You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > শিল্প > সঙ্গীত > জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল।
মুখপানে যার কভু চাওনি ফিরে, কেন তারি লাগি আঁখি অশ্রু ব্যাকুল
মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল জীবনে যারে কভু দাওনি মালা?

চিরদিন যারে তুমি দিয়েছো হেলা, হৃদয় লয়ে শুধু খেলোছো খেলা
বিরহে তারি আজি বলো গো কেন, শুন্য লাগে এই ধরণী বিপুল
মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল, জীবনে যারে কভু দাওনি মালা।

আমিতো ছিলাম প্রিয় তোমারই কাছে, সেই বকুল তলে সেই চাঁদিনী রাতে
সেদিন কেন দিলেনাকো হায় যে মালাখানি ছিল তোমারই হাতে
মোর যত প্রেম মোর যত গান, চায়নিতো কভু কোনো প্রতিদান
আমি চিরতরে হায় যবে নিলাম বিদায়
তুমি বুঝেবি কি গো তব হৃদয়েরও ভুল, মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল।।

টিকা: গানটির সুর করেছিলেন হিমাংশু দত্ত এবং শিল্পী ছিলেন অনুপ ঘোষাল

অজয় ভট্টাচার্য
একজন বিখ্যাত বাঙালি আধুনিক রোমান্টিক গানের গীতিকার ও কবি অজয় ভট্টাচার্য (জুলাই, ১৯০৬ - ২৪শে ডিসেম্বর, ১৯৪৩)  বাঙালি মধ্যবিত্তের প্রেম, আশা আর মনোবেদনার কানাগলিতে বিশ শতকের প্রথমার্ধে বিচরণ করেছেন। হিমাংশু দত্ত সুরসাগরের সুরে তাঁর লেখা গান চল্লিশ দশকের কলকাতার সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে বিপুল সাড়া জাগায়। বাংলা সবাক চলচ্চিত্রের শুরু থেকেই তাঁর লেখা গান রাইচাঁদ বড়াল, পঙ্কজ মল্লিক, শচীন দেববর্মণ ও অনুপম ঘটকের সুরে সারা দেশে বারে বারে উচ্চকিত হয়ে ওঠে। বাংলা গানে, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরে অজয় ভট্টাচার্য্য সব থেকে বেশি গানের কলি লিখেছেন।

Leave a Reply

Top