Main Menu

বাংলার লোকসংগীত — তপন রায়

বেশিরভাগ ঐতিহাসিক সংগীতের সৃষ্টিকাল বলতে বৈদিক যুগকেই মনে করে থাকেন। চার বেদের মধ্যে ‘সামবেদ’-কেই ভারতীয় সংগীতের উৎসরূপে ধরা হয়। কিন্তু বৈদিক যুগের শুরু ‘ঋকবেদ’ থেকে সাম’ শব্দের অর্থ সুর বা সুমিষ্ট স্বর। ঋকছন্দের ওপর সুর সংযোজন করে সামগানের বিকাশ। তাই স্বরযুক্ত ঝক বা সামের সমষ্টিই হলো ‘সামবেদ’। ‘সামবেদ’ বা সাম-সংহিতা মোটামুটি দু’ভাগে বিভক্ত। প্রথম ও ছোটো ভাগটির নাম ‘আর্চিক’। দ্বিতীয় ভাগটির নাম ‘স্তোভিক। স্তোভ অর্থে প্রশংসা করা, অর্থাৎ দেবতা বা ঋষিদের উদ্দেশে প্রশংসাসূচক গানই স্তোভ। গ্রামগেয়, অরণ্যগেয়, উহ্য এবং উহ (রহস্যগান) এই চারটি গানভাগকে নিয়ে সামগানের গাথা গান বা সংগীতাংশ রচিত। গ্রামগেয় বা গ্রামেগেয় গানই আদি বা মূল গান। মনে করা হয় এই গ্রামগেয় গান থেকেই বৈদিকোত্তর গান্ধর্ব গান বা মার্গ ও মার্গ থেকে ক্রমশ ক্ল্যাসিকাল—অভিজাত দেশীগানের সৃষ্টি হয়েছে। উহ্য বা উহ গান এই গ্রামগেহ গান থেকেই সৃষ্টি হত। অরণ্যগেয় গান অরণ্যবাসী ঋতিক ও সামগদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল। আর গ্রামগেয় বা গ্রামেগেয় গান নির্দিষ্ট ছিল। গৃহবাসী গোষ্ঠী বা সাধারণ শ্রেয়কামীদের জন্য।

বিভিন্ন বেদের অনেকগুলি করে শাখা। পৃথক পৃথক শাখার সামগরা পৃথক পৃথক স্বরে সামগান করত। তাদের গানের প্রকৃতি ও শ্রেণির মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ হত স্বরসংখ্যার প্রয়োগে । কেননা কেউ পাঁচ স্বরে, কেউ বা ছয় আবার কেউবা সাত স্বরে সামগান গাইত। আদিম ও অনুর্বর যুগে এক, দুই বা তিন স্বরযুক্ত গানের প্রচলন ছিল। সামিকযুগের গান ছিল মাত্র তিনটি স্বর যোগে। আর্চিকযুগে ছিল একটি মাত্র স্বরের ব্যবহার। এইভাবে ক্রমশ বৌদ্ধিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এক, দুই বা তিন স্বর থেকে বৈদিক যুগে সাত স্বরের সৃষ্টি হয়েছিল। এই সাতটি স্বর হল—প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, মন্দ্র, ক্রষ্ট, ও অতিস্বার। তবে এই সাত স্বরের বিকাশের সময় সম্বন্ধে অনেক মতবাদ আছে। সামগানে প্রকৃতি ও বিকৃতি স্বরের ব্যবহার ছিল। প্রকৃতি বলতে প্রধান ও বিকৃতি বলতে অনুষঙ্গী। বিকৃতি স্বর ছিল অনেকটা খ্রিষ্টীয় শতাব্দীর শ্রুতিস্বরের মতো। কিন্তু কোমল নয়। সামিকযুগে ব্যবহৃত তিনটি স্বরকে—উদাত্ত, অনুদাত্ত, স্বরিত—এই নামে চিহ্নিত করা হত। উদাত্ত ছিল সর্বোচ্চস্বর এবং অনুদাত্ত নিচু। কিন্তু স্বরিত স্বরটির স্থান নিয়ে মতান্তর দেখা যায়। সংগীতজ্ঞানীরা বলেন এই উদাত্ত, অনুদাত্ত ও স্বরিতের মধ্যেই সাতটি স্বরের সময় পাওয়া যায়। যেমন—উদাত্ত স্বরের অন্তর্গত ছিল গান্ধার ও নিষাদ (গা’ ও ‘নি’), অনুদাত্ত স্বরের অন্তর্গত ছিল ঋষভ ও ধৈবত (রে’ ও ‘ধা’) এবং স্বরিত স্বরের অন্তর্গত ছিল ষড়জ, মধ্যম ও পঞ্চম (সা’, ‘মা’ ও ‘পা’)।

