Main Menu

Thursday, September 20th, 2018

 

এভারোয়া হচ্ছে অক্সালিডাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদ গণের নাম

ভূমিকা: এভারোয়া হচ্ছে অক্সালিডাসি পরিবারের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ গণের নাম। এই গণের প্রজাতিগুলো বৃক্ষ প্রকৃতির হয়ে থাকে। কামরাঙা এবং বিলিম্বি হচ্ছে বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই গণের দুটো প্রজাতি। বিবরণ: এই গণের প্রজাতি ছোট থেকে মাঝারি আকারের বৃক্ষ হয়। পাতা একান্তর, প্রায় অবৃন্তক, প্রায় প্রতিমুখ থেকে একান্তর কতকগুলি পত্রক এবং একটি বৃহদাকৃতির অখন্ড প্রান্তীয় পত্রকবিশিষ্ট। প্যানি কাক্ষিক বা প্রধান কান্ড থেকে বের হয়। পুষ্প বৃন্তক, অসম গর্ভদন্ডবিশিষ্ট। ডিস্ক বর্তমান। পুংকেশরগুলো পাদদেশের কাছাকাছি যুক্ত। ফল দীর্ঘায়ত, রসালো। বীজ উপবৃত্তীয়-দীর্ঘায়ত। তথ্যসূত্র: ১.  এম. এ হাসান  (আগস্ট ২০১০)। “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস”  আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মোRead More


বিলিম্বি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফলদ বৃক্ষ

ভূমিকা: বিলিম্বি বা বিলুম্বি (বৈজ্ঞানিক নাম: Averrhoa bilimbi, ইংরেজি নাম: Bilimbi, Cucumber Tree) হচ্ছে অক্সালিডাসি পরিবারের এভারোয়া গণের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ।   বর্ণনা: বিলুম্বি ছোট আকারের বৃক্ষ। ৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু। পাতা পক্ষল যৌগিক, সচূড় পক্ষল, একান্তর, পত্রাক্ষ রোমশ, পত্রক ৭ থেকে ১৯ যুগল, প্রায় প্রতিমুখ, ১.২-৮.০ x ২.০ সেমি, দীর্ঘায়ত বা রৈখিকাকার-ভল্লাকার, দীর্ঘাগ্র, অখন্ড, নিম্নপৃষ্ঠ । রোমশ। পুষ্প ১.৫-২.০ সেমি লম্বা, অসম গর্ভভাবস্থা। বৃত্যংশ ৫টি, ০.৫-০.৬ সেমি লম্বা, পাদদেশে যুক্ত, অসমান, উপবৃত্তাকার থেকে ভল্লাকার বা চমসাকার, তীক্ষায় থেকে স্থুলাগ্র, স্থায়ী, হলুদাভ লাল থেকে বেগুনি, বাইরের পৃষ্ঠ বিক্ষিপ্তভাবে চেপ্টা অণুরোমাবৃত,Read More


অক্সালিডাসি হচ্ছে সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি পরিবারের নাম

ভূমিকা: অক্সালিডাসি (ইংরেজি: Oxalidaceae) হচ্ছে  সপুষ্পক উদ্ভিদের পরিবারের নাম। এই পরিবারটি Oxalidales বর্গের অন্তর্ভুক্ত। এই পরিবারের ৫টি গণে বৃক্ষ, গুল্ম ও বিরুত জাতীয় উদ্ভিদ রয়েছে। সবচেয়ে বড় গণ অক্সালিসে মোট পাঁচটি গণে প্রায় ৫৭০টি প্রজাতি  রয়েছে। কামরাঙা এই পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি। বিবরণ: অক্সালিডাসি পরিবারের প্রজাতিগুলো বীরুৎ, গুল্ম অথবা ছোট আকারের বৃক্ষ, সচরাচর দ্রবণীয় এবং দানাদার উভয় প্রকার অক্সালেট সঞ্চয়কারী। পাতা পাদদেশীয় অথবা কান্ডজ, একান্তর, সচরাচর করতল বা পক্ষল যৌগিক। পত্ররন্ধ্র প্যারাসাইটিক। পুষ্পমঞ্জরী কাক্ষিক যৌগিক মঞ্জরী বা ছত্রমঞ্জরী সদৃশ। পুষ্প নিয়ত, গর্ভপাদী, উভলিঙ্গ, ৫-গুণিতক, অধিকাংশই ত্রিরুপী অসম গর্ভদভাবস্থা প্রদর্শন করে। বৃত্যংশRead More


