Main Menu

Wednesday, September 5th, 2018

 

রাজ ধনেশ বিশ্বে প্রায়-বিপদগ্রস্ত এবং বাংলাদেশের মহাবিপন্ন আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Buceros গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিটি হচ্ছে আমাদের আলোচ্য রাজ ধনেশ। বর্ণনা: রাজ ধনেশ অতিকায় ঠোঁট আর বিশালদেহী বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য১৩০ সেমি, ডানা ৫২.৫ সেমি, ঠোঁট ৩৫.২ সেমি, পা ৭.৪ সেমি, লেজ ৪০.৫ সেমি)।এর পিঠ ও দেহতল পাকরা; নিচের দিকে বাঁকা ঠোঁটের ওপর সোনালী-হলুদ ‘শিঙ’ এবংঘাড় ও বুকের উপরিভাগ হলদে-সাদা; ডানায় সাদা ডোরা রয়েছে; সাদা লেজেরপ্রায় প্রান্তেপ্রশস্ত কালো পট্টি আছে; ঠোঁট ও শিঙ হলুদ। ছেলে ওমেয়েপাখির চেহারায় কিছুটা পার্থক্য আছে। ছেলেপাখির ঠোঁটের সামনের অংশ ও খাঁজ কালো; চোখRead More


সংস্কৃতির স্বরূপ প্রসঙ্গে

সংস্কৃতি বা কৃষ্টি (ইংরেজি: Culture) হচ্ছে মানুষের সর্বপ্রকার বৈষয়িক এবং আত্মিক সৃজন ও সম্পদের ব্যাপক অর্থবহ শব্দ। অনেক সময় সাহিত্য, শিল্প, দর্শন, সামাজিক আচরণ ও নীতি—অর্থাৎ মানুষের ভাবগত সৃষ্টিকর্মকে কেবল সংস্কৃতি বলে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু মানুষের সৃষ্টির সম্পূর্ণ অর্থে আর্থিক ও কারিগরি সৃজন কর্ম এবং তার ফসল অর্থাৎ উৎপাদনের যন্ত্র, কলকারখানা এবং উৎপাদিত বৈষয়িক সম্পদ ও সৌধকেও একটা মানব সমাজের সংস্কৃতি হিসাবে গণ্য করা উচিত। পার্থক্য হিসাবে ভাবগত সৃষ্টিকে ‘আত্মিক সংস্কৃতি এবং দেহগত সৃষ্টিকে বৈষয়িক সংস্কৃতি বলে চিহ্নিত করা চলে। কিন্তু এরূপ পৃথকীকরণও কেবলমাত্র আপেক্ষিকভাবে স্বীকার্য। আত্মিক ও বৈষয়িকRead More


উদয়ী পাকরাধনেশ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিপন্ন আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Anthracoceros গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ৫টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এবং আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে উদয়ী পাকরাধনেশ। বর্ণনা: উদয়ী পাকরাধনেশ বা উদয়ী পাকড়া ধনেশ হচ্ছে বড় সাদাকালো দেহ আর হলদে ঠোঁটের পাখি (দৈর্ঘ্য ৯০ সেমি, ডানা ২৯.৫ সেমি, ঠোঁট ১২.৫ সেমি, পা ৬.২ সেমি, লেজ ৩০ সেমি)। ছেলেপাখির চেহারা ও আকার মেয়ে থেকে অনেকটা আলাদা। ছেলেপাখির পিঠ মসৃণ ও চকচকে কালো, গলার পট্টি ফ্যাকাসে নীল এবং লেজ কালো; ডানার প্রান্ত-পালক ও লেজের আগা সাদা; দেহতল সাদা; কালো আগাসহ ঠোঁট ও ‘শিঙ’ হলুদ;Read More


