You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

দাগিবুক কাঠকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Picus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ১৫টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি চারটি হচ্ছে, ১. মেটেমাথা কাঠকুড়ালি, ২. ছোট হলদেকুড়ালি, ৩. বড় হলদেকুড়ালি  ৪. দাগিবুক কাঠকুড়ালি ও ৫. দাগিগলা কাঠকুড়ালি। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে দাগিবুক কাঠকুড়ালি। বর্ণনা: দাগিবুক কাঠকুড়ালি সরু সাদা ভ্রু-রেখা আঁকা মাঝারি

বড় হলদেকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Picus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ১৫টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি চারটি হচ্ছে, ১. মেটেমাথা কাঠকুড়ালি, ২. ছোট হলদেকুড়ালি, ৩. বড় হলদেকুড়ালি  ৪. দাগিবুক কাঠকুড়ালি ও ৫. দাগিগলা কাঠকুড়ালি। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বড় হলদেকুড়ালি। বর্ণনা: বড় হলদেকুড়ালি সুদর্শন ঘাড়-ঝুটি পড়া কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য

ছোট হলদেকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Picus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ১৫টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি চারটি হচ্ছে, ১. মেটেমাথা কাঠকুড়ালি, ২. ছোট হলদেকুড়ালি, ৩. বড় হলদেকুড়ালি  ৪. দাগিবুক কাঠকুড়ালি ও ৫. দাগিগলা কাঠকুড়ালি। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে ছোট হলদেকুড়ালি। বর্ণনা: ছোট হলদেকুড়ালি চোখে ও ঘাড়ে লাল রঙের

মেটেমাথা কাঠকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Picus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ১৫টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি চারটি হচ্ছে, ১. মেটেমাথা কাঠকুড়ালি, ২. ছোট হলদেকুড়ালি, ৩. বড় হলদেকুড়ালি  ৪. দাগিবুক কাঠকুড়ালি ও ৫. দাগিগলা কাঠকুড়ালি। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে মেটেমাথা কাঠকুড়ালি। বর্ণনা: মেটেমাথা কাঠকুড়ালি ছোট আকারের সবুজ কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য

খয়রা কাঠকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Micropternus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও ১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে; খয়রা কাঠকুড়ালি। বর্ণনা: খয়রা কাঠকুড়ালি লালচে বাদামি শরীরে কালো ডোরা পড়া কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য ২৫ সেমি, ওজন ১০৫ গ্রাম, ডানা ১২.৫ সেমি, ঠোঁট ২.৮ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির পিঠের স্পষ্ট কালো

হলদেচাঁদি কাঠকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Leiopicus গণে বাংলাদেশে এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ১টি মাত্র প্রজাতি। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে হলদেচাঁদি কাঠকুড়ালি। বর্ণনা: হলদেচাঁদি কাঠকুড়ালি সাদাকালো ছোপে ভরা ছোট কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য ১৮ সেমি, ওজন ৩৫ গ্রাম, ডানা ১০ সেমি, ঠোঁট ২.৪ সেমি, পা ১.৮ সেমি, লেজ ৬ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির কাঁধ-ঢাকনি ও ডানা-ঢাকনিতে

বাতাবি কাঠকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Dendrocopos গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২২টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি তিনটি হচ্ছে; ১. মেটেটুপি বাটকুড়ালি, ২. বাতাবি কাঠকুড়ালি ও ৩. হলদেচাঁদি কাঠকুড়ালি। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বাতাবি কাঠকুড়ালি। বর্ণনা: বাতাবি কাঠকুড়ালি কালো কাঁধ-ঢাকনি পড়া পাকরা কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য ১৯ সেমি, ওজন ৪৫ গ্রাম,

মেটেটুপি বাটকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Dendrocopos গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২২টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি তিনটি হচ্ছে; ১. মেটেটুপি বাটকুড়ালি, ২. বাতাবি কাঠকুড়ালি ও ৩. হলদেচাঁদি কাঠকুড়ালি। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে মেটেটুপি বাটকুড়ালি। বর্ণনা: মেটেটুপি বাটকুড়ালি বড় সাদা ভ্রু-রেখা আঁকা খুদে কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য ১৪ সেমি, ডানা ৮.৭

ধলাভ্রু কুটিকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Sasia গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে ধলাভ্রু কুটিকুড়ালি। বর্ণনা: ধলাভ্রু কুটিকুড়ালি কালো লেজ ও সাদা ভ্রু-রেখা আঁকা খুদে কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য ৯ সেমি, ওজন ১০ গ্রাম, ডানা ৫.৩ সেমি, ঠোঁট ১.৩ সেমি, পা ১.৫ সেমি,

তিলা কুটিকুড়ালি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Sasia গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২৭টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে তিলা কুটিকুড়ালি। বর্ণনা: তিলা কুটিকুড়ালি কুঁজো দেহের খুদে কাঠঠোকরা (দৈর্ঘ্য ১০ সেমি, ডানা ৬ সেমি, ঠোঁট ১.১ সেমি, পা ১.৩ সেমি, লেজ ৩.৩ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির পিঠ হলদে-সবুজ

Top