Main Menu

Saturday, October 6th, 2018

 

তুমি শোনাও সভ্যতার ডাক

আমি একদিন বিকেলে হাঁটতে বেরিয়ে দেখেছি গাড়ি চালাতে চালাতে কেউ মাথা ঘুরিয়ে তাকিয়েছে পাশের অষ্টাদশির দিকে, কেউবা দেখেছে চোখ টেরিয়ে পশ্চাতে সম্মুখে, দৃশ্যেরা আমার কাছে সুপার ইম্পোজ করা ছবির মতো মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে পরস্পরঃ ভালোবেসে দুজনের হাত ধরে পাশাপাশি নিরন্তর হাঁটাহাঁটি—সত্যি কি তাই? এ-পৃথিবীর নিবিড় সত্য ভালোবাসা বলে কিছু নাই। আমরা কেউ কেউ তদুপরি নিয়মিত ভালোবাসার চত্বরে যাই, চা খাই, কিছুক্ষণ গল্পের চিকন কোমর ধরে দাঁড়িয়ে থাকি কেউবা কবিতা ও দুছত্র গান হাওয়ায় লিখে রেখে মধ্যরাতে রাত্রির কড়া নেড়ে ঘরে ফিরি, বুকে দীর্ঘশ্বাসের এক চিলতে জমি ঠান্ডায় অসাড়;Read More


পিতা-পুত্র

তীব্র অবজ্ঞা, উদাসীনতা ও রূঢ়তায় দগ্ধ এক নিমোর্হ অনভিক্ত অসংযত বালক কর্মহীন রাজপথে ভেসে গিয়ে পায় কুড়িয়ে লাল ত্যানায় মোড়া এক মুমূর্ষু কফিন; বালকের কচি মন ভেবে ভেবে হয়রান কী করবে সে সেই কাঠের কফিনখানি, কীভাবে কফিনে করে নিয়ে যাবে একসাথে এতো সব লাশ— বাপ দাদা নানী চাচা চৌদ্দ গোষ্ঠির?   সদুত্তরহীন ক্ষুব্ধ মনে বিষন্নতার গাঢ় ক্ষণে   তন্দ্রামগ্নতার ঘোরে সে পেয়ে যায় সমাধান, বালক তার নবলব্ধ ধারনার গুচ্ছ তেজে করে নতুন ঘোষণা পাঠঃ ভেঙে দেব ধাবমান পৃথিবীর চৌকোণি ছয়কোণি ত্রিকোণি তত্ত্ব ও বোধ, ছুঁড়ে দেব সুলিখিত বইগুলোর গোলকধাঁধাঁয় ভরাRead More


যুদ্ধবিরোধী কবিতা, ইরাক ২০০৩

ইতিহাসের রাজপথে আজ রাতে উড়ছে ধূলাবালি, মরুঝড়ে আটকা পড়ে থমকে গেছে কিছুক্ষণ ট্যাঙ্কের অগ্রাভিযান, তবুও যুদ্ধ তার শক্ত পিঠে উড়ায় পদচিহ্ন, গেঁথে নেয় শরীরে মৃত আর জীবিতের ভুলগুলি; জঙ্গি বিমানের ককপিট হতে যারা উড়ে এসে দূরে বসে প্রাণ দিলো বলি যাদের নির্দেশে— তাদের হৃদপিন্ডে শুধু রক্ত ঝরানোর রক্ত আছে; তাদের আঙুলে আছে অমোঘ শক্তি, তাদের হাতে আছে মানব বন্দির নিক্তি।   রক্তে ভেসে যাক পৃথিবীর সব ধূলিকণা, সমগ্র ইরাক দখলে নিতে কেউ থামাতে পারবে না, ক্ষমতার স্বার্থে তারা সমগ্র পৃথিবী দখলে নিতে চায়, কামানের গোলা আর মর্টার শেলের আঘাতে রাতেরRead More