Main Menu

Monday, September 10th, 2018

 

করুণ পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cacomantis গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. করুণ পাপিয়া, ২. মেটেপেট পাপিয়া ও ৩. দাগি তামাপাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে করুণ পাপিয়া। বর্ণনা: করুণ পাপিয়া ধূসর পিঠের কমলা বুকের পাখি (দৈর্ঘ্য ২৩ সেমি., ডানা ১১ সেমি., ঠোঁট ১.৬ সেমি., পা ১.৭ সেমি., লেজ ১২ সেমি.)। ছেলেপাখির পিঠ ধূসর ও দেহতল কমলা রঙের। মাথা, ঘাড়ের পাশ, থুতনি ও গলা ছাই-ধূসর দেখায়। বুকের উপরিভাগ কমলা-ধূসর এবং বুকের তল, বগল, পেট ও অবসারণী কমলা। ধূসর-কালো লেজের আগা সাদাRead More


উদয়ী পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অনিয়মিত পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cuculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৪টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. পাতি পাপিয়া, ২. বউকথাকও পাপিয়া, ৩. ছোট পাপিয়া এবং ৪. উদয়ী পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে উদয়ী পাপিয়া। বর্ণনা: উদয়ী পাপিয়া বা হিমালয়ী কোকিল হচ্ছে শ্লেট-ধূসর পাখি, তবে কয়েকটি মেয়েপাখি বাদামি রঙের হয় (দৈর্ঘ্য ৩১ সেমি., ওজন ৯০ গ্রাম, ডানা ১৮ সেমি., ঠোঁট ২.৮ সেমি., পা ২.৩ সেমি., লেজ ১৫ সেমি.)। ছেলেপাখির পিঠ ধূসর। গলা ও বুকের উপরিভাগ ধূসর এবং পীতাভ-সাদা দেহতলে কালো ডোরা থাকে। কালচে ধূসর লেজেরRead More


ছোট পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অনিয়মিত পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cuculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৪টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. পাতি পাপিয়া, ২. বউকথাকও পাপিয়া, ৩. ছোট পাপিয়া এবং ৪. উদয়ী পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে ছোট পাপিয়া। বর্ণনা: ছোট পাপিয়া স্লেট-ধূসর রঙের পাখি, তবে কিছু মেয়েপাখি লালচে হয় (দৈর্ঘ্য ২৫ সেমি., ওজন ৫০ গ্রাম, ডানা ১৫ সেমি., ঠোঁট ২.৫ সেমি., পা ১.৮ সেমি., লেজ ১৩ সেমি.)। ছেলেপাখির পিঠ স্লেট-ধূসর। থুতনি, গলা ও বুক ফ্যাকাসে ছাই রঙের এবং পেটে সাদার ওপর প্রশস্ত কালো ডোরা রয়েছে। অনুক্রমিক পালকে সজ্জিতRead More


বউকথাকও পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cuculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৪টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. পাতি পাপিয়া, ২. বউকথাকও পাপিয়া, ৩. ছোট পাপিয়া এবং ৪. উদয়ী পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বউকথাকও পাপিয়া। বর্ণনা: বউকথাকও পাপিয়া ডোরা বুকের ধূসর রঙের পাখি (দৈর্ঘ্য ৩৩ সেমি., ওজন ১৩০ গ্রাম, ডানা ২০ সেমি., ঠোঁট ৩ সেমি., পা ২ সেমি., লেজ ১৫ সেমি.)। ডানায় বাদামি প্রান্তভাগসহ পিঠ ছাই-ধূসর রঙের। ছেলেপাখির থুতনি, গলা ও বুকের উপরিভাগ ছাই-বাদামি। সাদা বুকের তল থেকে লেজের নিচের কোর্ভাটের ওপর প্রশস্ত কালো ডোরাRead More


পাতি পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Cuculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৪টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. পাতি পাপিয়া, ২. বউকথাকও পাপিয়া, ৩. ছোট পাপিয়া এবং ৪. উদয়ী পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে পাতি পাপিয়া। বর্ণনা: পাতি পাপিয়া বা সাধারণ কোকিল হচ্ছে ধূসর রঙের পাখি (দৈর্ঘ্য ৩৩ সেমি., ওজন ৯০ গ্রাম, ডানা ২২ সেমি., ঠোঁট ২.৮ সেমি., পা ২.৩ সেমি., লেজ ১৬ সেমি.)। ছেলে ও মেয়েপাখির চেহারায় পার্থক্য রয়েছে। ছেলেপাখির পিঠ ধূসর ও দেহতল সাদা। থুতনি, গলা ও বুক ফ্যাকাসে ছাইরঙের। সাদা পেট, বগল, অবসারণী ওRead More


পাতি চোখগ্যালো বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Hierococcyx গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. হজসনি চোখগ্যালো, ২. বড় চোখগ্যালো, ও ৩. পাতি চোখগ্যালো। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে পাতি চোখগ্যালো। বর্ণনা: পাতি চোখগ্যালো লম্বা ডোরা ওয়ালা লেজের মসৃণ ধূসর পাখি (দৈর্ঘ্য ৩৪ সেমি., ওজন ১০০ গ্রাম, ডানা ২০ সেমি., ঠোঁট ২.৮ সেমি., পা ২.৩ সেমি., লেজ ১৭ সেমি.)। পিঠ ধূসর ও দেহতল লালচে-সাদা। গলা সাদা ও বুক লালচে এবং সাদা পেট ও বগলে আবছা বাদামি ডোরা রয়েছে। ডানার নিচের কোর্ভাটে লালচে আমেজ ওRead More


বড় চোখগ্যালো বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Hierococcyx গণে বাংলাদেশে রয়েছ এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. হজসনি চোখগ্যালো, ২. বড় চোখগ্যালো, ও ৩. পাতি চোখগ্যালো। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বড় চোখগ্যালো। বর্ণনা: বড় চোখগ্যালো বা বড় বাজ কোকিল হচ্ছে দীর্ঘ ডোরা ওয়ালা লেজের ছাই-বাদামি পাখি (দৈর্ঘ্য ৩৮ সেমি., ওজন ১২৫ গ্রাম, ডানা ২২ সেমি., ঠোঁট ৩ সেমি., পা ২.৬ সেমি., লেজ ২০ সেমি.)। পিঠ ছাই-বাদামি ও দেহতল সাদাটে। ফ্যাকাসে বুকে লালচে-বাদামি ডোরা রয়েছে। বুকের তল, বগল, পেট ও লেজের নিচের কোর্ভাটে লালচে থেকে কালচেRead More


হজসনি চোখগ্যালো বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের অনিয়মিত পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Hierococcyx গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৮টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. হজসনি চোখগ্যালো, ২. বড় চোখগ্যালো, ও ৩. পাতি চোখগ্যালো। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে হজসনি চোখগ্যালো। বর্ণনা: হজসনি চোখগ্যালো ফেটাওয়ালা লেজের ধূসর পাখি (দৈর্ঘ্য ২৯ সেমি., ডানা ১৮ সেমি., ঠোঁট ২ সেমি., পা ২.৪ সেমি., লেজ ১৪ সেমি.)। পিঠ স্লেট-ধূসর ও দেহতল লালচে। ফিকে বুকে ও পেটে লালচে ডোরা রয়েছে। রান, অবসারণী ও লেজের নিচের কোর্ভাটের পালক সাদা। লেজে ধূসর ও কালো পট্টি একটার পর একটা সজ্জিত এবং লেজেরRead More