আপনি যা পড়ছেন

মন-ময়ূরী ছড়ালো পেখম তারি

মন-ময়ূরী ছড়ালো পেখম তারি। সোনালী আকাশে রঙে রঙে ভরা এমন দিনটি যদি থাকিতে তুমি মোর পাশে। বর্ষা নাই চোখে চোখে আমি তাই সেধে সেধে এনেছি আঁখিজল বরষায়, ভরসা নাই তুমি মোর কাছে নাই বুকে বুকে বেঁধেছি অসহায় ভরসায়। জানি — দিন রজনী। কেঁদে কেটে যাবে। তোমারই আশে ।।   ছন্দ নাই, চারিদিকে দ্বন্দ্ব হায় দুপায়ের শিকলে করেছি নূপুর তাই। গন্ধ নাই, এ জীবন

ভুলবাে না, ভুলবাে না

ভুলবাে না, ভুলবাে না, ভুলবাে না— মহানগরীর রাজপথে যত রক্তের স্বাক্ষর, অগ্নিশিখায় অঙ্কিত হলো লক্ষ বুকের 'পর আমরা ভুলবো না।   হাতে শহীদের সমাধি ফুলক, ললাটে পরেছি রক্ততিলক, —রক্তের ঋণ রক্তে শুধবে শপথ ভয়ঙ্কর ভুলবাে না, ভুকবাে না, ভুলবো না।   উৎপীড়িতের ক্রন্দনরােল বুভুক্ষিতের অশ্রুজল, পুঞ্জিত হয়ে এনেছে এবার কালবােশেখীর ঝড় কালবোশেখীর ঝড়;   আহত বক্ষে গর্জে ক্রোধ

জালিনাবাগের জালালাবাদের এসেছে আদেশ

জালিনাবাগের জালালাবাদের এসেছে আদেশ চলাে চলাে বীর, পরো পরো বীর সৈনিকের বেশ।। স্বাধীনতা-সংগ্রাম হয়নি তো আজো শেষ।   হত্যাকারীর আজো হয়নি বিচার হয়নি তাে শােধ, দু’শতকের রক্তের যতো ধার শােষণের কারাগার ঘিরে চারিধার ভ্রাতৃবিরোধে ভুবছে স্বদেশ! চলাে চলে। বীর.. •••   এ তো নহে বন্দর এ যে চোরা বালুচর দস্যুর ঘাটে তুমি ফেলেছ নোঙর যাত্রীরা হুশিয়ার — কুচক্রী

ভার্শাভিয়াঙ্কা

ঝঞ্ঝা ঝড় মৃত্যু ঘিরে আজি চারিদিক অন্ধকারের চক্রান্ত কঠিন তবু সংগ্রামে চলো উদ্দাম নির্ভীক রক্তপতাকা হাতে ঊর্ধ্বে উড্ডীন তাই সম্মুখ পদভরে, মজদুর বাহাদুর দুনিয়ার শোষিতের মুক্তিপথে বিশ্বের মানবতার অন্তিম যুদ্ধে চলো চলো ভেদি মরু গিরি সমুদ্দুর শোন ঐ নারী শিশুর ক্ষুধার্ত ক্রন্দন আমরা কি রব শুধু নীরব শ্রোতা শত্রুর শিবিরে হানো হানো প্রহরণ হোক না নিহত রণে বন্ধুভ্রাতা যত সাম্রাজ্যের শিরের মুকুট ধূলিতলে

কমরেড লেনিন আব্রাশা

রুশ দেশের কমরেড লেনিন পাথরের কবরে শয়ান পাশ দাও কমরেড লেনিন আমাকে যে দিতে হবে স্থান। আইভান, আমি চেনা চাষী মাটি মাখা দু'পা আমার লড়েছি তোমার তরে কমরেড কাজ সারা হয়েছে এবার। আমি চিতো কালো কাফ্রি রোদে আখ কাটি মুঠি মুঠি দেখেছি তোমার তরে কমরেড আজকে আমার হল ছুটি। সংগ্রামী মহা সাল হতে সাংহাইয়ের পথে ধর্মঘটে বিপ্লবের তরে অনাহারে লড়ি মরি, ডরি না সংকটে। রচয়িতা :

