আপনি যা পড়ছেন

হায় কি যে করি এ মন নিয়া

হায় কি যে করি এ মন নিয়া/ সে যে প্রণয়ও হুতাশে ওঠে উথলিয়া/ ওই দুষ্টু পাপিয়া বলে পিয়া পিয়া/ পিয়া পিয়া…/ তার মিষ্টি কুজন তবু জ্বলে হিয়া/ মুখে অভিমান ওঠে মনে উছলিয়া আরো পড়ুন

স্বর্গীয়

দরজা ভেজানো ছিল/ অনভ্যাসে/ নত হতে না পারায়/ মাথা ঠুকে গিয়েছে ঝনকাঠে/ ফুটো মালসা, জল শেষ/ উঠোনে তুলসীর প্রেতচ্ছায়া/ নাচায় প্রদীপ/ দাওয়ার ওপর রাখা/ জলচৌকি/ পা-ধোয়ার জল, গামছা/ কাঠের খড়ম আরো পড়ুন

কেন এ হৃদয় চঞ্চল হলো

কেন এ হৃদয় চঞ্চল হলো। কে যেন ডাকে বারে বারে, কেন, বল কেন? আমি ফুল দেখেছি, ফুল ফুটতে কখনো দেখিনি; আজ মনে হয়, এই শিহরণ, এই বুঝি ফুটছে আমার তরে। আরো পড়ুন

কত মধুরাতি এলো, এলো আর চলে গেল

কত মধুরাতি এলো, এলো আর চলে গেল, জীবনে জোয়ার এলো না।। সাথীহারা মন আজও সাথী পেল না।। চাঁদের আলোয় লেখা যত কবিতা, আমার জীবনে সবই হলো যে বৃথা।। কুহু কুহু কুহুতানে কোয়েলিয়া আমার প্রাণে, সুরের আগুন জ্বেলো না।। আরো পড়ুন

ঝরা ফুলে ভরা এই যে সমাধিতল

ঝরা ফুলে ভরা এই যে সমাধিতল – এই তো আমার মাটির বাসর প্রেমের তাজমহল।। কে বলে আমার প্রিয়তমা নাই, পাই না দেখিতে তবু সাড়া পাই– চোখে ঝরে জল হায় মনে তবু দোলে মিলনের শতদল।। আরো পড়ুন

কেন পিয়া পিয়া বলে ডাকে পাপিয়া

কেন পিয়া পিয়া বলে ডাকে পাপিয়া, হায় অভিমানে চলে গেছে তারও কি প্রিয়া।। চলে গেছে প্রিয়া মম কত দূরে হায়, সুরে সুরে হিয়া সে তো উড়ে যেতে চায়– আমি কাঁদি তারই ভাঙা বীণা বুকে চাপিয়া।। আরো পড়ুন

এনেছি আমার শত জনমের প্রেম

এনেছি আমার শত জনমের প্রেম আঁখিজলে গাঁথা মালা; ওগো সুদূরিকা, আজো কি হবে না শেষ তোমারে চাওয়ার পালা।। স্বপনে আমার সাথীহারা রাতে, পেয়েছি তোমায় পলকে হারাতে, তোমারে খুঁজিতে যে দীপ জ্বেলেছি হায় বিফলে সে দীপ জ্বালা।। আরো পড়ুন

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির সাধারণ নিয়মাবলি

যেহেতু শ্রমিক শ্রেণির মুক্তি শ্রমিক শ্রেণিকেই জয় করে নিতে হবে; শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির জন্য যে সংগ্রাম, তার অর্থ শ্রেণিগত সুবিধা ও একচেটিয়া অধিকারের জন্য সংগ্রাম নয়, সমান অধিকার ও কর্তব্যের জন্য এবং সমস্ত শ্রেণি আধিপত্যের উচ্ছেদের জন্য সংগ্রাম। শ্রম করে যে মানুষ, শ্রম উপায়ের অর্থাৎ জীবনধারণের বিভিন্ন উৎসের একচেটিয়া মালিকের কাছে আরো পড়ুন

আকষ্মিক বিবর্তন কাকে বলে

জীবন এবং প্রকৃতির ক্ষেত্রে ডারউইনের বিবর্তনবাদ এবং বস্তুবাদের বিরোধীতা হিসাবে ‘আকষ্মিক বিবর্তনবাদ’ বা ‘আকষ্মিক বিকাম’ (ইংরেজি: Accidental Evoluation)- এর উদ্ভব দেখা যায়। এ মতের প্রধান ব্যাখ্যাদাতাদের মধ্যে স্যামুয়েল আলেকজাণ্ডার, এস. লয়েড মরগান, সি. ডি. ব্রড প্রমুখ দার্শনিকের নাম উল্লেখযোগ্য। এই সমস্ত দার্শনিককে ‘নব বাস্তববাদী’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু এ

Top