আপনি যা পড়ছেন

বাংলাদেশের পাখির একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা

পাখির এলাকাকে পাখি বিশেষজ্ঞগণ যে ছয়টি ভাগে ভাগ করেছেন, সেটি স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে গবেষকগণ গ্রহণ করেছেন। ভারতীয় উপমহাদেশ প্রাচ্য এলাকার অন্তর্গত। এই প্রাচ্য অঞ্চল আবার দুভাগে বিভক্ত: চীন-হিমালয়ান এবং ইন্দো-মালয়ান। বাংলাদেশ এই দুই উপবিভাগের মাঝখানে অবস্থিত। যমুনা নদী হচ্ছে এই দুই ভাগের সীমানারেখা।   যদিও বাংলাদেশ এই

কালাটুপি মাছরাঙা বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Halcyon গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ৩টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে ১১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি তিনটি হচ্ছে ১. লাল মাছরাঙা, ২. কালাটুপি মাছরাঙা ও ৩. ধলাগলা মাছরাঙা। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে কালাটুপি মাছরাঙা। বর্ণনা: কালাটুপি মাছরাঙা বেগুনি পিঠের কালো টুপি ওয়ালা জলার পাখি (দৈর্ঘ্য ৩০ সেমি, ডানা

বাসন্তী লটকনটিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Loriculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ১২টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এবং আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বাসন্তী লটকনটিয়া। বর্ণনা: বাসন্তী লটকনটিয়া লাল ঠোঁট ও সবুজ দেহের ছোট্ট গোলগাল টিয়া (দৈর্ঘ্য ১৪ সেমি, ডানা ৯.৬ সেমি, ঠোঁট ১.৩ সেমি, পা ১.১ সেমি, লেজ ৪.৩সেমি)।

বড় কুবো বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Centropus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ২৬টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. বাংলা কুবো এবং ২. বড় কুবো। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বড় কুবো। বর্ণনা: বড় কুবো বড় কালো পর্যায়ক্রমিক বিন্যস্ত পালকে লেজওয়ালা কাকের মত পাখি (দৈর্ঘ্য ৪২ সেমি., ওজন

বাংলা কুবো বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Centropus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ২৬টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. বাংলা কুবো এবং ২. বড় কুবো। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বাংলা কুবো। বর্ণনা: বাংলা কুবো পর্যায়ক্রমে পালকসজ্জিত লম্বা লেজওয়ালা কাকের মত পাখি (দৈর্ঘ্য ৩৩ সেমি., ওজন ১২০ গ্রাম,

সবুজঠোঁট মালকোআ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Phaenocophaeus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ৬টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. মেটে মালকোআ এবং ২. সবুজঠোঁট মালকোআ। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে সবুজঠোঁট মালকোআ। বর্ণনা: সবুজঠোঁট মালকোআ দীর্ঘ লেজ ওয়ালা সবুজ পাখি (দৈর্ঘ্য ৫১ সেমি., ওজন ১১৫ গ্রাম, ডানা ১৭

মেটে মালকোআ বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিলুপ্ত পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Phaenocophaeus গণে বাংলাদেশে রয়েছে ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ৬টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. মেটে মালকোআ এবং ২. সবুজঠোঁট মালকোআ। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে মেটে মালকোআ। বর্ণনা: মেটে মালকোআ দীর্ঘ লেজওয়ালা বাদামি পাখি (দৈর্ঘ্য ৪২ সেমি., ডানা ১৬ সেমি., ঠোঁট ৩.৩ সেমি.,

এশীয় কোকিল বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Eudynamys গণে বাংলাদেশে এবং পৃথিবীতে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি। বাংলাদেশে এবং পৃথিবীতে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে এশীয় কোকিল। বর্ণনা: এশীয় কোকিল পার্থক্যসূচক লাল চোখের লম্বা লেজ ওয়ালা কালচে পাখি (দৈর্ঘ্য ৪৩ সেমি., ওজন ১৭০ গ্রাম, ডানা ২২ সেমি., ঠোঁট ৩.৩ সেমি., পা ৩.৫ সেমি.,

বর্গ-লেজি ফিঙেপাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের সুলভ পরিযায়ী পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Surniculus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ১টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ৪টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত ও আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বর্গ-লেজি ফিঙেপাপিয়া। বর্ণনা: বর্গ-লেজি ফিঙেপাপিয়া ডোরা অবসারণীওয়ালা কালো পাখি (দৈর্ঘ্য ২৫ সেমি., ডানা ১৪ সেমি., ঠোঁট ২.৫ সেমি., পা ২ সেমি., লেজ ১৪ সেমি.)। ব্রঞ্জ ফিঙে Dicrurus aeneus-র

বেগুনি পাপিয়া বিশ্বে বিপদমুক্ত এবং বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি

ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকায় Chrysococcyx গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর ২টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতে রয়েছে ১৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতিগুলো হচ্ছে ১. এশীয় শ্যামাপাপিয়া ও ২. বেগুনি পাপিয়া। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে বেগুনি পাপিয়া। বর্ণনা: বেগুনি পাপিয়া ছোট অরণ্য পাখি, ছেলেপাখি বেগুনি ও মেয়েটি ব্রঞ্জ রঙের হয় (দৈর্ঘ্য ১৭ সেমি., ডানা

Top