Main Menu

Thursday, September 6th, 2018

 

বাংলা নীলকণ্ঠ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Coracias গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিটি হচ্ছে আমাদের আলোচ্য বাংলা নীলকণ্ঠ। বর্ণনা: বাংলা নীলকণ্ঠ বা বাংলা নীলকান্ত বা দেশি নীলকণ্ঠ হচ্ছে বাদামি বুক ও নীল ডানার পাখি (দৈর্ঘ্য ৩১ সেমি, ওজন ১৬৫ গ্রাম, ডানা ১৯ সেমি, ঠোঁট ৩.৫ সেমি, পা ২.৭ সেমি, লেজ ১৩ সেমি)। বসে থাকা অবস্থায় এর পিঠ লালচে বাদামি; ওড়ে গেলে ডানার নীল রঙ দেখা যায়; ডানায় পর্যায়ক্রমে ফ্যাকাসে নীল ও কালচে নীল পালক রয়েছে; গলাবন্ধ, ঘাড়ের পিছনের ভাগ, গলা ও বুক লালচে-বাদামি; কাঁধ-ঢাকনি ওRead More


বাস্তুসংস্থানবিদ্যা– অরুণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

বাস্তুসংস্থানবিদ্যা বা ইকোলজি (ইংরেজি: Ecology) শব্দটি আজ বহুল ব্যবহারে আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার নিকটপথে এসে মিলছে। এখানে ওখানে, শ্রবণে দর্শনে ইকোলজি আলোচনা, পরিবেশ চর্চায় ক্রমশই অপরিহার্য হয়ে চলেছে। হবারই কথা। কারণ এই শব্দটিই তো আমাদের ভবিষ্যৎ পরিবেশমুখী জীবন গঠনে অপরিহার্য আশার ধ্রুবতারা। শব্দব্রহ্মটির শক্তি অনেকখানি, তার থেকেও বেশি তার আশা আকাঙ্ক্ষার আকাশটি । আকাশই বটে, কারণ এই বসুন্ধরার যত অবয়বী জীবন্ত প্রাণ রয়েছে, তাদের স্বাভাবিক আবাস কথা-ই ইকোলজি’র মূলকথা। কত বিস্তৃত এবং প্রত্যক্ষ পরিসর, কী তার ব্যাপ্তি—শব্দটির মধ্যেই জড়িয়ে আছে যেন আমাদের সব হতে আপন জীবনবাণী । ইকোলজি শব্দটি এসেছেRead More


ছবিতে বাংলাদেশ — ঋত্বিক ঘটক

একটা বিরাট জোচ্চুরির ফলে বাংলাদেশ কেটে দু’ভাগ হয়েছে। এবং কর্তাব্যক্তিরা চেষ্টাচরিত্তির করে দুই ভাগ বাংলার মধ্যে যোগাযোগটা কেটে দিয়েছেন। কিন্তু বাংলা বাঙালির, ছবি যদি করতে হয় তা হলে পুরো বাংলাদেশকে ভুললে চলবে না। এই কথাটা আমি আগেও নানাভাবে প্রকাশ করতে চেষ্টা করেছি, জানি না কতখানি কৃতার্থ হয়েছি। কথাগুলো মনে পড়ল। কারণ, আমার একটা পূর্ববাংলায় যাবার সামান্য অবকাশ সৃষ্টি হয়েছে এবং সেটা সম্পূর্ণ ছবি করারই জন্য। ১৯৬০-৬১ সালে আমার একটা অবকাশ এসেছিল, আমি জসীমউদ্দিনের নকশী কাঁথার মাঠ করব বলে ঠিক করেছিলাম। সঙ্গে আমার ছিলেন উদয়শঙ্কর। বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে আমাকে সেটা করতেRead More


লালমাথা কুচকুচি বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশে বিপন্ন আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Harpactes গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিটি হচ্ছে আমাদের আলোচ্য লালমাথা কুচকুচি। বর্ণনা: লালমাথা কুচকুচি বা লালমাথা কুচকুচিয়া হচ্ছে আগুনরঙ পাখি (দৈর্ঘ্য ৩৫ সেমি, ওজন ৭৫ গ্রাম, ডানা ১৪.৫ সেমি, ঠোঁট ২.২ সেমি, পা ১.৯ সেমি, লেজ ১৯.২ সেমি)। ছেলে ও মেয়েপাখির চেহারায় পার্থক্য রয়েছে। ছেলেপাখির মাথা,ঘাড় ও বুক গাঢ় লাল; পিঠ মরচে বাদামি ও দেহতল পাটল বর্ণের; বুকের বড় সাদা ফেটা; ডানার পালক-ঢাকনি ধূসর ও সূক্ষ্ম কালো দাগে ভরা; লেজ লম্বা, ক্রমান্বয়ে ছোট থেকে বড় পালকে গড়া। মেয়েপাখিরRead More


