You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

পুঁজিবাদ কাকে বলে?

পুঁজিবাদ বা ধনতন্ত্র (ইংরেজি: Capitalism) হচ্ছে মানবেতিহাসে পণ্য সম্পর্কের সামাজিক স্তর।[১] এটি একটি সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিশেষ। ষোড়শ শতাব্দীতে ইউরোপের কয়েকটি দেশে এই সমাজ-ব্যবস্থার প্রথম প্রতিষ্ঠা ঘটে। মানুষের সামাজিক অর্থনৈতিক কাঠামো যে বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে বিকাশ লাভ করছে এটি আধুনিক চিন্তাধারার একটি স্বীকৃত সত্য।[২] আরো পড়ুন

পুঁজি কাকে বলে?

উৎপাদনের ক্ষেত্রে পুঁজি (ইংরেজি: Capital) হচ্ছে প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহের মধ্যে একটি উপাদান। সম্পদ বৃদ্ধির জন্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে জমি, যন্ত্র, শ্রম এবং পুঁজি এই চারটি উপাদান প্রধান। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ‘পুঁজি’ শব্দ দ্বারা নতুন পণ্য ক্রয়ের আর্থিক সামর্থ্য বুঝায়। এরূপ অর্থ পুঁজি বলতে কেবল টাকা নয়, মালিকের মালিকানাধীন দালানকোঠা, জমি, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রি বুঝাতে পারে। আরো পড়ুন

টমাস ক্যাম্পানেলা ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতকের ইতালির কল্পলৌকিক সাম্যবাদী দার্শনিক

টমাস ক্যাম্পানেলা (ইংরেজি: Tommaso Campanella; ৫ সেপ্টেম্বর ১৫৬৮-২১ মে ১৬৩৯ খ্রি.) ছিলেন ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতকের ইতালির দার্শনিক এবং কল্পলৌকিক চিন্তাবিদ। ১৫২৮ সনে ক্যাম্পানেলা সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন।  ক্যাম্পানেলার চিন্তার মধ্যে অ-খ্রিষ্টীয় অভিমত, ম্যাকিয়াভেলীর বাস্তববাদ এবং খ্রিষ্টীয় ধর্মীয়ভাব –এসবের মিশ্রণ দেখা যায়। স্কলাসটিসিজম বা মধ্যযুগের ধর্মীয় যুক্তিবাদের বদলে ক্যাম্পানেলা প্রকৃতি এবং

এডমাণ্ড বার্ক অষ্টাদশ শতকের ইংল্যাণ্ডের বিখ্যাত বাগ্মী রাজনীতিবিদ

এডমাণ্ড বার্ক (ইংরেজি: Edmund Burke; ১২ জানুয়ারি ১৭২৯-৯ জুলাই ১৭৯৭ খ্রি.) ছিলেন অষ্টাদশ শতকের ইংল্যাণ্ডের পার্লামেণ্টের বিখ্যাত বাগ্মী সদস্য এবং রাজনীতিবিদ। বার্কের রাজনৈতিক চিন্তা, বক্তৃতা এবং রচনার মধ্যে উদারনীতি এবং রক্ষণশীলতার মিশ্রণ ঘটে। ইংল্যাণ্ডের সরকার আমেরিকার উপনিবেশের উপর ট্যাক্স আরোপ করলে বার্ক উপনিবেশের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করেন। ওয়ারেন হেস্টিংস-এর শাসনে

বুখারিন রুশ বিপ্লবের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক তাত্ত্বিক

নিকোলাই বুখারিন (ইংরেজি: Nikolai Ivanovich Bukharin; ৯ অক্টোবর ১৮৮৮ - ১৫ মার্চ ১৯৩৮) রুশ বিপ্লবের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক তাত্ত্বিক। কিন্তু বলশেভিক পার্টির নেতা লেনিনের সঙ্গে যেমন তাঁর ১৯১৮ সনে তত্ত্বগত মতবিরোধ ঘটে, তেমনি বিপ্লবোত্তর রাশিয়াতে স্তালিনের সঙ্গে তার মতান্তর সৃষ্টি হয়। রাশিয়াতে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য স্তালিনের সাংগঠনিক