শ্বেত তুলসি আফ্রিকা ও এশিয়ার ঔষধি বিরুৎ

ভূমিকা:  শ্বেত তুলসি (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum suave) লামিয়াসি পরিবারের ওসিমাম গণের বিরুৎ।  বাংলাদেশে যে পাঁচ প্রজাতির তুলসি পাওয়া যায় এটি তার মধ্যে একটি। অন্যান্য তুলসিগুলি হচ্ছে বন তুলসি, বাবুই তুলসি, কালো তুলসি এবং রাম তুলসি। সবগুলো তুলসিই ভেষজগুণে অনন্য এবং একটির পরিবর্তে অন্যটি ভেষজ কাজে লাগানো যায়।  তুলসির সাবেক বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ ছিলো পবিত্র স্থান।[১] তুলসির উপকারিতা সম্পর্কে পড়ুন মহা উপকারি তুলসি গাছের ঔষধি গুণাগুণ বর্ণনা: শ্বেত তুলসি বর্ষজীবী বীরুৎ, প্রায় ৬০ সেমি লম্বা। কাণ্ড রোমশ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে খাজের উপর। পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ২.৫-৩.৫ সেমি লম্বা, বাদামি রোমশ, পত্রফলক ৫-৮Read More


বন তুলসি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের ঔষধি বিরুৎ

ভূমিকা:  বন তুলসি বা বনবর্বরিকা (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum americanum, ইংরেজি: Rosary Ocimum.) লামিয়াসি পরিবারের ওসিমাম গণের বিরুৎ।  বাংলাদেশে যে পাঁচ প্রজাতির তুলসি পাওয়া যায় এটি তার মধ্যে একটি। অন্যান্য তুলসিগুলি হচ্ছে রাম তুলসি, বাবুই তুলসি, কালো তুলসি এবং শ্বেত তুলসি। সবগুলো তুলসিই ভেষজগুণে অনন্য এবং একটির পরিবর্তে অন্যটি ভেষজ কাজে লাগানো যায়।  তুলসির সাবেক বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ ছিলো পবিত্র স্থান।[১] বর্ণনা: বন তুলসি খাড়া, শক্ত, সুগন্ধিযুক্ত বর্ষজীবী বীরুৎ, ৪০ সেমি পর্যন্ত লম্বা। কাণ্ড সরল হতে অনেক শাখান্বিত, তরুণ অংশ অণু রোমশ থেকে রোমশ। পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ০.২-১.৫ সেমি লম্বা, সরু,Read More


রাম তুলসি উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের ঔষধি বিরুৎ

ভূমিকা:  রাম তুলসি (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum gratissimum, ইংরেজি: Shrubby Basil) লামিয়াসি পরিবারের ওসিমাম গণের বিরুৎ।  বাংলাদেশে যে পাঁচ প্রজাতির তুলসি পাওয়া যায় এটি তার মধ্যে একটি। অন্যান্য তুলসিগুলি হচ্ছে বন তুলসি, বাবুই তুলসি, কালো তুলসি এবং শ্বেত তুলসি। সবগুলো তুলসিই ভেষজগুণে অনন্য এবং একটির পরিবর্তে অন্যটি ভেষজ কাজে লাগানো যায়।  তুলসির সাবেক বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ ছিলো পবিত্র স্থান।[১] বর্ণনা: রাম তুলসি একটি গুল্ম, ২ মিটার পর্যন্ত উঁচু, তরুণ অংশে রোমশ। পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ৪-৫ সেমি লম্বা, পৃষ্ঠীয় খাঁজে সূক্ষ্মভাবে রোমশ, পত্রফলক ৬-৯ x ৪-৬ সেমি, ডিম্বাকার, সূক্ষ্মাগ্র, অমসৃণভাবে সভঙ্গ-করাত দপ্তর,Read More


বাবুই তুলসি দক্ষিণ এশিয়ার ঔষধি বিরুৎ

ভূমিকা:  বাবুই তুলসি বা দুলাল তুলসি (বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum basilicum,ইংরেজি: Common Basil)  লামিয়াসি পরিবারের ওসিমাম গণের বিরুৎ। বাংলাদেশে যে পাঁচ প্রজাতির তুলসি পাওয়া যায় এটি তার মধ্যে একটি। অন্যান্য তুলসিগুলি হচ্ছে বন তুলসি, রাম তুলসি, কালো তুলসি এবং শ্বেত তুলসি। সবগুলো তুলসিই ভেষজগুণে অনন্য এবং একটির পরিবর্তে অন্যটি ভেষজ কাজে লাগানো যায়।  তুলসির সাবেক বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ ছিলো পবিত্র স্থান।[১] বর্ণনা: বাবুই তুলসি হচ্ছে বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ, ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু, প্রায় মসৃণ, তরুণ অংশ খর রোমাবৃত। কাণ্ড চতুষ্কোণাকার, আঁজযুক্ত। এদের পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত ১-২ সেমি লম্বা, সূক্ষ্মভাবে রোমশ, উপরেরRead More