এই সাতস্বরের সন্ধান পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় সংগীতের বিভিন্ন ধারার ক্রমবিকাশ আমরা লক্ষ করতে পারি । গ্রামগেয় বা গ্রামেগেয়; সামগানের এই রূপটি থেকেই স্বাভাবিকভাবেই আমরা অনুমান করে নিতে পারি যে উক্ত রূপটির ক্রমঃপরিবর্তিত ধারাটি গ্রাম্যগীতি বা গ্রামীণগীতি। যা একসময় পল্লীগীতি হিসেবেও বেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। একাধিক গ্রামীণ গান পরবর্তীকালে রেকর্ডের মাধ্যমে প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনমানসের কাছ থেকে উঠে আসে আধা শহুরে বা শহুরে জনমানসে। শুধু রেকর্ডের মাধ্যমেই বা কেন বলি, আকাশবাণীর মাধ্যমেও এই গান সর্বত্র ছড়িয়ে পড়তে থাকে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এইভাবে এক অঞ্চলের গানের স্বাদ গ্রহণ করতে পারে অন্য অঞ্চলের মানুষ খুব সহজেই। যা আগে কখনোই এভাবে সম্ভব হয়ে ওঠে নি।

গ্রাম শহরের মানুষের সাথে গ্রামীণ গানের যোগাযোগের পথেই গ্রামীণ গীতি নিয়ে ভাবনাচিন্তার বিকাশ ঘটতে শুরু হয়ে যায় এবং তাতে গ্রাম্যগীতি বা পল্লীগীতির বিস্তারলাভ ঘটতে থাকে দিনের পর দিন। আর এই গানের সীমানা ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত শিল্পীর কণ্ঠ কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করেছিল তাঁদের মধ্যে—আব্বাসউদ্দীন, নায়েব আলী, গিরীন চক্রবর্তী, গৌরী কেদার চক্রবর্তী, অনন্তবালা, সুরেন চক্রবর্তী, মিস্ হরিমতিসহ আরো অনেক অনেক শিল্পীর অবদান আমরা কখনোই ভুলতে পারি না। পল্লীবাংলার বিভিন্নধারার প্রচলিত গান উঠে আসে জনসমক্ষে যা আজও আমাদের মনকে নাড়া দিয়ে যায়। বিশেষ করে তার কথার সরলতা এবং সুরের সাবলীলতা গ্রাম থেকে শহুরে মানুষের মন ছুঁয়ে যায় খুব তাড়াতাড়ি। যার ফলস্বরূপ আমরা বড়ো জায়গায় বা উচ্চশিক্ষিত সমাজে গ্রামীণগীতি বা পল্লীগীতিকে প্রতিষ্ঠা পেতে দেখি। এর ফলে শিক্ষিত সমাজ পল্লীগানের অনুরাগী হয়ে ওঠেন বিশেষভাবে। এমন কি সেই ভূমিকায় আমরা রবীন্দ্রনাথকে আবিষ্কার করতেও ভুল করি না। পল্লীসংগীতের অনুরাগী হয়ে তিনি বলেই ফেললেন—নিঃসংশয়ে জানি বাউলগানে একটা অকৃত্রিম বিশিষ্টতা আছে, যা চিরকেলে আধুনিক। রবীন্দ্রনাথের এই ভাবনার প্রকাশ আমরা অবশ্যই পরবর্তীকালে দেখতে পাই গ্রাম্যগীতি বা পল্লীগীতিতে। এই সময় থেকেই আস্তে আস্তে গ্রাম্যগীতি বা পল্লীগীতি কথাটাই বা এর আবেগটাই হারিয়ে যেতে বসে। আমরা নতুন এক সংজ্ঞা নির্ধারণ করে ফেলি এই গানগুলোর ক্ষেত্রে। এই সময় থেকেই শুরু হয় এই গ্রামীণ ঐতিহ্যের ক্রমন্বয় আধুনিকরণ।

