আপনি যা পড়ছেন

নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল

নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল, ফুল নেব না অশ্রু নেব ভেবে হই আকুল। ফুল যদি নিই তোমার হাতে জল রবে গো নয়ন পাতে অশ্রু নিলে ফুটবে না আর প্রেমের মুকুল।। মালা যখন গাঁথো তখন পাওয়ার সাধ যে জাগে মোর বিরহে কাঁদো যখন আরও ভালো লাগে। পেয়ে তোমায় যদি হারাই দূরে দূরে থাকি গো তাই ফুল ফোটায়ে

বিদায় সন্ধ্যা আসিল ওই

বিদায় সন্ধ্যা আসিল ওই ঘনায় নয়নে অন্ধকার। হে প্রিয়, আমার, যাত্রা পথ অশ্রু–পিছল করো না আর।। এসেছিনু ভেসে স্রোতের ফুল তুমি কেন প্রিয় করিলে ভুল, তুলিয়া খোঁপায় পরিয়া তা’য় ফেলে দিলে হায় স্রোতে আবার।। ধরণীর প্রেম কুসুম প্রায় ফুটিয়া নিমেষে শুকায়ে যায় সে ফুলে যে মালা গাঁথিতে চায় তার চোখে চির অশ্রুধারা।। হেথা কেহ কারো বোঝে না মন, যারে

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই কেন মনে রাখো তারে? ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে।। আমি গান গাহি আপনার দুখে তুমি কেন এসে দাঁড়াও সমুখে আলেয়ার মতো ডাকিও না আর নিশীথ অন্ধকারে।। দয়া করো, দয়া করো, আর আমারে লইয়া খেলো না নিঠুর খেলা, শত কাঁদিলেও ফিরিবে না সেই শুভলগনের বেলা। আমি ফিরি পথে তাহে কার

জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার

জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র বা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র (নভেম্বর ১৮, ১৯১১ – অক্টোবর ২৬, ১৯৭৭) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি গীতিকার, কবি, লেখক ও গায়ক। বাংলা গানে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অন্যতম তিনি অনেক উদীপনামূলক দেশপ্রেমের গান লিখে বিখ্যাত হয়েছেন। ১৯৩৯ সাল থেকে জ্যোতিরিন্দ্র যোগ দেন প্রগতি আন্দোলনে এবং রচনা করেন ‘নবজীবনের গান’। পরে অনেক চলচ্চিত্রে তিনি সুর দেন। গানের সূত্রে ভারতের নানা জায়গা এবং মস্কো ও পূর্ব জার্মানী ভ্রমণ করেন। আরো পড়ুন

কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কবি

বিশ শতকের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ)। নজরুল বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম

চার্বাক সুমনের ব্যঙ্গ উপন্যাস ‘সদর ভাইয়ের অমর কাহিনি’ প্রকাশিত হয়েছে

সদর ভাইয়ের অমর কাহিনি ভূমিকা: অনুপ সাদি প্রকাশক: টাঙ্গন প্রথম প্রকাশ: ১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পৃষ্ঠা: ১০৪ প্রচ্ছদ শিল্পী: সমর মজুমদার আইএসবিএন: ৯৭৮-৯৮৪-৩৪-৫৪৩৪-৮ চার্বাক সুমনের ব্যঙ্গ উপন্যাস ‘সদর ভাইয়ের অমর কাহিনি’ প্রকাশিত হয়েছে একুশের বই মেলাকে উপলক্ষ্য করে। প্রকাশ করেছে টাঙ্গন প্রকাশন। বইটির আলোচনা পাঠক ইতোমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে পড়ে থাকবেন। বইটির কিছু কিছু অংশ ‘দল ভাঙা নেতা’ নামে

অনিল ভট্টাচার্য আধুনিক বাংলা গানের জনপ্রিয় গীতিকার

অনিল ভট্টাচার্য (৯ আগস্ট ১৯০৮ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৪৪) আধুনিক বাংলা গানের জনপ্রিয় গীতিকার। তিনি জন্মেছিলেন উত্তর কলকাতায়। তাঁর অন্য দুই ভাই হচ্ছেন সুরকার নির্মল ভট্টাচার্য এবং ধারাভাষ্যকার কমল ভট্টাচার্য। ওঁরা মোহনলাল স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকতেন। তাঁদের বাড়িতে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র থেকে প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়, ধনঞ্জয়-পান্নালাল, সতীনাথ-উৎপলা, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, নির্মলা

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা — আজ জেগেছে এই জনতা, তোমার গুলির, তোমার ফাঁসির, তোমার কারাগারের পেষণ শুধবে তারা ওজনে তা এই জনতা।। তোমার সভায় আমীর যারা, ফাঁসির কাঠে ঝুলবে তারা তোমার রাজা- মহারাজা, করজোড়ে মাগবে বিচার ঠিক জেনো তা এই জনতা।। তারা,  নতুন প্রাতে প্রাণ পেয়েছে, প্রাণ পেয়েছে প্রাণ পেয়েছে তারা,  ক্ষুদিরামের রক্তবীজে প্রাণ পেয়েছে প্রাণ পেয়েছে তারা,

অতুলপ্রসাদ সেন উনিশ শতকের বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও গায়ক

অতুলপ্রসাদ সেন (২০ অক্টোবর ১৮৭১  ২৬শে আগস্ট, ১৯৩৪) উনিশ শতকের বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও গায়ক যিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আদিবাড়ি ফরিদপুর জেলার মাদারিপুর পরগনার অন্তর্গত মগর গ্রামে। তার পিতা রামপ্রসাদ সেন এবং মাতামহ কালীনারায়ণ গুপ্ত ছিলেন সুগায়ক ও ভক্তিগীতি রচয়িতা। বাল্যে পিতৃহীন অতুলপ্রসাদ মাতামহগৃহে প্রতিপালিত হন এবং সেখানে গানের পরিবেশ

ফিদেলের জন্য গান — চে গ্যেভারা

তুমি বলেছিলে, সূর্য উঠবে। তাহলে চলো যাই মানচিত্রের না-আঁকা সেসব পথ ধরে তোমার ভালোবাসার সবুজ কুমিরটাকে মুক্ত করবার জন্য। চল যাই সব অপমান নিশ্চিহ্ন করে কালো বিদ্রোহী নক্ষত্রে জ্বলজ্বল করা আমাদের ভ্রুলেখা দিয়ে আমরা বিজয় আনবো ছিনিয়ে, নয়ত মৃত্যু পেরিয়ে চলবে যুদ্ধ। পহেলা আঘাতে সারা বন জেগে উঠবে তাজা বিস্ময়ে আর ঠিক তখনই সেখানে শান্ত সঙ্গী সব তোমার পক্ষ নেবে। যখন তোমার

Top