You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

ভারতীয় দর্শন প্রসঙ্গে

ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মূল তত্ত্ব ও তার ব্যাখ্যাকে প্রাচীনকাল হতে ভারতীয় দর্শন (ইংরেজি: Indian Philosophy) বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ভারতীয় দর্শন বিশ্বের প্রাচীনতম দর্শনসমূহের অন্যতম। খ্রিষ্টপূ্র্ব দশ অথবা পনের শতকের ইতিহাসেও এই দর্শনের সাক্ষাত পাওয়া যায়। ভারতীয় দর্শনকে সাধারণত বেদান্ত, মীমাংসা, বৈশেষিক, ন্যায়, সংখ্যা ও যোগ এই ছয়টি শাখায়

বাংলাদেশের গণযুদ্ধ প্রসঙ্গে

বাংলাদেশ একটি শোষণমূলক নয়া উপনিবেশিক রাষ্ট্র। স্বাধীনতার জন্য ১৯৭১ সালে একটি গণযুদ্ধে দেশটি স্বাধীন হয় যা বাংলাদেশের গণযুদ্ধ (ইংরেজি: Peoples War of Bangladesh) নামে পরিচিত। এই রাষ্ট্রটি ভারতীয় উপমহাদেশের অংশ বিধায় সপ্তদশ এবং অষ্টাদশ শতক থেকে ক্রমান্বয়ে ইউরোপের পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের প্রত্যক্ষ দখল এবং শাসনের অধীনে এসেছিল। ভারতবর্ষের প্রধান দখলদারি

স্বাধীনতার ধারণা প্রসঙ্গে

ব্যক্তি স্বাধীনতা, জাতীয় স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ইত্যাদি প্রত্যয়গুলির উদ্ভব ও বিকাশ প্রধানত আধুনিক কালে। প্রাচীনকালেও মানুষ গোত্রবদ্ধ এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রবদ্ধভাবে গোত্রপ্রধান এবং রাষ্ট্রপ্রধান বা রাজার অধীনে জীবন যাপন করছে। রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার পর রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে যুদ্ধ বিগ্রহ সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু সেকালের স্বাধীনতার মধ্যে বর্তমানকালের আবেগের অস্তিত্ব দেখা যায় না। ব্যক্তি স্বাধীনতার

ইশ্বরমূল এশিয়ার ঔষধি লতা

বৈজ্ঞানিক নাম: Aristolochia indica. সমনাম: জানা নেই। ইংরেজি নাম: Indian birthwort. স্থানীয় নাম: ঈশ্বরমূল। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Magnoliids বর্গ: Piperales পরিবার: Aristolochiaceae    গণ: Aristolochia   প্রজাতি: Aristolochia indica. ভূমিকা: ঈশ্বরশূল > ঈশ্বরী > জটা > রৌদ্রী > পত্রবল্লী > ঈশ্বরমূল বৈজ্ঞানিক নাম Aristolochia indica এরা Aristolochiaceae পরিবারের Aristolochia গনের সদস্য। এটি এক ধরণের ভেষজ

সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় প্রসঙ্গে

পুঁজিবাদের ঊনবিংশ এবং বিংশ শতকের বিকাশের বিশ্লেষণমূলক যে গ্রন্থ ভ্লাদিমির লেনিন ১৯১৬ সনে রচনা করেন, সেই গ্রন্থের নাম ‘ইম্পেরিয়ালিজম, দ্য হাইয়েস্ট স্টেজ অব ক্যাপিটালিজম’ বা ‘সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায়’। ১৯১৭ সনের রুশ বিপ্লবের প্রাক্কালে বিপ্লবী আন্দোলনের তাত্ত্বিক নেতৃত্ব দানের জন্য লেনিন তাঁর এই গ্রন্থে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক আন্দোলনসমূহের

প্রত্যক্ষ অনুমান প্রসঙ্গে

প্রচলিত যুক্তিশাস্ত্রে প্রত্যক্ষ অনুমান (ইংরেজি: Immediate Inference) বলতে সেই সিদ্ধান্ত বা অনুমানকে বুঝানো হয় যে অনুমান একটিমাত্র হেতু বা দত্ত বাক্য দ্বারা গৃহীত হয়। যেমনঃ সকল মানুষ মরণশীল। অতএব, কোনো মানুষ অমর নয়। এখানে একটিমাত্র হেতু বাক্য ‘সকল মানুষই মরণশীল’ থেকে সুতরাং ‘কোনো মানুষ অমর নয়’ সিদ্ধান্তটি অনুমান করা হয়েছে। একটু

অভিন্নতার বিধান প্রসঙ্গে

কোনো দুটি বিষয়, ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে হুবহু সাদৃশ্য বা মিল থাকলে তাদের অভিন্ন বলা হয়। ‘অভিন্নতা’ কথাটি তুলনার ক্ষেত্রে এবং বস্তুর ধারাবাহিকতা বুঝাবার প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়। ক এবং খ উভয়ের মধ্যে যদি একই গুণের অস্তিত্ব দেখা দেয় তবে ক এবং খ কে অভিন্ন বলা হবে। কিন্তু বাস্তব জগতে আদৌ

ইতিহাসের ভাববাদী ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে

সমাজ ও সভ্যতার পরিবর্তনের কাহিনী নিয়ে রচিত হয় ইতিহাস। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়ার জন্য তাই আবশ্যক ইতিহাস অর্থাৎ সমাজ ও সভ্যতার পরিবর্তনের মূল শক্তি কি তা জানার। ইতিহাসের পরিবর্তন কে সংঘটিত করে? যুগের মহামানব, মানুষের চেতনা, অতিপ্রাকৃত বিধাতা? অথবা সমাজ ও সভ্যতা পরিবর্তন হয় সামাজিক কোন বিধান বলে? এই প্রশ্ন

বাস্তব ভাববাদ প্রসঙ্গে

বাস্তব ভাববাদ বা নৈর্বক্তিক ভাববাদ (ইংরেজি: Objective Idealism) ব্যক্তির মনের বাইরে একটি অতিব্যক্তিক এবং অতিপ্রাকৃতিক কোনো ভাবকে সব কিছুর মূল বলে মনে করা হয়। দর্শনে ভাববাদকে দুটি উপবিভাগে বিভক্ত করা হয়; (১) বাস্তুব ভাববাদ, (২) মনময় ভাববাদ। মনময় ভাববাদ মনের চেতনাকে অস্তিত্বের মূল বলে নির্দিষ্ট করা হয়।

ভাববাদ প্রসঙ্গে

দর্শনের দুটি প্রধান ধারার একটি হচ্ছে ভাববাদ (ইংরেজি: Idealism)। অপর একটি বিপরীত ধারা হচ্ছে বস্তুবাদ। বিশ্ব রহস্যের ক্ষেত্রে মুল প্রশ্ন হচ্ছেঃ বস্তু প্রধান, না মন বা ভাব প্রধান? এই প্রশ্নে ভাববাদের সাধারণ জবাব হচ্ছে মন বা অ-বস্তুই হচ্ছে প্রধান, বস্তু প্রধান নয়। কারণ, সাধারণ মানুষ দেখতে পায় যে, বস্তুর পরিবর্তন, ক্ষয়

Top