Main Menu

Wednesday, August 15th, 2018

 

আকবরের শাসনামলে ভারতের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা

আকবরের প্রশাসনিক ব্যবস্থা: মোগল-রাষ্ট্রে প্রধান প্রশাসনিক বিভাগ ছিল রাজস্ব-সম্পর্কিত বিভাগ। এ-বিভাগের প্রধান ছিলেন ‘দিওয়ান’। রাজস্ব-আদায়কারী কর্মচারিরা বেশির ভাগই হিন্দু ছিলেন। সৈন্যবিভাগে সৈন্যদের খাদ্যবস্ত্র ইত্যাদির প্রধান তত্ত্বাবধায়ক ও খাজাঞ্চি ‘মির-ই-বখশি’ ‘জায়গিরগুলির বিলিবণ্টন তত্ত্বাবধান করতেন এবং তিনিই ফৌজী কুচকাওয়াজের সময় পরিদর্শন করতেন সৈন্যদের ও তাদের সাজসরঞ্জামের। এছাড়া অন্যান্য ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতেন বাহিনীগুলির সেনাধ্যক্ষরা। ধর্মীয় ব্যাপারের ভারপ্রাপ্ত বিভাগটি পরিচিত ছিল ‘সদারত’ নামে। এই বিভাগের প্রধান ‘সদর’ মুসলমানদের ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা পরিচালনার জন্যে বিচারকদের নিযুক্ত করতেন এবং ‘সুয়ুরগাল’ বিতরণের ভারপ্রাপ্ত ছিলেন। বিভিন্ন অঞ্চলে ও জেলাগুলিতে পাশাপাশি কাজ করতেন বেসামরিক ও সামরিক কর্তৃপক্ষ, পরস্পরেরRead More


আকবরের রাজত্বকাল ও রাজ্যবিস্তারের ইতিহাস

আকবরের রাজত্বকাল: শের শাহ মৃত্যুর ফলে পুনরায় একবার দিল্লীর সিংহাসন নিয়ে আফগান সামন্ত-ভূস্বামীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। শেষপর্যন্ত ক্ষমতা দখল করেন শের শাহের কনিষ্ঠ পুত্র। তিনি রাজত্ব করেন ১৫৫৪ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। এর মত্যুর পরে আবার প্রচণ্ড সংঘর্ষ বাধে, আর তা বাধে সিংহাসনের চারজন দাবিদারের মধ্যে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিলেন হুমায়ন, তিনি এই সময়ে পারস্য থেকে ফিরে এসেছিলেন তুর্কি, পারসিক, আফগান, তুর্কোমান ও উজবেকদের নিয়ে গঠিত এক বহুজাতিক সেনাবাহিনী নিয়ে। সিংহাসনের অন্যান্য দাবিদারের সেনাবাহিনীগুলিকে উৎখাত করে ১৫৫৫ খ্রীস্টাব্দে তিনি দিল্লী দখল করলেন। তবে এবারও তাঁর রাজত্ব ছিল স্বল্পস্থায়ী, কেননা কয়েক মাসRead More


চিন্তাধারার পদ্ধতি ও কর্মপদ্ধতি — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ২২. চিন্তাধারার পদ্ধতি ও কর্মপদ্ধতি *** মানবজাতির ইতিহাস হচ্ছে অনিবার্যতার রাজ্য থেকে স্বাধীনতার রাজ্যে অবিরাম বিকাশ লাভের একটা ইতিহাস। এই প্রক্রিয়া কখনো শেষ হবে না। যে সমাজে শ্রেণি বিদ্যমান, সেখানে শ্রেণি সংগ্রাম শেষ হবে না। শ্রেণিহীন সমাজে নূতন ও পুরাতনের, নির্ভুল ও ভুলের মধ্যেকার সংগ্রাম কোনো দিনই শেষ হবে না। উত্‍পাদন সংগ্রামের ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার আওতায়, মানবজাতি অবিরাম বিকাশ লাভ করে, আর প্রকৃতিও নিরন্তর বিকাশ লাভ করে, এই প্রক্রিয়া কখনো একই স্তরে নিশ্চল থাকে না। অতএব, মানবজাতিকে অবিরামভাবে অভিজ্ঞতার সারসংকলন করতে হয়, আর আবিষ্কার ও উদ্ভাবনRead More


সংস্কৃতি ও শিল্পকলা — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ৩২. সংস্কৃতি ও শিল্পকলা *** বর্তমান দুনিয়ায়, সমস্ত সংস্কৃতি অথবা সাহিত্য ও শিল্পকলা নির্দিষ্ট শ্রেণীর অধিকারে, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লাইনের অধিকারে। শিল্পকলার খাতিরেই শিল্পকলা, শ্রেণির ঊর্ধ্বে শিল্পকলা এবং রাজনীতির সঙ্গে সমান্তরাল অথবা পরস্পর স্বাধীন শিল্পকলার বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই। সর্বহারা শ্রেণীর সাহিত্য ও শিল্পকলা হচ্ছে সর্বহারা শ্রেণির সমগ্র বিপ্লবী কার্যের একটা অংশ, তারা হচ্ছে লেনিন যেমন বলেছেন, সমগ্র বিপ্লবী যন্ত্রের ‘দাঁতওয়ালা চাকা ও স্ক্রু’। “সাহিত্য ও শিল্পকলা সম্পর্কে ইয়েন ফোরামে প্রদত্ত ভাষণ” (মে, ১৯৪২) *** বিপ্লবী সংস্কৃতি হচ্ছে, ব্যাপক জনসাধারণের পক্ষে বিপ্লবের বলিষ্ঠ অস্ত্র। বিপ্লবের পূর্বে তাRead More


নারী — মাও সেতুং

সভাপতি মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি ৩১. নারী *** চীনের পুরুষেরা সাধারণত তিন ধরনের ক্ষমতার ব্যবস্থার দ্বারা [রাজনৈতিক ক্ষমতা, গোষ্ঠীগত ক্ষমতা, ধর্মগত ক্ষমতা — সম্পাদকীয়] শাসিত… নারীদের পক্ষে উপরোক্ত এ তিন ধরনের ক্ষমতার দ্বারা শাসিত হওয়া ছাড়াও, তাঁরা পুরুষদের দ্বারা শাসিত (স্বামীত্বের ক্ষমতার দ্বারা)। এ চারটি ক্ষমতা রাজনৈতিক ক্ষমতা, গোষ্ঠীগত ক্ষমতা, ধর্মগত ক্ষমতা ও স্বামীত্বের ক্ষমতা সমস্ত সামন্ততান্ত্রিক পিতৃপ্রধান মতাদর্শ ও ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছে, আর এগুলোই হচ্ছে চারটা মস্ত মোটা দড়ি, যা চীনা জনগণকে বিশেষ করে, কৃষকদের বেঁধে রেখেছে। কৃষকেরা গ্রামাঞ্চলে কেমন করে জমিদারদের রাজনৈতিক ক্ষমতা উচ্ছেদ করেছেন, তা উপরে বর্ণিত হয়েছে।Read More