Main Menu

Thursday, October 11th, 2018

 

কেন এল না

সারাটা দিন ছেলেটা নেচে নেচে বেড়িয়েছে। রাস্তায় আলো জ্বলছে অনেকক্ষণ এখনও বাবা কেন এল না, মা? বলে গেল মাইনে নিয়ে সকাল- সকাল ফিরবে। পুজোর যা কেনাকাটা এইবেলা সেরে ফেলতে হবে। বলে গেল। সেই মানুষ এখনও এলো না। কড়ার গায়ে খুন্তিটা আজ একটু বেশি রকম নড়ছে। ফ্যান গালতে গিয়ে পা-টা পুড়ে গেল। জানালার দিকে মুখ করে ছেলেটা বই নিয়ে বসল মাদুরে সামনে ইতিহাসের পাতা খোলা— ঘড়িতে টিকটিক শব্দ। কলে জল পড়ছে। ও-বাড়ির পাঁচিলটা থেকে লাফিয়ে নামল একটা গোঁফঅলা বেড়াল। বাপের-আদরে-মাখা-খাওয়া ছেলের মত হিজিবিজি অক্ষরগুলো একগুঁয়ে অবাধ্য— যতক্ষণ পুজোর জামা কেনা নাRead More


তুমি তো কাঁদো না

কী আশ্চর্য কখনই তুমি তো কাঁদো না পুঁটুলি পাকিয়ে রেখে গেছ এ-বাড়ির আনাচে-কানাচে যে মনোবেদনা পুড়ে যাচ্ছি আমি তার আঁচে এ একরকম ভালো শুনতে পাই না কানে কে কী বলল, কে কেন চাইছে বেশি আরও থাকতে হয় না সাতে পাঁচে কারও গলিতে তোমার ছোট্ট এক চিলতে বাগানে লঙ্কাগাছে ফুল ধরেছে সবে তুমি আসছ কবে ছেঁড়া সেলাইয়ের ছুঁচে, ভাঙা জোড়া দেয়ার আঠায় তুমি আছো ছুঁলেই টের পাই লাঠি হাতে উঠে এ-ঘর ও-ঘর করি খোঁড়াতে খোঁড়াতে কখনও সাক্ষাতে বলি নি লজ্জার মাথা খেয়ে মুখ ফুটে তবু খুব জানতে ইচ্ছা করে কখনও না-কেঁদেRead More


কাব্যজিজ্ঞাসা

সেদিনকার শাণিত ধার হারিয়েছি হৃদয়ে শুধু স্মৃতির ভার, ভিড় শুধু ঘুরে বেড়াই পাড়ায় আপন খুশিমতো লঘু মেঘের মতন তনু মেলে যদি। জন্মে আর জীবনে আর তৃপ্তি নেই মরণে মধু সমাপ্তির ক্ষীণ আশা সকলি মানি অলীক এই গ্রহলোকে ইন্দ্রিয়ের ধাঁধায় বাঁধা শরীর মন। নিরুদ্দেশে আকাশে বৃথা খুঁজি বাসা আলোর কোনো চিহ্ন নেই চরাচরে দিনের ভাঙা সেতুর শেষে পরপারে সূর্য গেল,— মুখর ফের পান্থনীড়।


মিছিলের মুখ

মিছিলে দেখেছিলাম একটি মুখ মুষ্টিবদ্ধ একটি শাণিত হাত আকাশের দিকে নিক্ষিপ্ত, বিস্রস্ত কয়েকটি কেশাগ্র আগুনের শিখার মত হাওয়ায় কম্পমান। ময়দানে মিশে গেলেও ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ জনসমুদ্রের ফেনিল চূড়ায় ফসফরাসের মত জ্বলজ্বল করতে থাকল মিছিলের সেই মুখ। সভা ভেঙে গেল, ছত্রাকারে ছড়িয়ে পড়ল ভিড় আর মাটির দিকে নামানো হাতের অরণ্যে পায়ে পায়ে হারিয়ে গেল মিছিলের সেই মুখ। আজও দুবেলা পথে ঘুরি ভিড় দেখলে দাঁড়াই যদি কোথাও খুঁজে পাই মিছিলের সেই মুখ। কারো বাঁশীর মত নাক ভাল লাগে কারো হরিণের মত চাহনি নেশা ধরায় কিন্তু হাত তাদের নামানো মাটির দিকে ঝঙ্কাক্ষুব্ধ সমুদ্রে জ্বলে ওঠেRead More


ঘোল বাংলার একটি পরিচিত উপকারি পানীয়

ঘোল বা মাঠা ছাছ বা ছচ্ছিকা (ইংরেজি: Whey) বাংলার একটি পরিচিত  শব্দ।  মানুষ গরম থেকে তৃষ্ণা মেটানোর জন্য এই পানীয় খেয়ে থাকে। দই এর কথা এলেই ঘোলের কথা মনে আসে। দুধ হতে ছানা অপসারণ করার পরে যে অবশিষ্ট থাকে তাকে ঘোল বলা হয়। এটি শরীরে নানা রোগ প্রতিরোধের জন্য উপকারি। দুধ পান করতে যাদের সমস্যা হয় তারা ঘোল পান করলে দুধের অন্যান্য প্রয়োজনিয় উপাদান পাওয়া যাবে। ঘোল: আমরা বাঙালিরা সাধারণত দইয়ে চিনি ও অল্প জল মিশিয়ে কাঁটা দিয়ে বা মিক্রারে ঘুটে ঘোল তৈরি করি। জল না মিশিয়ে বা অল্প জলRead More