বড় বসন্ত বৌরী বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Psilopogon গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. নীলগলা বসন্ত, ২. নীলকান বসন্ত, ৩. সেকরা বসন্ত, ৪. দাগি বসন্ত ও ৫. বড় বসন্ত। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বড় বসন্ত। বর্ণনা: বড় বসন্ত বা বড় বসন্তবৌরী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বসন্ত পাখি (দৈর্ঘ্য ৩৩ সেমি, ওজন ২৪০ গ্রাম, ডানা ১৫ সেমি, ঠোঁট ৪.৫ সেমি, পা ২.৩ সেমি, লেজ ১০.৫ সেমি)। এর পুরো মাথা ও গলা কালচে বেগুনি-নীল; পিঠ ও বুকের উপরিভাগ মেরুন-বাদামি এবং ডানা ও লেজ সবুজ; জলপাই ডোরা সমেতRead More


দাগি বসন্ত বৌরী বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Megalaima গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. নীলগলা বসন্ত, ২. নীলকান বসন্ত, ৩. সেকরা বসন্ত, ৪. দাগি বসন্ত ও ৫. বড় বসন্ত। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে দাগি বসন্ত। বর্ণনা: দাগি বসন্ত বা দাগি বসন্তবৌরী সবুজ রঙের মাঝারি আকারের বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য ২৮ সেমি, ওজন ১৫৫ গ্রাম, ডানা ১৩ সেমি, ঠোঁট ৩.২ সেমি, পা ৩ সেমি, লেজ ১৮.৫ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির দেহের পুরোটাই ঘাস-সবুজ; মাথা ও বুকের পালকে ফ্যাকাসে ডোরা রয়েছে; মাথা ও কাঁধ-ঢাকনিতে পীতাভ সাদাটে ডোরা;Read More


সেকরা বসন্ত বৌরী বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Megalaima গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. নীলগলা বসন্ত, ২. নীলকান বসন্ত, ৩. সেকরা বসন্ত, ৪. দাগি বসন্ত ও ৫. বড় বসন্ত। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে সেকরা বসন্ত। বর্ণনা: সেকরা বসন্ত সবুজ রঙের খুদে বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য ১৭ সেমি, ওজন ৪০ গ্রাম, ডানা ৮ সেমি, ঠোঁট ১.৮ সেমি, পা ২ সেমি, লেজ ৩.৫ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির গাঢ় লাল কপালসহ পিঠ ঘাস-সবুজ; গাঢ় লাল ও কালো বুকের পট্টিসহ গলা হলুদ; সবুজ ডোরাসহ দেহতলের অবশেষ ফ্যাকাসে; কালো লাইনRead More


নীলকান বসন্ত বৌরী বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Megalaima গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. নীলগলা বসন্ত, ২. নীলকান বসন্ত, ৩. সেকরা বসন্ত, ৪. দাগি বসন্ত ও ৫. বড় বসন্ত। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে নীলকান বসন্ত। বর্ণনা: নীলকান বসন্ত বা নীলকান বসন্ত বৌরী ছোট আকারের সবুজ বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য ১৭ সেমি., ওজন ৩৫ গ্রাম, ডানা ৮ সেমি, ঠোঁট ২ সেমি, পা ২.১ সেমি, লেজ ৪.৭ সেমি)। অতি সামান্য কিছু অংশ ছাড়া প্রায় পুরো দেহই এর ঘাস-সবুজ; মাথার দু’পাশে পিছনে ও চোখের নিচে লাল পট্টিRead More


নীলগলা বসন্ত বৌরী বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Megalaima গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৫টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. নীলগলা বসন্ত, ২. নীলকান বসন্ত, ৩. সেকরা বসন্ত, ৪. দাগি বসন্ত ও ৫. বড় বসন্ত। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে নীলগলা বসন্ত। বর্ণনা: নীলগলা বসন্ত বা নীলগলা বসন্তবৌরী বা বড় বসন্ত বাউরি, বড় বসন্ত বাওড়ী বা ধনিয়া পাখি হচ্ছে পুরোপুরি সবুজ রঙের বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য ২৩ সেমি, ওজন ৮০ গ্রাম, ডানা ১০.৫ সেমি, ঠোঁট ২.৮ সেমি, পা ২.৮ সেমি, লেজ ৬.৫ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির সামান্য কিছু পালক ছাড়া দেহের পুরোটাই ঘাসসবুজ বর্ণের;Read More