Main Menu

Tuesday, November 6th, 2018

 

বাংলাদেশের সাপের তালিকা

বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতিকে দেশবাসি সাপ বলে চেনে। বাংলাদেশে Reptilia শ্রেণিতে Squamata বর্গে ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯৪টি প্রজাতির যেগুলোকে দেশবাসি সাপ বলে ডাকে। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো সরীসৃপ  ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে সংরক্ষিত। অর্থাৎ এসব প্রাণী হত্যা, শিকার, পাচার, বিক্রি ইত্যাদি করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশের ৯৪টি প্রজাতির সাপের পরিবারসহ নামের তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো:   পরিবার: অন্ধ সাপ Typhlopidae, Merrem, 1820,  এই পরিবারে ২টি গণে ৪টি প্রজাতি ০১. ব্রাহ্মনী দুমুখো সাপ,Read More


বাংলাদেশের গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুইয়ের তালিকা

বাংলাদেশে সরীসৃপ (ইংরেজি: Reptilia) শ্রেণিতে Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারের মোট ৩২টি প্রজাতিকে দেশবাসি গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুই নামে চেনে। বাংলাদেশের Squamata বর্গে ১৭টি গণে ৬টি পরিবারে মোট এরক মের মোট ৩২টি প্রজাতি রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে সরীসৃপ শ্রেণিতে Squamata বর্গে আরো ৭টি পরিবারে ৪৬টি গণে মোট ৯১টি প্রজাতিকে দেশবাসি সাপ বলে চেনে। এদেশের সরীসৃপ শ্রেণিতে Squamata বর্গে ১৭টি গণে যে ৬টি পরিবারের প্রাণিগুলোকে দেশবাসি গিরগিটি, টিকটিকি, তক্ষক, অঞ্জন, আচিল ও গুই নামে ডাকে সেই ৩২টি প্রজাতির তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলোঃ পরিবার: গিরগিটি, উড়ন্ত টিকটিকি (Agamidae)Read More


বাংলাদেশের ব্যাঙের তালিকা

বাংলাদেশে উভচর প্রাণীদের সংখ্যা বেশি নয়। বাংলাদেশে বর্তমানে Anura এবং Apoda বর্গের অধীনে ৭টি পরিবারে ২১টি গণে মোট ৪১টি প্রজাতি অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। IUCN-বাংলাদেশ ২০০০ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ৮টি প্রজাতির অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বর্তমানে অন্তত ২৫টি প্রজাতি ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো উভচর  ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে সংরক্ষিত। অর্থাৎ এসব প্রাণী হত্যা, শিকার, পাচার, বিক্রি ইত্যাদি করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল ও জরিমানা হতে পারে। বাংলাদেশের ব্যাঙের তালিকা: বাংলাদেশের উভচর প্রাণী হিসেবে ব্যাঙের প্রজাতির বাংলা নাম, ইংরেজি নাম ও বৈজ্ঞানিক নাম এখানে উল্লেখ করাRead More


বাংলাদেশের সরীসৃপ সম্পর্কে

সরীসৃপ বা Reptilia (L. reptum = creep) শ্রেণীর মধ্যে টিকটিকি, সাপ, কচ্ছপ, কাছিম, কুমির, এলিগেটর, tuataras অন্তর্ভুক্ত। সরীসৃপ প্রাণীদের বেশি বৈচিত্র্যতার কারণে বুকে ভর করে চলা প্রাণী এদের কোনাে সংক্ষিপ্ত গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন (Goin and Goin, 1971)। এরা উভচর প্রাণী থেকে আবির্ভূত হয়েছে এবং পরিশেষে পাখী ও স্তন্যপায়ী প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়েছে। সরীসৃপ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের শুষ্ক ও cornified ত্বকের মাধ্যমে উভয়ে প্রাণীদের থেকে এবং পালকের মাধ্যমে পাখী থেকে এবং চুল বা পশম অনুপস্থিত থাকার কারণে স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে আলাদা করা যায়। এরা সাধারণত শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী এবং দেহেরRead More


বাংলাদেশের উভচর সম্পর্কে

এম্ফিবিয়া (ইংরেজি: Amphibia) গ্রীক শব্দ এম্ফি (Gr. Amphi = উভয়) এবং গ্রিক বায়োস (গ্রিক bios = জীবন) থেকে উৎপন্ন। অর্থাৎ এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা জলজ ও স্থলজ উভয় পরিবেশে বসবাস করে। এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত সদস্যগুলাে কুনােব্যাঙ, সােনাব্যাঙ, salamanders এবং কেঁচোর মতাে Caecilians। যদিও বৈশিষ্ট্যগত ও জৈবিক কার্যাবলীর বিবেচনায় Amphibia-কে fishes এবং reptiles এর মধ্যবর্তী শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কর্ডেটদের মধ্যে এরা প্রথম প্রাণী যারা পানি ছাড়া ডাঙ্গায় বসবাস শুরু করে। স্থলজ পরিবেশে মানানসই করার জন্য এদের দেহে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন চলাচলের জন্য পা, শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ফুসফুস, নাসারন্ধ মুখবিবরের সাথে যুক্তRead More