আপনি যা পড়ছেন

বোবা কোকিল

কথা চাপিয়ে/ কথার পৃষ্ঠে/ কাটছিল দিন/ কষ্টেসৃষ্টে/ এখন যে কী মুশকিল !/ হয়ত কেউ/ পঞ্চাশোর্ধ্বে/ ঠাট্টা করে।/ খাঁচার মধ্যে/ বসিয়ে দিয়ে গিয়েছে এক কোকিল। আরো পড়ুন

ঠাকুরমার ঝুলি

এ-দুয়োরে যায়: দূর-দূর! / ও-দুয়োরে যায় । ছেই-ছেই !/ সুয়োরানী লো সুয়োরানী তোর/ রাজ্যে দিল হানা/ পাথরচাপা কপাল যার সেই/ ঘুটেকুড়ানির ছানা/ ঘেন্নায় মরি, ছি!/ মন্ত্রী বলল, দেখছি/ কোটাল বলল, দেখছি/ ঢোল ডগরে পড়ে কাঠি/ রক্তে হয় রাঙা মাটি আরও পড়ুন

কি বলেন

ভাবছি।/ একটা গাড়ি কিনব ?/ না কি একটা বাড়ি?/ আমার মতে, গাড়িই ভালো –/ না কি বলেন, বাড়ি ।/ বাড়ি হলেও মন্দ হয় না/ কিন্তু দেখুন, গাড়ি –/ কত সুবিধে। মনে করলেই/ ডায়মণ্ডহারবার/ কিংবা ধরুন, উইকেণ্ডে রাঁচি! আরো পড়ুন

যেখানে ব্যাধ

এখান থেকে একটা নেয়/ ওখান থেকে দুটো/ এমনি করে বাসা বানায়/ কুড়িয়ে খড়কুটো/ যখন ডাকি আয়রে পাখি/ ধরা দে/ হারিয়ে খেই বুকের এই/ গরাদে/ একটিবার ফিরিয়ে ঘাড়/ সহসা অপ্রস্তুত/ বাঁকানো ঠোটে চমকে ওঠে/ চোখের জলবিদ্যুৎ আরো পড়ুন

মরুভূমির হাওয়ায়

আমি কখনও ভুলি না/ কিভাবে/ তুমি আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছিলে/ এক শশাকের রাত্তির।/ আকাশের চোখ ধুলো দিচ্ছিল/ বাইরে/ মরুভূমির হাওয়া।/ অন্ধকারে রিনটিন রিনটিন করে/ একদল উট/ বেশ একটু নাকউঁচুভাবে/ শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে যাচ্ছিল।/ রাস্তার ওপাশে ওটা কী গাছ/ আমি জানি না/ বাগানে ফুটে আছে ওটা কী ফুল/ আমি জানি না। আরো পড়ুন

মন্টেস্কুর রাষ্ট্রচিন্তা প্রসঙ্গে

চার্লস দ্য মন্টেস্কুর রাষ্ট্রদর্শন আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার স্পর্শে ঝলমলিয়ে উঠেছে। যুক্তিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদের সংমিশ্রণে তিনি তাঁর রাষ্ট্রদর্শনকে সাজিয়েছেন। ঘটনা বা পরিস্থিতির প্রকৃতি থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। তাই তাঁর রাষ্ট্রদর্শন অভিজ্ঞতা নির্ভর। আধুনিক কালের রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা একে সমাজতাত্ত্বিক পদ্ধতি বলে থাকেন। মন্টেস্কু তাঁর রাষ্ট্রচিন্তাকে স্থায়ীভাবে রূপ দিতে ঐতিহাসিক ও পর্যবেক্ষণমূলক পদ্ধতির সূত্র ধরে সম্মুখ পানে এগিয়েছেন। আরো পড়ুন

স্বাধীনতা সম্পর্কে মন্টেস্কুর ধারণা প্রসঙ্গে

চার্লস দ্য মন্টেস্কুর বিখ্যাত গ্রন্থ The spirit of law-তে স্বাধীনতা বিষয়ক আলোচনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব পেয়েছে। জন্মভূমি ফ্রান্সের স্বৈরতান্ত্রিক শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়নমূলক আচরণ মন্টেস্কুর হৃদয়কে বড়ই আঘাত দিত। স্বৈরাচারী শাসকরা সেখানেও জনগণের চিন্তা ও কর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিল না। আবার তিনি স্বাধীনতা বলতে যা খুশি তা করাকে বুঝায়নি। আরো পড়ুন

আলো ফোটানোর মুক্তিকামী কবিতাগ্রন্থ দোলন প্রভার “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”

ভিনসেন্ট ‘ভ্যান গগ’য়ের টিউলিপ ফিল্ড-ছবি দিয়ে করা প্রচ্ছদ সহজেই দোলন প্রভার কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে” বইয়ের শীর্ষককে যৌক্তিক ভাবে তুলে ধরে। যেখানে দেখা যায়, দু’পাশে দুটি খামার বাড়ি আর মাঝে একটাই চাষের জমি। ভেবে নেয়া যেতে পারে ওই জমি একক মালিকানাধীন নয়, তা যৌথ মালিকানাধীন। তাই স্বপ্নের পাখিরা এখানে যূথবদ্ধ হয়ে উড়ে বেড়ায়। আরো পড়ুন

ল্যাং

ডান কানটা বিগড়ে গেলেও, বা কানটা আছে, তাইতে ধরছি কে এবং কী, ছাড়ছে ধারে-কাছে –। ‘আপনি, মশাই, গেছেন বদলে, বদলে গেছেন, ছি ছি। আগে গলায় বাজ ডাকাতেন, এখন করেন চিঁ চিঁ।’ ‘ইনাম পেয়ে জাহান্নামে আরো পড়ুন

উত্তরপক্ষ

বাবা বলেন, যখন হবার/ আপনিই হয়,/ আসল ব্যাপার/ সময়।/ বাবা বলেন, সবার আগে/ জানা দরকার/ স্রোতে লাগে/ কখন জোয়ার,/ কখনই বা ভাটা।/ বাবা বলেন, এমনি ক’রে/ সারা রাস্তা ধৈর্য ধ’রে/ মড়া টপকে/ মড়া টপকে/ মড়া টপকে হাঁটা।/ বাবারা যা বলেন তা কি ঠিক ?/ এও ভারি আশ্চর্য,/ গা বাঁচাবার নাম দিয়েছেন সহ্য। আরো পড়ুন

Top