গ্রাম্যগীতি বা পল্লীগীতি থেকে এবার এই সংগীত ধারার নামকরণ হলো লোকসংগীত। আর দ্রুত এই নাম শহর থেকে গ্রাম গ্রামান্তরে ছড়িয়ে পড়ল খুব অল্প সময়ের মধ্যে। যতটা কঠিন পথ ধরে গ্রামীণ এই ঐতিহ্য শহরের বা আধা শহরের জনমানসে উঠে এল ততটাই সহজ পথ বেয়ে লোকসংগীত শব্দটা বিস্তার লাভ করল। তাতে সমগ্র বাংলার ঐতিহ্যলালিত এই গানের কোনো মূল পরিবর্তন না ঘটলেও মানগত বা গুণগত পরিবর্তন শুরু হয়ে গেল। প্রসঙ্গক্রমে বলি—১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে বহু মত বিনিময়ের পর আন্তর্জাতিক লোকসংগীত পরিষদ বা International Folk Music Council-Folk Song (যার বাংলারূপ লোকসংগীত) শব্দটির আমদানি ঘটায়। তিনটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তারা এর সংজ্ঞা নিরূপণ করেন। সেগুলো হলো ঐতিহ্য, উদ্ভাবন ও নির্বাচন। ইংরাজিতে Continuity, Variation ও Selection। এই তিনটি বিষয়কে বিশ্লেষণ করলে এই দাড়ায় যে—Continuity অর্থাৎ ধারাবাহিকতার সঙ্গে ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টি জরুরি, Varation অর্থাৎ বৈচিত্র্যের মূল বিষয় হচ্ছে উদ্ভাবন এবং Selection শব্দের সঙ্গে গ্রামীণ জনমানসের গ্রহণ করার প্রশ্নটি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পেয়ে যায় ।

Folk Song বা লোকসংগীতের এই সংজ্ঞা নির্ধারিত হবার পর তা দ্রুতগতিতে সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের দেশে বিশেষ করে ভারতবর্ষে তখনকার সময় সব থেকে শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম আকাশবাণীর একান্ত চেষ্টায় এই Folk Song বা লোকসংগীত ক্যাপশানটি শহর থেকে গ্রাম গ্রামান্তরে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ে। খুবই অবাক হতে হয়, যে গ্রামীণ মানুষের মুখে এতদিন পল্লীগীতি, গ্রাম্যগীতি শব্দটি ছিল এক নিজস্ব অনুভূতির প্রকাশ—তা অতি সহজেই তাঁরা ত্যাগ করে মুখে তুলে নিলেন Folk Song, বা লোকসংগীত শব্দটি। আকাশবাণীসহ কিছু কিছু রেকর্ড কোম্পানি গ্রামের এই ধারাকে Folk Song বা লোকসংগীত লেভেল দিয়ে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরতে কোনো রকম আর রাখঢাক রাখল না। গ্রামীণ ঐতিহ্যের বিভিন্ন ধারার গান যেমন লোকসংগীত ক্যাপশানে বের হতে শুরু করল তেমনি পাশাপাশি শুরু হয়ে গেল শহুরে বা আধাশহুরে জনজীবনে বেড়ে ওঠা মানুষদের লেখা কিছু গান—যা লোকসংগীত নামেই প্রচার করানোর চেষ্টা। অবশ্যই গ্রামীণ সুরকে আশ্রয় করে, কখনো সখনো গ্রামীণ ভাবধারার প্রকাশ কথাতেও। সংজ্ঞা নিরূপণ যাই-ই হোক; আমাদের একান্ত গ্রামীণ অনুভূতির সুপ্রাচীন ঐতিহ্য আস্তে আস্তে ঘরমুখী হতে শুরু করল এর ফলে।

আমাদের দেশীয় লোকসংগীতের মধ্যে বাংলা লোকসংগীতের যতগুলো ধারা আছে সেগুলোকে মূলত চারটি অঞ্চলভেদে ভাগ করা যায়। যেমন-পূর্বাঞ্চল বা পূর্ববঙ্গ, উত্তরাঞ্চল বা উত্তরবঙ্গ, পশ্চিমাঞ্চল বা পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণাঞ্চল বা দক্ষিণ বঙ্গ। পূর্বাঞ্চল বা পূর্ববঙ্গের ধারাগুলোর মধ্যে মূল ধারাটি হলো ভাটিয়ালি। তাছাড়াও সারি, জারি, ধামাইল, বিয়ের গান, মাইজভাণ্ডারী, মুর্শিদি, মারফতি, মালসী খাটু, গোষ্ঠের গান, কুঞ্জভঙ্গ, প্রভাতী, গীতিকা, পালাগান, আগমনী, বিজয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে পূর্ববঙ্গের সব গানের মধ্যে যে সুর মূলত আমরা পাই তা হল ভাটিয়ালি সুর।

