You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন

মোনাডতত্ত্ব কাকে বলে?

গ্রিক শব্দ ‘মোনাস’ হতে ‘মোনাড’। ‘মোনাস’ এর অর্থ একক। প্রাচীন গ্রিক দর্শনের পাইথাগোরীয় ধারার চিন্তাবিদগণ মোনাস বা মোনাড তত্ত্ব (ইংরেজি: Monadology) ব্যবহার করেছেন। তাঁদের কাছে মোনাড হচ্ছে গাণিতিক একক এবং এই গাণিতিক একক হচ্ছে বিশ্বের মূল একক। সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বচরাচর সৃষ্টি হয়েছে। আধুনিক ইউরোপীয় দর্শনে ‘মোনাড’ পদের বিশেষ ব্যবহার

পার্থেনিয়াম বা গাজর ঘাস ক্ষতিকর আগ্রাসি উদ্ভিদ

ভূমিকা: বাংলাদেশ এবং ভারতে গত দশ বছরে ছড়িয়ে পড়া একটি উদ্ভিদ পার্থেনিয়াম। এটি এক ধরনের বিষাক্ত আগাছা, যা মানুষ ও প্রাণীদের নানা ক্ষতি করে। বিবরণ: গাজর ঘাস পার্থেনিয়াম গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Parthenium Hysterophorus. এই বিষাক্ত উদ্ভিদটি সাধারণত উচ্চতায় ১ থেকে ১.৫ মিটার পর্যন্ত

জন স্টুয়ার্ট মিল উনিশ শতকের ইংল্যান্ডের দার্শনিক, যুক্তিবিদ এবং অর্থনীতিবিদ

জন স্টুয়ার্ট মিল (ইংরেজি: John Stuart Mill) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের ইংল্যান্ডের প্রখ্যাত দার্শনিক, যুক্তিবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং নীতিশাস্ত্রবেত্তা। তাঁর গ্রন্থসমূহের মধ্যে ‘সিসটেম অব লজিক’, ‘প্রিন্সিপ্যালস অব পলিটিক্যাল ইকোনমি’ ‘অন লিবার্টি’ ‘রিপ্রেজেন্টিটিভ গভর্নমেন্ট’ এবং ‘ইউটেলিটারিয়ানিজম’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দর্শনের ক্ষেত্রে স্টুয়ার্ট মিলের মধ্যে হিউম, বার্কলে এবং কোঁতের প্রভাবের পরিচয় পাওয়া যায়। ভাববাদ এবং বস্তুবাদকে দর্শনের ক্ষেত্রে দুই বিপরীত প্রান্ত হিসেবে মনে

মেনসিয়াস ছিলেন কনফুসিয়াসের অন্যতম অনুসারী যাকে দ্বিতীয় ঋষি বলা হয়

মেনসিয়াস বা মেং জি বা মেং জু (ইংরেজি: Mencius) ছিলেন কনফুসিয়াসের অন্যতম অনুসারী যাকে দ্বিতীয় ঋষি বলা হয়। মেনসিয়াস ভাববাদী ছিলেন। তাঁর অভিমতে জ্ঞানের শুরু যুক্তি বা প্রজ্ঞায়, ইন্দ্রিয়লব্ধ অভিজ্ঞতায় নয়। মানুষের চরিত্র মূলত উত্তম। মানুষ জন্মগতভাবে মহৎ। কারণ মানুষের মহত্বের মূল হচ্ছে ঈশ্বরের মহত্ত্ব। ভাববাদী হলেও তৎকালীন সামাজিক রাজনীতিক

দূর কোন পরবাসে তুমি চলে যাইবা রে

দূর কোন পরবাসে তুমি চলে যাইবা রে বন্ধু রে, কবে আইবা রে।। এ পোড়া কপাল সোনার কাঁকন হানি ফাগুন আমার হইবে বিফল জানি— দূর কোন পরবাসে তুমি চলে যাইবা রে।। পদ্মপাতায় রাতের শিশির সম যাইবে শুকায়ে হায় রে পিরিতি মম। দূর কোন পরবাসে তুমি চলে যাইবা রে। তুমি ফিরে এলে আমার কবরী খুলি’ দিব যে মুছায়ে তোমারই পায়ের ধূলি— দূর কোন পরবাসে

পথ চেয়ে রব আমি পথ চেয়ে রব,

পথ চেয়ে রব আমি পথ চেয়ে রব, পদধূলি হব, আমি পথ চেয়ে রব। আজও খেলে বনছায়া বাতাসেরই সুরে, আধো চাঁদে জাগে মায়া আছ কেন দূরে— একী খেলা তব বলো একী, তবু রব, আমি পথ চেয়ে রব। ওগো মালবিকা এখনি যেও না ঝরে— বলো কেন ব্যথা দেবে মোরে, মালবিকা গো। আলো ভেবে ভুলে যেন ছায়া বুকে বাঁধি, দূরে থেকে কেন মোরে

মালাখানি ছিল হাতে ঝরে তবু ঝরে নাই

মালাখানি ছিল হাতে ঝরে তবু ঝরে নাই, বিদায়ের ব্যথা লয়ে জলে আঁখি ভরে নাই। যদি গো শুকাল ফুল তবু সে তো নহে ভুল— ছিল মোর অপরাধ, ক্ষমা সে তো করে নাই।। খেলা হল অবসান মন নাহি ভোলে গো, ফাগুনের মতো হায় সেও গেছে চলে গো।। বাঁশি আজ কেঁদে কয় তবু সে তো দূরে নয়— বালুচরে মোর প্রেম খেলাঘর গড়ে নাই।। কথা

বাজে না বাঁশি গো

বাজে না বাঁশি গো, ফুলের বাসরে জাগে না হাসি গো। আকাশে নাই চাঁদে মধু জ্যোছনা, দূরেই রহিল সেই মৃগলোচনা, তাই নীরব নয়নধারে আমি ভাসি গো।। আজি এই মায়াভরা মধু নিশীথে বধূর মনে মন চায় মিশিতে। মালাখানি হল যে গো ফুল ঝরানো, জীবনে সবই যেন ভুলে ভরানো— সে প্রিয় হল কেন পরবাসী গো।। কথা : গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুর : শিল্পী শিল্পী: শচীন দেববর্মণ

Top