আপনি যা পড়ছেন

বাংলায় মোগল-শাসনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য

যদিও আকবরের রাজত্বকালে বাংলা মোগল-শাসনের অধীনে আসে তবু সাম্রাজ্যের এই প্রত্যন্ত প্রদেশটিতে মোগলদের শাসন যথেষ্ট নিশ্চিত ও নিরাপদ ছিল না। বাংলার ‘জমিদার’ ও ‘জায়গিরদার'রা তাঁদের ভূ-সম্পত্তিগুলিকে নিজেদের বাহুবলে স্বাধীন রাজ্যে পরিণত করতে সচেষ্ট ছিলেন সর্বদাই। বাংলার ‘জমিদার’দের বশ্যতাস্বীকার করাতে মোগলদের সময় লেগেছিল চার বছর — ১৬০৮ থেকে ১৬১২ খীস্টাব্দ পর্যন্ত।

জাহাঙ্গীরের রাজত্বকাল ও রাজ্য বিস্তার

সপ্তদশ শতকের গোড়ার দিকে জাহাঙ্গীরের মোগল-সিংহাসনে আরোহণ আকবরের ঘোষিত ধর্মীয় সহনশীলতার নীতি থেকে কিছু-পরিমাণে বিচ্যুতির সুচক। এর ফলে হিন্দু, জায়গিরদার’দের অধিকাংশের মধ্যে এবং মুসলিমদের কিছু-কিছু অংশের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দেয়। এর অল্প কিছুদিন পরে জাহাঙ্গীরের জ্যেষ্ঠপুত্র খুসরো পাঞ্জাবে পালিয়ে যান ও সেখানে এক বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন। শিখদের পঞ্চম গুরু অর্জুন

মোগল শাসনামলে সমাজ-চিন্তা ও গণ-আন্দোলন

আকবরের শাসনামলে গণ-আন্দোলন: আবুল ফজলের বাবা শেখ মুবারক ‘মাহদি’বাদী আন্দোলনের অনুসারক ছিলেন এবং এই আন্দোলন আবুল ফজলের চিন্তাধারাকে বহুলাংশে প্রাভাবিত করেছিল। শহরের মুসলিম ব্যবসায়ী ও কারুশিল্পীদের মধ্যে প্রসারলাভ করে এই আন্দোলনটি। পঞ্চদশ শতকে গুজরাটে মীর সয়ীদ মুহম্মদ (১৪৪৩ থেকে ১৫০৫ খ্রীস্টাব্দ) নামে এক প্রখ্যাত পণ্ডিত নিজেকে ‘মাহদি’ (অর্থাৎ, মানবজাতির ত্রাণকর্তা বলে

মোগল আমলে শাসন ও ধর্মীয় সংস্কার

আকবরের শাসন সংস্কার ১৫৬৯ খ্রীস্টাব্দে আকবর নির্দেশ দেন আগ্রা থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে বাবর যেখানে রাণা সঙ্গকে যুদ্ধে পরাস্ত করেছিলেন সেই সিক্রিতে নতুন একটি শহর-নির্মাণের। ‘পাতশাহের’ হুকুম অনুযায়ী আকবরের দরবারের আমির ওমরাহরা আগে যেখানে ধু-ধু মাঠ ছিল সেই বিশাল প্রান্তরে বহুবিধ প্রাসাদ ও প্রমোদ-উদ্যান নির্মাণ করালেন। এইভাবে লাল বেলে-পাথরের তৈরি অপরুপ

Top