি বেশ বড় ওসেলাস ৫-এর মধ্যে ঢেকে রাখে শিরা ৪ থেকে ৭। সামনের ডানার টারমেন পিরামিড আকারের এবং বাইরের প্রান্ত ৩-এর সাথে কোনা তৈরি করে, প্রান্তের মধ্যে ৩টি গাঢ় রেখা এবং ৫টি গাঢ় আড়াআড়ি বার সেলের ভেতরে এবং পেছনে অবস্থিত। পেছনের ডানার টরনাসে একটি শীর্ষ ভোতা লেজ রয়েছে। শুকনো মৌসুমেRead More


অড়হর ভেষজ গুণ সম্পন্ন ডালজাতীয় শস্য

পরিচিতি গুল্মজাতীয় শাখাপ্রশাখাযুক্ত উদ্ভিদ, ৪ থেকে ৮ বা ১০ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়, গাছগুলিতে কাষ্ঠগর্ভ হলেও ডালগুলি নরম, সাধারণত একটি বৃত্তের তিনটি শাখাবৃত্তে এক একটি করে পাতা, লম্বা ২-৩ ইঞ্চি, চওড়া আধ ইঞ্চিরও বেশী, সবুজ পাতার উল্টোপিঠ অপেক্ষাকৃত সাদা, ফুল হলদে, ফল আকারে ছোট কড়াইন শুটির মতো, কিন্তু একটু চ্যাপ্টা হয়, প্রত্যেক শুঁটিতে ৩-৫টি বীজ থাকে। এই অড়হর গাছ ভারতের অধিকাংশ প্রদেশে জন্মে; কিন্তু উত্তর প্রদেশে ও বিহারে ব্যাপক চাষ হয়। জুলাই-আগষ্ট মাসে ফুল ও শীতকালে অর্থাৎ নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ফল হয়। হিন্দি ভাষাভাষী অঞ্চলে একে বলে অড়হর; আহার্যRead More


ছোলার ১২টি ঔষধি গুণাগুণ

পরিচিতি বর্ষজীবী গাছ, ছোট ক্ষুপ জাতীয় ওষধি। বহু ক্ষুদ্র অথচ নরম শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট, পত্র পক্ষাকার ও সোজা ১ থেকে ১২ ইঞ্চি লম্বা দাঁতযুক্ত, পুষ্পদণ্ড ৭ ইঞ্চি, শুটি ছোট ও বেটে, লম্বা ১ ইঞ্চি, প্রত্যেক শুটিতে সাধারণত একটি বীজ থাকে। কখনও কখনও দুটিও দেখা যায়, মার্চ মাসে ফল ও জুন মাসে ফল হয়। এটির বোটানিক্যল নাম Cicer arietinum Linn. ফ্যামিলি Leguminosae. রোগ প্রতিকার: ১. রক্তপিত্তে: এর ভয়ঙ্কর রূপ দেখা দিলেও শুধু ছোলার (খোসা সহ সিদ্ধ) যুষ বার বার প্রয়োগ করলে সেটা উপশমিত হয়। পরিমাণ হলো ছোলা ২৫ গ্রাম পূর্বদিন রাত্রে ভিজিয়েRead More