জন হেনরি

জন হেনরি, জন হেনরি নাম তাঁর ছিল জন হেনরি ছিল যেন জীবন্ত ইন্জিন হাতুড়ির তালে তালে শিল্পী খুশিমনে কাজ করে রাত দিন হো হো হো হো খুশিমনে কাজ করে রাত দিন। কালো পাথরে খোদাই জন হেনরি জানাইছে গড়া পেশী ঝলমল হাতুড়ীর ঘায়ে ঘায়ে পাথরে আগুন ধরে হাতুড়ী চালানো তাঁর সম্বল হো হো হো হো হাতুড়ী চালানো তাঁর সম্বল। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার রেলের সুরঙ্গে পাথুরে পাহার

শঙ্খচিল

সুদূর সমুদ্দুর প্রশান্তের বুকে হিরোশিমা দ্বীপের আমি শঙ্খচিল আমার দু’ডানায় ঢেউয়ের দোলা আমার দু’চোখে নীল শুধু নীল; সাগরের জলে সিনানের শেষে প্রবালের সিঁড়ি বেয়ে মৎস্যগন্ধা মেয়ে ঝিনুক নূপুরে রুণু ঝুনু ঝুনু যেতো সে সাগরিকা ঝিলিক মিলিক নাচিয়ে গলায় মুক্তার মালিকা। পূর্বাচলের প্রাঙ্গনে সাগরিকার অঙ্গনে দিগবধুরা খেলেরে----- সমুদ্রহিল্লোলে তার দোলে হৃদয় দোলে শঙ্খচিলের সঙ্গীতে তার স্বপন দুয়ার খোলে দারুচিনি বনের পাখায় সোহাগ চামর দোলে দোলে হৃদয়

ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না

ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না নিগ্রো ভাই আমার পল রবসন আমরা আমাদের গান গাই ওরা চায় না।। ওরা ভয় পেয়েছে রবসন আমাদের রক্ত চোখকে ভয় পেয়েছে আমাদের দৃপ্ত কন্ঠে ভয় পেয়েছে আমাদের কুচকাওয়াজে ভয় পেয়েছে রবসন ওরা বিপ্লবের ডাঙ্গরুতে ভয় পেয়েছে রবসন।। ওরা ভয় পেয়েছে জীবনের ওরা ভয় পেয়েছে মরণের ওরা ভয় করে সেই স্মৃতিকে ওরা ভয় পেয়েছে দুঃস্বপনে। ওরা ভয়

দুখের রাতের ঘোর তমসা ভেদি

দুখের রাতের ঘোর তমসা ভেদি স্বাধীনতা দিবস এলো যে ফিরে। শহীদের মৃত প্রাণ শোন করে আহবান করাঘাত হানে তব দ্বারে।।   জাগো জাগো জাগো জাগো দেশবাসি শৃঙ্খলিতা ভারত মাতা কাঁদে মুক্তিপিয়াসি, রুদ্ধদুয়ারে স্বপন শিখরে এখনও কি রবে ঘুমঘোরে।।   ভারত জাতির যত স্বপ্ন কামনা অর্ধশতকের মুক্তি সাধনা শ্মশান চিতায় হয় যে বিলীন ক্ষুধিতের ক্রন্দন হাহাকারে।।   মুমূর্ষু বাংলার এ দুঃখতাপ হত দেশপ্রেমে করে অভিশাপ ঘুচাও এ

তোমার কাস্তেটারে দিও জোরে শান

তোমার কাস্তেটারে দিও জোরে শান কিষাণ ভাই রে, কাস্তেটারে দিও জোরে শান।।   ফসল কাটার সময় হলে কাটবে সোনার ধান দস্যু যদি লুটতে আসে কাটবে তাহার জান—রে।।   শান দিও, জোরসে দিও, দিও বারে বার হুশিয়ার ভাই, কভু তাহার, যায় না যেন ধার— রে।।   ও কিষাণ তোর ঘরে আগুন, বাইরে যে তুফান বিদেশি সরকার ঘরে দুয়ারে জাপান—রে।।   একতায় ভাই চিনের মানুষ

Top