আপনি যা পড়ছেন

কেন এল না

সারাটা দিন ছেলেটা নেচে নেচে বেড়িয়েছে। রাস্তায় আলো জ্বলছে অনেকক্ষণ এখনও বাবা কেন এল না, মা? বলে গেল মাইনে নিয়ে সকাল- সকাল ফিরবে। পুজোর যা কেনাকাটা এইবেলা সেরে ফেলতে হবে। বলে গেল। সেই মানুষ এখনও এলো না। কড়ার গায়ে খুন্তিটা আজ একটু বেশি রকম নড়ছে। ফ্যান গালতে গিয়ে পা-টা পুড়ে গেল। জানালার দিকে মুখ করে ছেলেটা বই নিয়ে বসল মাদুরে সামনে ইতিহাসের পাতা খোলা— ঘড়িতে টিকটিক

তুমি তো কাঁদো না

কী আশ্চর্য কখনই তুমি তো কাঁদো না পুঁটুলি পাকিয়ে রেখে গেছ এ-বাড়ির আনাচে-কানাচে যে মনোবেদনা পুড়ে যাচ্ছি আমি তার আঁচে এ একরকম ভালো শুনতে পাই না কানে কে কী বলল, কে কেন চাইছে বেশি আরও থাকতে হয় না সাতে পাঁচে কারও গলিতে তোমার ছোট্ট এক চিলতে বাগানে লঙ্কাগাছে ফুল ধরেছে সবে তুমি আসছ কবে ছেঁড়া সেলাইয়ের ছুঁচে, ভাঙা জোড়া দেয়ার আঠায় তুমি আছো ছুঁলেই টের পাই লাঠি

কাব্যজিজ্ঞাসা

সেদিনকার শাণিত ধার হারিয়েছি হৃদয়ে শুধু স্মৃতির ভার, ভিড় শুধু ঘুরে বেড়াই পাড়ায় আপন খুশিমতো লঘু মেঘের মতন তনু মেলে যদি। জন্মে আর জীবনে আর তৃপ্তি নেই মরণে মধু সমাপ্তির ক্ষীণ আশা সকলি মানি অলীক এই গ্রহলোকে ইন্দ্রিয়ের ধাঁধায় বাঁধা শরীর মন। নিরুদ্দেশে আকাশে বৃথা খুঁজি বাসা আলোর কোনো চিহ্ন নেই চরাচরে দিনের ভাঙা সেতুর শেষে পরপারে সূর্য গেল,— মুখর ফের

মিছিলের মুখ

মিছিলে দেখেছিলাম একটি মুখ মুষ্টিবদ্ধ একটি শাণিত হাত আকাশের দিকে নিক্ষিপ্ত, বিস্রস্ত কয়েকটি কেশাগ্র আগুনের শিখার মত হাওয়ায় কম্পমান। ময়দানে মিশে গেলেও ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ জনসমুদ্রের ফেনিল চূড়ায় ফসফরাসের মত জ্বলজ্বল করতে থাকল মিছিলের সেই মুখ। সভা ভেঙে গেল, ছত্রাকারে ছড়িয়ে পড়ল ভিড় আর মাটির দিকে নামানো হাতের অরণ্যে পায়ে পায়ে হারিয়ে গেল মিছিলের সেই মুখ। আজও দুবেলা পথে ঘুরি ভিড় দেখলে দাঁড়াই যদি কোথাও খুঁজে পাই

ঘোল বাংলার একটি পরিচিত উপকারি পানীয়

ঘোল বা মাঠা ছাছ বা ছচ্ছিকা (ইংরেজি: Whey) বাংলার একটি পরিচিত  শব্দ।  মানুষ গরম থেকে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য এই পানীয় খেয়ে থাকে। দই এর কথা এলেই ঘোলের কথা মনে আসে। দুধ হতে ছানা অপসারণ করার পরে যে অবশিষ্ট থাকে তাকে ঘোল বলা হয়। এটি শরীরে নানা রোগ প্রতিরোধের জন্য উপকারি।

Top