পাতি হুদহুদ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Upupa গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ২টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিটি হচ্ছে আমাদের আলোচ্য পাতি হুদহুদ। বর্ণনা: পাতি হুদহুদ বা মোহনচূড়া মাথায় মুকুট পড়া ডোরাকাটা পাখি (দৈর্ঘ্য ৩১ সেমি, ওজন ৬৫ গ্রাম, ডানা ১৪.৩ সেমি, ঠোঁট ৪.৭ সেমি, পা ২.৩ সেমি, লেজ ১০ সেমি)। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির মুখ গলা ও বুক কমলা-পীতাভ বা লালচে-কমলা; ডানায় কালো ও সাদা জেব্রা প্যাটার্ন; মাথায় কাকাতুয়ার মত বিশাল ঝুটি, ঝুটির রঙ কমলা, ডগা কালো, ঝুটি গুটালে মাথার পিছনে ভাঁজ হয়ে পড়ে থাকে; লেজের বর্ণবিন্যাস কালো ও সাদা। এরRead More


দর্শনের স্বরূপ প্রসঙ্গে

দর্শন (ইংরেজি: Philosophy) হচ্ছে জগৎ, জীবন, মানুষের সমাজ, তার চেতনা ও জ্ঞানের প্রক্রিয়া প্রভৃতির মৌলিক বিধানসমূহের আলোচনা।[১] জগৎ বিখ্যাত গ্রিক ভাববাদী দার্শনিক প্লেটো বলেছেন, “বিস্ময় থেকে দর্শনের উৎপত্তি।”[২] মানুষের সামাজিক চেতনার বিকাশের একটা পর্যায়েই মাত্র মানুষের পক্ষে বিশ্লেষণী দৃষ্টি নিয়ে জগত এবং জীবন সম্পর্কে চিন্তা করা সম্ভব হয়েছে। মানুষ তার নিজের উদ্ভব মুহূর্ত থেকেই চিন্তার এরূপ ক্ষমতা দেখাতে সক্ষম ছিল না। মানুষের চেতনার বিকাশের একটা স্তরে মানুষ তার পরিবেশ সম্পর্কে চিন্তা করতে আরম্ভ করে। নিজের জীবনকে অধিকতর নিশ্চিত করে রক্ষা করার প্রয়োজনে মানুষ প্রকৃতিজগতের রহস্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করে।Read More


পাতাঠুঁটি ধনেশ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অনিয়মিত পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Rhyticeros গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ৫টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিটি হচ্ছে আমাদের আলোচ্য পাতাঠুঁটি ধনেশ। বর্ণনা: পাতাঠুঁটি ধনেশ গলায় হলদে থলে লাগানো বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য ৮০ সেমি, ডানা ৪৮ সেমি, ঠোঁট ১৯.৫ সেমি, পা ৬.৫ সেমি, লেজ ১৪ সেমি)। ছেলে ও মেয়েপাখির চেহারায় কিছু পার্থক্য আছে। ছেলেপাখির মাথার চাঁদি ও ঘাড় লালচে; মাথার পাশ সাদাটে; ঘাড়ের উপরিভাগ পীতাভ-সাদা ও পালকহীন উজ্জ্বল হলুদ ঠোঁটের নিচের থলেতে আড়াআড়ি কালো ফেটা রয়েছে; সাদা লেজ ছাড়া দেহের বাকি অংশ চকচকে কালো; চোখ রক্তলাল ও চোখের পাশেরRead More


দেশি মেটেধনেশ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিলুপ্ত আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Ocyceros গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এবং আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে দেশি মেটেধনেশ। বর্ণনা: দেশি মেটেধনেশ বা পুটিয়াল ধনেশ হচ্ছে ধূসর রঙের বৃক্ষচারী পাখি (দৈর্ঘ্য ৬১ সেমি, ডানা ২১.২ সেমি, ঠোঁট ৪.৭ সেমি, পা ৪.৪ সেমি, লেজ ২৬.৫ সেমি)। ছেলেপাখির পিঠ ফ্যাকাসে বালুকাময় বাদামি-ধূসর ও দেহতল কালচে ধূসর; প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পালকের আগা সাদা; লম্বা সাদা-ও-কালো বর্ণবিন্যাসের লেজটি ক্রমান্বয়ে সজ্জিত; ভ্রু প্রশস্ত সাদা ও কান-ঢাকনি কালচে ধূসর। এর লম্বা বাঁকা ঠোঁটের ওপর সরু ও সুচালো ‘শিঙ’ রয়েছে; ঠোঁটেরRead More