আপনি যা পড়ছেন

মহানগর

আমার সঙ্গে চলো মহানগরে– যে-মহানগর ছড়িয়ে আছে আকাশের তলায় পৃথিবীর ক্ষতের মতো, আবার যে-মহানগর উঠেছে মিনারে মন্দিরচূড়ায়, আর অভ্রভেদী প্রাসাদ-শিখরে তারাদের দিকে, প্রার্থনার মত মানবাত্মার। আমার সঙ্গে এসো মহানগরের পথে, যে-পথ জটিল, দুর্বল মানুষের জীবনধারার মতো, যে-পথ অন্ধকার, মানুষের মনের অরণ্যের মতো, আর যে-পথ প্রশস্ত, আলোকোজ্জ্বল, মানুষের বুদ্ধি, মানুষের উৎসাহের মতো। এ-মহানগরের সংগীত রচনা করা উচিত– ভয়াবহ, বিস্ময়কর সংগীত।আরো পড়ুন

আল কিন্দী নবম শতাব্দীর মুসলিম দার্শনিক

আবু ইউসুফ ইয়াকুব এবনে ইসহাক আল কিন্দীর (ইংরেজি: Al-Kindi; ৮০০-৮৭০ খ্রি.) মৃত্যুকাল সম্পর্কে মতপার্থক্য আছে। ৮৭০ কিংবা ৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মারা যান। বসরার মেসোপটেমিয়ার নিকটবর্তী অঞ্চলে আল কিন্দী জন্মগ্রহণ করেন। নবম শতাব্দীতে তিনি মুসলিম দার্শনিক, বিশেষ করে আরবি ভাষার দার্শনিকদের মধ্যে সমধিক খ্যাতি অর্জন করেন। আরো পড়ুন

আলীগড় আন্দোলন উনিশ শতকের ব্রিটিশ ভারতে মুসলিমদের শিক্ষা আন্দোলন

আলীগড় আন্দোলন (ইংরেজি: Aligrah Movement) ছিল উনিশ শতকের শেষের দশকগুলিতে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম জনসংখ্যার জন্য আধুনিক পদ্ধতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠার একটি আন্দোলন। ১৮৫৭ সনের সিপাহী বিদ্রোহ তথা স্বাধীনতা সংগ্রামের পরবর্তীতে মুসলমান সম্প্রদায়ের উচ্চবিত্ত এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তার একটি ধারা আলীগড় আন্দোলন আরো পড়ুন

আল গাজ্জালী ইসলামের সর্বশ্রেষ্ট ব্যাখ্যাতা এবং রক্ষক

আল গাজ্জালীর (ইংরেজি: Al-Ghazali; ১০৫৮-১১১১ খ্রি.) সম্পূর্ণ নাম ছিল আবু হামিদ মুহম্মদ আল গাজ্জালী। খোরাসান বা ইরানের তুশের গাজলা গ্রামে জন্ম বলেই তিনি আল গাজ্জালী নামে পরিচিত হন। পরবর্তীকালে আল গাজ্জালী ইসলামের সর্বশ্রেষ্ট ব্যাখ্যাতা এবং রক্ষক হিসাবে খ্যাতিলাভ করেন। আল গাজ্জালীর দার্শনিক চিন্তাধারার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামকে ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাসের হাত থেকে রক্ষা করা। আরো পড়ুন

আল বিরুনি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক

আল বিরুনি বা আল বেরুণী (পূর্ণনাম: আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনি) (ইংরেজি: Alberuni; ৯৭৩-১০৫০ খ্রি.) পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং জ্ঞানসাধক। তাঁর জন্ম মধ্য এশিয়ার (রাশিয়ার) খোরেজাম বা খারিজমের খিবায় ৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। মৃত্যু ১০৪৮ কিংবা ১০৫০ খ্রিষ্টাব্দে। ‘আলবেরুণী’ নামে ইতিহাসে পরিচিত। আরো পড়ুন

দাদামশাইয়ের বৈঠকখানা

এক্কা দোক্কা তিন তেরেক্কা/ মা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর/ মামা গেছে ফারাক্কা/ চোখ পিটপিট, গা কুটকুট/ কুড়র মুড়র ঝাল বিস্কুট/ কার পকেটে/ কান পেতে শোন টক্কা টরে/ দরজাতে কে শব্দ করে/ তেরে কেটে তাক তেরে কেটে/ চোর না পুলিশ/ দেখে খুলিস। আরো পড়ুন

ওঠাপড়া

এইও! কাউকে বলবে না/ পাহাড়ে উঠছে বানরসেনা/ একপা দু-পা-তিন-পা/ সবার আগে শের পা/ যেই না পথ ফুরোয়/ পৌঁছে যায় চুড়োয়/ চেঁচিয়ে কয়, নামো নামো/ ল্যাজ আনিনি, আরে রামো/ কাজেই আবার এক-পা দু-পা/ হুপ পা হুপ, হুপ পা হুপা। আরো পড়ুন

আল ফারাবী ইসলামি দর্শনে এক গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক

আল ফারাবীর (ইংরেজি: Al-Farabi ৮৭৩-৯৫০ খ্রি.) সম্পূর্ণ নাম হচ্ছে আবু নসর মুহাম্মদ আল ফারাবী। দর্শনের ইতিহাসে ইনি আল ফারাবী নামেই সুবিখ্যাত। ইসলামি দর্শনে আল ফারাবীকে সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক বলে মনে করা হয়। মুসলিম দার্শনিকগন মনে করতেন, আল ফারাবীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ যদি কেউ থাকেন তিনি হচ্ছেন গ্রিক দার্শনিক এ্যারিস্টটলআরো পড়ুন

আজীবিক একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়

খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম এবং ষষ্ঠ শতাব্দিতে ভারতবর্ষে বৌদ্ধ এবং জৈনধর্মের প্রচারের সমকালে ‘আজীবিক’ (ইংরেজি: Ajivika) নামক একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। এই সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ‘মক্খলি গোশাল’ বলে এক ব্যক্তি। গোশালে জন্ম বলেই তাঁর নাম গোশাল হয়েছিল এরূপ অনেকে মনে করেন। আরো পড়ুন

Top