You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে

মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে স্মৃতি যেন আমার এ হৃদয়ে বেদনার রঙ্গে রঙ্গে ছবি আঁকে। মনে পড়ে যায়, মনে পড়ে যায় মনে পড়ে যায় সেই প্রথম দেখার স্মৃতি মনে পড়ে যায় সেই হৃদয় দেবার তিথি দুজনার দুটি পথ মিশে গেল এক হয়ে নতুন পথের বাঁকে।। সে এক নতুন দেশে দিনগুলি ছিল যে মুখর কত

এ পথ যদি না শেষ হয়

এ পথ যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলোতো, যদি পৃথিবীটা স্বপ্নের দেশ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলোতো।। কোন রাখালের ওই ঘর ছাড়া বাঁশীতে, সবুজের ওই দোল দোল হাসিতে।। মন আমার মিশে গেলে বেশ হয় আরো পড়ুন

এই রাত তোমার আমার

এই রাত তোমার আমার ওই চাঁদ তোমার আমার, শুধু দুজনের এই রাত শুধু যে গানের এই ক্ষণও এ দুটি প্রাণের কুহু কুজনের এই রাত তোমার আমার….।। তুমি আছো আমি আছি তাই, অনুভবে তোমারে যে পাই, শুধু দুজনের এই রাত তোমার আমার।।

দিলীপকুমার রায় বিখ্যাত গীতিকার, সঙ্গীতালোচক, সুরকার ও গায়ক

দিলীপকুমার রায় (জানুয়ারি ২২, ১৮৯৭ - জানুয়ারি ৬, ১৯৮০) বিখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ, সঙ্গীতালোচক, গীতরচয়িতা, সুরকার ও গায়ক। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮৯৭ সালে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে। পিতা প্রখ্যাত কবি নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, পিতামহ দেওয়ান কার্তিকেয় চন্দ্র রায়। পিতামহ ছিলেন প্রখ্যাত কালোয়াত, পিতা ছিলেন গীতকার, সুরকার ও গায়ক। এক কথায় বলতে

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বিশিষ্ট বাঙালি সংগীতস্রষ্টা

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৯ জুলাই ১৮৬৩ - ১৭ মে ১৯১৩) ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা। তাঁর জন্ম নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে। পিতা দেওয়ান কার্তিকেয়চন্দ্র ছিলেন মার্গসংগীতে কৃতবিদ্য গায়ক এবং পদরচয়িতা। অল্পবয়সেই দ্বিজেন্দ্রলালের গীতিপ্রতিভা স্ফুরিত হয়। ছ-সাত বছরেই পিতৃকণ্ঠে গান শুনে হার্মোনিয়ামে সে গান তুলে নেন। ন’বছর বয়সে অগ্রজের ফরমায়েসে

নিশিকান্ত রায়চৌধুরী আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার

নিশিকান্ত রায়চৌধুরী বা নিশিকান্ত (২৩. ০৪. ১৯০৯ ~ ২০. ০৫. ১৯৭৩) ছিলেন আধুনিক বাংলা গানের গীতিকার। ছোটবেলা কাটে রবীন্দ্রসান্নিধ্যে শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রমে। শৈশব থেকেই কাব্য প্রতিভার উন্মেষ ঘটে। ধ্বনিময় ছন্দোবহুল তার গান রবীন্দ্রসান্নিধ্যে থেকেও ভিন্নরকম। কবি নিশিকান্ত রায়চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন তাঁর মামাবাড়ী, অধুনা বাংলাদেশের বরিশাল জেলার উজিরপুর গ্রামে। পিতা বিজয়শঙ্কর রায়চৌধুরী ছিলেন আইনজীবী।

আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে

আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে, সাত সাগর আর তের নদীর পারে, ময়ূর পঙ্খী ভিড়িয়ে দিয়ে সেথা, দেখে এলেম তারে, সাত সাগরের পারে।। সে এক রূপ কথারই দেশ, ফাগুন সেথা হয় না কভু শেষ আরো পড়ুন

আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে

আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে পান্থপাখির কুজন কাকলি ঘিরে আগামী পৃথিবী কান পেতে তুমি শোনো আমি যদি আর নাই আসি হেথা ফিরে।। অশ্বথের ছায়ে মাঠের প্রান্তে দূরে আমার গানের স্বরলিপি লেখা রবে রাখালী বাঁশির বেজে বেজে ওঠা সুরে আমার এ গান খোঁজ তুমি তারই নীড়ে ঝরা পাতাদের মর্মর ধ্বনি মাঝে কান পেতে শোনো অশ্রুত সুরে মোর

এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়

এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায় একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু।। কোন রক্তিম পলাশের স্বপ্ন মোর অন্তরে ছড়ালে গো বন্ধু।। আমলকি পেয়ালের কুঞ্জে, কিছু মৌমাছি এখনো যে গুঞ্জে জানি কোন সুরে মোরে ভরালে গো বন্ধু।। বাতাসের কথা সে তো কথা নয় রূপ কথা ঝরে তার বাঁশিতে আমাদেরও মুখে কোন কথা নেই যেন দুটি আঁখি ভরে রাখে হাসিতে।। কিছু পরে দূরে তারা জ্বলবে হয়তো তখন তুমি বলবে। কোন

ও নদীরে, একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে

ও নদীরে, একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে বলো কোথায় তোমার দেশ তোমার নেই কি চলার শেষ ও নদীরে… তোমার কোনো বাঁধন নাই তুমি ঘর ছাড়া কি তাই।। এই আছো ভাটায় আবার এই তো দেখি জোয়ারে বলো কোথায় তোমার দেশ তোমার নেই কি চলার শেষ ও নদীরে… এ কূল ভেঙে ও কূল তুমি গড়ো যার একূল ওকূল দুকূল গেল তার লাগি কি

Top