Main Menu

Thursday, July 5th, 2018

 

গণিকাবৃত্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামের পঞ্চম অন্তর্জাতিক কংগ্রেস- ভ. ই লেনিন

সম্প্রতি লন্ডনে সাদা গোলামদের ব্যবসায় নিরোধকল্পে পঞ্চম আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়ে গিয়েছে। এই কংগ্রেসে অনেক ডিউকের স্ত্রী, কাউন্টের স্ত্রী, বিশপ, পাদ্রী শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত, পুলিস কর্মচারী এবং সমস্ত রকমের বুর্জোয়া বিশ্ব প্রেমিকদেরই আবির্ভাব হয়েছিল। সেখানে আনুষ্ঠানিক ভোজসভা ও সরকারী অভ্যর্থনার অন্ত ছিল না। আর পতিতাবৃত্তি যে কতো ক্ষতিকর ও কতদূর লজ্জাজনক সে সম্বন্ধে গুরু গম্ভীর বক্তৃতারও অন্ত ছিল না। কিন্তু এই কংগ্রেসে এই পরিপাটি বুর্জোয়া প্রতিনিধিরা সংগ্রামের কোনো উপায় দাবি করেছিলেন ? তাদের প্রধান হাতিয়ার দুইটি, ধর্ম ও পুলিস। তাঁরা বলেন, এই দুইটি। হলো গণিকাবৃত্তি নিরোধের সবচেয়ে নিশ্চিত ও নিরাপদ উপায়। লাইপৎসিকRead More


করতোয়া নদী বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

করতোয়া নদী (ইংরেজি: Kartoa River) বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১৮৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৩৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক করতোয়া নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ১৩।[১] এটি প্রধানত রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত একটি ছোট নদী যা একসময় একটি বড় ও পবিত্র নদী ছিল। এর একটি গতিপথ বর্তমানে বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় দিয়ে (যা পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ও প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরীর রাজধানী) প্রবাহমান। করতোয়া মাহাত্ম্য এর অতীত ঐতিহ্যেরRead More


ফোঁড়া সারানোর ভেষজ ১৬টি উপায়

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে বিভিন্ন স্থানে ফোঁড়া (ইংরেজি: Boil) হতে পারে। অনেক সময় ফোঁড়া পাকতে চায় না বা সারতে চায় না;  সেক্ষেত্রে ঘরে বসেই ভেষজ উপায়ে সারিয়ে তোলা যায় এই যন্ত্রণাদায়ক, বিরক্তকর ফোঁড়াকে। ফোঁড়া চিকিৎসায় ভেষজ উপাদান ও ব্যবহারের নিয়ম: ১. ফোড়ায় পেকে গিয়েছে বটে, কিন্তু ফাটছে না, আবার এও হয় পাকছেও না, যাকে বলে দরকচা মেরে আছে, এক্ষেত্রে মসুরের ডাল বেটে গরম করে। ফোড়ার উপর প্রলেপ দিলে হয় বসবে না হয় ফাটবে। ২. বেউড় বাঁশের (Bambusa spinosa) কাঁটা বেটে ফোড়ার চারধারে লাগালে ফোড়া পেকে যায়। ৩. ফোড়ায়Read More


কাশি নিরাময়ে বিভিন্ন ভেষজ চিকিৎসা

কাশি (ইংরেজি: Cough) মূলত জীবাণু থেকে শ্বাসনালীকে রক্ষা করার জন্য এক ধরণের প্রতিক্রিয়া। বাইরের কোনো বিরক্তকর বা উত্তেজক বস্তু থেকে শরীরকে বাঁচান বা সচেতেন করার জন্য ইঙ্গিত। যেই কারণেই এই কাশি হোক না কেনো তা প্রতিকার বা প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। কাশি থেকে মুক্তির ঘরোয়া কয়েকটি উপায়: ১ .  পিত্তশ্লেষ্মাজনিত কাসিতে অড়হর পাতার রস ৭ থেকে ৮ চামচ একটু গরম করে ১ চামচের মতো মধু মিশিয়ে খেলে কাসিটা কমে যায়। আরও একপ্রকার কাসি আছে যাতে সর্দি উঠে যাওয়ার পর একটি উপশম হয়, অথবা জল খেয়ে বমি হয়ে গেলে যে কাসির উদ্বেগটাRead More