বৌদ্ধ ধর্ম বা বৌদ্ধবাদ হচ্ছে প্রাচীন ধর্মসমূহের অন্যতম

বৌদ্ধ ধর্ম বা বৌদ্ধবাদ (ইংরেজি: Buddhism) হচ্ছে প্রাচীন ধর্মসমূহের অন্যতম। অভিজ্ঞানপ্রাপ্ত সিদ্ধার্থ বা বুদ্ধ এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা। বুদ্ধের জীবনকাল ছিল ৫৬৩-৪৮৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। প্রাচীন ভারতে হিন্দু বা ব্রাহ্মণ্যধর্মের প্রতিপত্তি ছিল। বুদ্ধের অভিমত এই প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মণ্যধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহস্বরূপ। এ কারণে হিন্দুধর্ম এবং হিন্দু সম্রাটগণ বুদ্ধের ধর্মের প্রচারকে রুদ্ধ করে দেবার চেষ্টা করেন। বুদ্ধের অনুসারীদের উপর নানাপ্রকার অত্যাচার ও

জর্দানো ব্রুনো ইউরোপীয় পুনর্জাগরণ যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ

জর্দানো ব্রুনো বা জিওর্দানো ব্রুনো বা গিওর্দানো ব্রুনো (ইংরেজি: Giordano Bruno; ১৫৪৮-১৭ ফেব্রুয়ারি ১৬০০) ইউরোপীয় পুনর্জাগরণ যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ। গিওর্দানো ব্রুনো কেবল দার্শনিক ছিলেন না। তিনি ইতালির বিখ্যাত কবি এবং নাট্যকার বলেও পরিচিত। স্বাধীন প্রবক্তা ব্রুনো খ্রিষ্টধর্মের ডমিনিকান মত পরিত্যাগ করায় গোঁড়া সাধক সম্প্রদায় তাঁকে ইনকুইজিশন বা ধর্মীয় আদালতে

টাইকো ব্রাহে ছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা

টাইকো ব্রাহে বা ট্যুকো ব্রাহে (ইংরেজি: Tycho Brahe; ১৫৪৬-১৬০১ খ্রি.) জ্যোতির্বিজ্ঞানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ডেনমার্কের একটি অভিজাত পরিবারে জন্ম। কোপেন হেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অধ্যয়ন শুরু করলে ১৫৬০ সনের ২১ আগস্ট সূর্যের পূর্ণ গ্রহণের দৃশ্য টাইকো ব্রাহেকে জ্যোতির্মণ্ডলের পর্যবেক্ষণ ও গবেষণায় আকৃষ্ট করে। ব্রাহের পূর্বে যেখানে অন্তরীক্ষের তারকামণ্ডলীকে এ্যারিস্টটলীয় তত্ত্ব অনুযায়ী অপরিবর্তনীয় মনে

ফ্রান্সিস হারবার্ট ব্রাডলে ছিলেন ঊনবিংশ ও বিংশ শতকের ব্রিটিশ ভাববাদী দার্শনিক

ফ্রান্সিস হারবার্ট ব্রাডলে (ইংরেজি: Francis Herbert Bradley; ৩০ জানুয়ারি ১৮৪৬-১৮ সেপ্টেম্বর ১৯২৪) ছিলেন ঊনবিংশ ও বিংশ শতকের ব্রিটিশ ভাববাদী দার্শনিক। ব্রাডলের ‘এ্যাপিয়ারেন্স এ্যাণ্ড রিয়ালিটি’ বা ‘প্রকার ও সত্তা’ একখানি বিখ্যাত দার্শনিক গ্রন্থ। রাষ্ট্রচিন্তার ক্ষেত্রেও ব্রাডলে একজন উল্লেখযোগ্য চিন্তাবিদ। উল্লিখিত কালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন অধ্যাপক, যেমন কেয়ারড (১৮৩৫-১৯০৮), টমাস হিল গ্রিন (১৮৩৬-১৮৮২), বারনার্ড বোসানকোয়েট (১৮৪৮-১৯২৩) এঁরা ‘অক্সফোর্ড

জাঁ বোদা ছিলেন ষোড়শ শতাব্দীর বিখ্যাত ফরাসি রাষ্ট্রচিন্তাবিদ

জ্যাঁ বোদা বা জাঁ বোদা বা বোদিন (ইংরেজি: Jean Bodin; ১৫৩০-১৫৯৬ খ্রি.) ষোড়শ শতাব্দীর বিখ্যাত ফরাসি রাষ্ট্রচিন্তাবিদ। তাঁর রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের তত্ত্ব বিশেষ আলোচিত তত্ত্ব। ষোড়শ শতাব্দীতে ফরাসিদেশ যখন শক্তিসঞ্চার করতে থাকে, এবং একটি কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থা বিকাশলাভ করে, জাঁ বোদার সার্বভৌমিক তত্ত্ব তখন রাজার একচ্ছত্র শাসনের অধিকারকে জোরদার করে। বোদা রাষ্ট্রের উৎপত্তির প্রশ্নে পরিবারকে মূল বলে গণ্য করেন। আদিতে

Top