Main Menu

Friday, August 17th, 2018

 

মোগল আমলে দাক্ষিণাত্য দখল অভিযান

জাহাঙ্গীরের আমালে দাক্ষিণাত্যের যুদ্ধ সপ্তদশ শতকের মোগল-সম্রাটরা সমগ্র দক্ষিণ-ভারত নিজেদের পদানত করার আশা ত্যাগ করেন নি। ওই সময়ে মোগল-সেনাবাহিনীর দাক্ষিণাত্য-অভিযান শুরু করার পক্ষে প্রধান অগ্রসর ঘাঁটি ছিল গুজরাট। আহমদনগর, বিজাপুর ও গোলকুণ্ডা-রাজ্য মোগলদের বশ্যতাস্বীকারে রাজি ছিল না। এই তিনটি রাজ্য সর্বদাই নিজেদের সীমানা-সংলগ্ন ভূখণ্ডের দাবিদাওয়া নিয়ে পরস্পরের মধ্যে লিপ্ত থাকত যুদ্ধ-বিগ্রহে, তবে বিরল কোনো-কোনো ক্ষেত্রে মোগল-সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যৌথভাবে প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে নিজেদের মধ্যে মৈত্রীচুক্তিতে আবদ্ধ হতো। মোগলরা দাক্ষিণাত্য-অভিযান শুরু করলেন সে-দেশের সবচেয়ে দুর্বল রাজা আহমদনগর আক্রমণের মধ্যে দিয়ে। তবে এই আক্রমণ শুরু হওয়ার ঠিক আগের অল্প কয়েকটি বছরের মধ্যে ইথিওপীয় দাস-রাজাRead More


শাহ জাহান পরিচালিত ষড়যন্ত্র ও ক্ষমতালোভ

শাহ জাহান ও মহব্বত খাঁর পরিচালিত ষড়যন্ত্র ও ক্ষমতা লোভ আহমদনগর জয় করার পুরস্কারস্বরূপ জাহাঙ্গীর তাঁর দ্বিতীয় পুত্র খুররমকে শাহ জাহান (অর্থাৎ দুনিয়ার শাসনকর্তা) উপাধি দিলেন ও তাঁকে নিযুক্ত করলেন সমৃদ্ধ গুজরাট রাজ্যের শাসনকর্তা। ওই সময়ে জাহাঙ্গীর তাঁর প্রধানা মহিষী নুর জাহানের একেবারে হাতের মুঠোয় চলে গিয়েছিলেন এবং এই প্রমত্ত আফিমখোর সম্রাট তাঁর রাজ্যের শাসনভার ক্রমশ ছেড়ে দিচ্ছিলেন নুর জাহানের হাতে। নুর জাহান ছিলেন জাহাঙ্গীরের অপর এক পুত্র শাহরিয়ারের পৃষ্ঠোপোষক এবং এর ফলে শাহ জাহানের পক্ষে সিংহাসন লাভ করার পথে বিঘ্ন দেখা দিয়েছিল।   সিংহাসন হারানোর বিপদ উপস্থিত হওয়ায় শাহRead More


মোগল আমলে গুজরাটের অর্থনৈতিক অবস্থা

মোগল-সাম্রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত এলাকা ও সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের কেন্দ্র ছিল গুজরাট। অপুর্ব চমৎকার নানা ধরনের কাপড় বোনা হতো সেখানে, নীলের চাষ হতো, মূল্যবান রক্তিমাভ ক্যরনীলিআন পাথরের নানা হাতে তৈরি জিনিস প্রস্তুত হতো আর তৈরি হতো আলঙ্কারিক নানা অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি। অঞ্চলটির অভ্যন্তর প্রদেশেও ব্যবসা-বাণিজ্য সু-বিকশিত ছিল এবং বেশির ভাগ শহরে ও বড়-বড় গ্রামে দৈনিক যে-বাজার বসত সেখানে বিক্রি হতো কৃষিজাত দ্রব্য ও কারিগরি শিল্পকাজ। ওই আমলে এর চেয়ে আরও গুরত্বপূর্ণ ছিল গুজরাটের বৈদেশিক বাণিজ্য। সুরাট ছিল তখন ভারতের সর্ববৃহৎ বন্দর। এখান থেকে বাণিজ্য-জাহাজগুলি পণ্যদ্রব্যে বোঝাই হয়ে যাত্রা করত, তারা যেতRead More


কংস বা কংসবতী নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নদী

কংস নদী বা কংশ নদী বা কংসবতী নদী বা কংসাই নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১৩০ কিলোমিটার। কংস নদীর বোয়াল মাছ পৃথিবীবিখ্যাত। কংস নদীর গড় প্রস্থ ৯৫ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। নদীটির জারিয়া অঞ্চলে গভীরতা ১১.৫ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ১১২৬ বর্গ কি.মি.। জোয়ার-ভাটার প্রভাবমুক্ত নদীটিতে সাধারণত বর্ষায় বন্যা হয় না। কংস বা ইছামতির প্রবাহটিতে নকলা উপজেলার তারাকান্দিতে একটি রাবার ড্যাম স্থাপন করা হয়েছে। এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি রাবারডেম প্রকল্প যা সেই এলাকার মাছসহ প্রাণ-প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করছে। আমরা এইRead More