উত্তরাঞ্চল বা উত্তরবঙ্গের ধারাগুলোর প্রধান ধারাটি ভাওয়াইয়া। এছাড়াও এই অঞ্চলে আমরা পাই—চটকা, ক্ষিরোল, দীঘলনাশা, পালাগান, জাগগান, মনসার গান, রাজবংশী সম্প্রদায়ের নিজস্ব কিছু আচার অনুষ্ঠানমূলক গান ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে পূর্ববঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের গানের মধ্যে সুরগত তেমন তফাৎ আমরা পাই না। উত্তরবঙ্গেও ভাটিয়ালি সুরের প্রচলন অনস্বীকার্য। এই অঞ্চলের গান সুরের আকুতি ফুটিয়ে তোলার জন্য ভাটিয়ালির মতো উচ্চগ্রামে গাওয়া হয় না। ভাটিয়ালিতে ব্যবহৃত খাম্বাজ রাগের ব্যবহার এই অঞ্চলের গানে আমরা দেখতে পাই কিন্তু তা কোমল নিষাদ স্বরটি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। তাই এই অঞ্চলের অধিকাংশ গান মধ্যমকে জান করে বা মধ্যমকে সা’ করে পরিবেশন করা হয়ে থাকে—কথা ও সুরের আকুতিকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য। তাই উত্তরাঞ্চলের গানে মাঝ খাম্বাজের ব্যবহার লক্ষণীয়।

পশ্চিমাঞ্চল বা পশ্চিমবঙ্গের ধারাগুলোর মধ্যে মূল ধারাটি হল ঝুমুর। তাছাড়াও ভাদু, টুসু, রাঢ়ের বাউল, কুর্মি গান, হাপু গান, খন গান, ছড়া গান, এই অঞ্চলের বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিয়ের গান, মুসলিম বিয়ের গান ইত্যাদি ইত্যাদি। এই অঞ্চলের সব ধারার গানের মধ্যে আমরা খুঁজে পাই ঝুমুর সুরের একটা নিজস্বতা।

দক্ষিণাঞ্চল বা দক্ষিণবঙ্গের ধারাগুলোর মধ্যে মূলধারাটি—বনবিবির গান। এছাড়াও দক্ষিণ রায়ের গান, দাশু রায়ের গান, অষ্টক গান, দুখে কাহিনী, দক্ষিণবঙ্গের ভাটিয়ালি গান ইত্যাদি ইত্যাদি। এই অঞ্চলের গানের কথার মধ্যে অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য থাকলেও সুরের কোনো নিজস্বতা আমরা পাই না। এই অঞ্চলের সব গানের সুরের মধ্যে আমরা পূর্ববঙ্গের ভাটিয়ালি সুরের সরাসরি প্রভাব বেশি লক্ষ করতে পারি। মাঝে মাঝে পশ্চিমাঞ্চলের সুরও আশ্রয় নিয়েছে।

সমগ্র পৃথিবীর লোকসংগীতের দিকে তাকালে আমরা সুরগত একটা মিল কোথায় যেন খুঁজে পাই। যেমন আমার শোনা কিছু পাশ্চাত্যের বা মধ্যপ্রাচ্যের লোকসংগীতের মধ্যে আমাদের ভাটিয়ালি সুরের এবং ঝুমুর শৈলীর সুরের একটা মিল খুঁজে পাই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের লোকসংগীত নিয়ে যে সমস্ত মানুষ দিনের পর দিন কাজ করে চলেছেন তাঁরা অনেকেই যা মত প্রকাশ করেন তা থেকে আমাদের বুঝে নিতে অসুবিধে হয় না যে লোকসংগীতের সুরের ক্ষেত্রে হয়ত আমরা একসূত্রে কোথায় যেন বাধা। ভাষাগত মিল কতটা বা ভাবগত মিল কতটা পাওয়া যায় তা নিশ্চিতভাবে জোর দিয়ে বলতে না পারলেও, ভাষা বিজ্ঞানীরা সেটা বলতে পারবেন এবং সেটা এই সময়ে ভীষণ জরুরিও বটে। তবে সুরগত বা স্বরগত মিলের একটা বড় কারণ কারোর কারোর মনে হয় সেই সাতস্বর। এই সাতস্বরের মধ্যেই লুকিয়ে আছে বা বাধা আছে প্রতিটি গানের সুরের প্রাণ ভ্রমরাটি। তা সে যে দেশেরই হোক না কেন। কারণ যে কোনো সুরকে ব্যাকরণগতভাবে গানে রূপ দিতে গেলেই আশ্রয় করতে হবে এই স্বরমলীকে। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই এই সৃষ্টির একটা সুরগত মেলবন্ধন ঘটবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না।

তথ্যসূত্র:

১. সুধীর চক্রবর্তী; বুদ্ধিজীবীর নোটবই, নবযুগ প্রকাশনী, বাংলাবাজার, ঢাকা, প্রথম সংস্করণ ফেব্রুয়ারি ২০১০, পৃষ্ঠা, ৬০০-৬০৩।[ঈষৎ পরিবর্তিত]

আরো পড়ুন






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *