আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Author: Anup Sadi

মানসিক ও দৈহিক শ্রমের মধ্যেকার বিরোধ প্রসঙ্গে

শ্রমের বিভাগ কথাটি আজ অত্যান্ত সুপরিচিত। শ্রমের ক্ষেত্রে মানসিক ও দৈহিক শ্রমের বিভাগটিও পরিচিত। কিন্তু সভ্যতার আদিতে শ্রমের কোনোরূপ বিভাগই ছিল না। অনুন্নত অবস্থায় জীবন রক্ষার্থে প্রত্যেক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় সমস্ত শ্রমই করতে হতো। কিন্তু প্রকৃতিকে অধিকতর পরিমাণে বশ করার প্রয়োজনে মানুষ একদিন শ্রম বিভাগের আবশ্যকতা বোধ করল। দৈহিক শ্রমের ক্ষেত্রে

নারীর মর্যাদা, নারীর লড়াই এবং নারীমুক্তি প্রসঙ্গে

বাংলাদেশের উচ্চবিত্ত নারীরা কথা বলতে শিখেছে, তারা আর অবলা নয়। তারা টিশার্ট পরে লোকাল বাসে উঠে চোখে সানগ্লাস পরে পোজ দেয়। যদি বলা হয়, একটু মিছিলে চলেন তবে এসব নারীর ভড়ং কোথায় উবে যাবে। নারী মুক্তির লড়াইটি নিশ্চয় টিশার্ট আর চোখে সানগ্লাস পরে পোজ দেয়ার লড়াই ছিলো না আমাদের পূর্বসুরীদের কাছে। আরো পড়ুন

প্রতি-বিশ্লেষণ কাকে বলে?

বস্তুজগতে নিত্যপ্রবাহিত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক হচ্ছে প্রতি-বিশ্লেষণ বা প্রতিশক্তি বা প্রতিনয় বা বিরোধের (ইংরেজি: Anti-thesis) সম্পর্ক। বিরোধ হচ্ছে বস্তজগতের গতির মূল নিয়ামক। বিরোধ বা দ্বন্দ্বের মাধ্যমে বস্তজগতের বিকাশকে সাধারণত ইংরেজিতে থিসিস (ইংরেজি: Thesis), এ্যাণ্টিথিসিস এবং সিনথেসিস (ইংরেজি: Synthesis)-রূপে প্রকাশ করা হয়। আরো পড়ুন

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের এ্যান্টি-ডুরিং বই প্রসঙ্গে

দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসের একখানি গ্রন্থের প্রচলিত মান হচ্ছে ‘এ্যান্টি-ডুরিং’। আসলে এঙ্গেলসের গ্রন্থখানির মূল নাম হচ্ছে ‘হার ইউজেন ডুরিংস রিভোল্যুশন ইন সায়েন্স’ বা ‘হর ইউজেন ডুরিংকৃত বিজ্ঞানে বিপ্লব’। নামটির মধ্যে একটি ব্যঙ্গাত্মক সুর আছে। কারণ ডুরিং নামক সমকালীন এক লেখক মাকর্সবাদের ভূল ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন। তাঁর সেই ভূল ব্যাখ্যার সমালোচনা হিসাবে এঙ্গেলস ১৮৭৬ সালে ধারাবহিক প্রবন্ধ লিখতে শুরু করেন। আরো পড়ুন

সদাগরি অফিস

গঙ্গা কইতরও ওড়ে, জলের ভেতরে নড়ে ছোট ডানকিনা, একদিকে সমুদ্র আর অন্যদিকে বাবুর আঙিনা, সাহায্য করেছ বাবু, মুক্তিযুদ্ধে নিয়েছ দক্ষিণা, তাই, আজ চাও পুরো জলাভূমি, জলাবনের মালিকানা,/ পাখনায় লেগেছে আঘাত, চাবুকও বসেছে বুঝি হৃদ পাথারে, একটু হাঁড়ির ভাত, দুই ধর্মে ভাগাভাগি করে, খেয়েছিলে কোনকালে! তারপর কত দিন চলে গেছে আধিপত্যের হল্লাবোলে, আরো পড়ুন

আপোষহীন এবং আপোষমূলক বিরোধ কাকে বলে?

সমাজের ক্রমবিকাশের ব্যাখ্যায় মাকর্সবাদীগণ আপোষহীন এবং আপোষমূলক বিরোধ (ইংরেজি: Antagonistic and Non-Antagonistic Contradiction) কথা দুটি ব্যবহার করেন। মাকর্সবাদ তথা দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মতে বিরোধী শক্তির সংঘাতের মাধ্যমেই সমাজ বিকাশ লাভ করে, সমাজের এক স্তরের স্থানে নতুন স্তর প্রতিষ্ঠালাভ করে। বিরোধ হচ্ছে সমাজ বিকাশের প্রাণশক্তি। আরো পড়ুন

এনসেলম ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক

এনসেলম (ইংরেজি: Anselm; ১০৩৩-১১০৯ খ্রি.) ছিলেন ইংল্যাণ্ডের ধর্মতাত্ত্বিক এবং দার্শনিক। এনসেলম ধর্মের সঙ্গে যুক্তির মিলন ঘটাবার চেষ্টা করেন। তৎকালে অন্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস এবং গোঁড়ামির যে প্রবল ধারা খ্রিষ্টিয় সমাজে প্রচলিত ছিল, এনসেলম তার মধ্যে যুক্তির ভূমিকা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। যুক্তি মাত্রই ধর্মীয় বিশ্বাসকে বিনষ্ট করে-প্রচলিত এই ধারণার তিনি বিরুদ্ধতা করেন। আরো পড়ুন

সর্বপ্রাণবাদ কাকে বলে

সর্বপ্রাণবাদ বা আত্মাবাদ (ইংরেজি: Animism) হচ্ছে মানব-বিহীন সত্ত্বা যেমন প্রাণী, উদ্ভিদ এবং প্রাণহীন বস্তু বা ইন্দ্রিয়গোচর বস্তুতে আধ্যাত্মিক নির্যাস বিরাজিত থাকা। অন্য কথায়, প্রকৃতির সব কিছুকেই সপ্রাণ মনে করা, সব ক্রিয়াকলাপের পেছনে প্রাণের অস্তিত্বকে অনুভব করাই হলো সর্বপ্রাণবাদ। আত্মার নিজস্ব থাকার অভিমতকে ‘আত্মাবাদ’ বলা চলে। আরো পড়ুন

আনাক্সিমেনিস ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক

এনাক্সিমেনিস বা আনাক্সিমেনিস বা মিলেতুসের আনাক্সিমেনিস (ইংরেজি: Anaximenes; ৫৮৮-৫২৫ খ্রি. পূ.) ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। তার জীবনের বিবরণ অস্পষ্ট এবং অনথিভুক্ত কারণ তার কোনও কাজ সংরক্ষিত হয়নি। গ্রীক দর্শনশাস্ত্রের ইতিহাসে এরিস্টট্ল এবং অন্যান্য লেখকদের দ্বারা তৈরি মতামত ও মন্তব্যগুলির কারণে আনাক্সিমেনের ধারণা ও দর্শন আজকে পরিচিত। আরো পড়ুন

এনাক্সিমেণ্ডার ছিলেন গ্রিক বস্তুবাদী দার্শনিক

এনাক্সিমেণ্ডার (ইংরেজি: Anaximander; খ্রি.পূ. ৬১০-৫৪৬) ছিলেন আদি গ্রিক দার্শনিক থেলিসের শিষ্য। এনাক্সিমেণ্ডারের দর্শন বস্তুবাদী বৈশিষ্ট্যের জন্য বিখ্যাত। জীবন এবং জগৎ সম্পর্কে এনাক্সিমেণ্ডারের ব্যাখ্যা দ্বন্দ্বমূলক চরিত্রে বিশিষ্ট। বস্তুজগৎ এবং প্রাণীজগতের বিবর্তনমূলক ব্যাখ্যার আভাসও এনাক্সিমেণ্ডারের দর্শনে স্পষ্টরূপে পাওয়া যায়। আরো পড়ুন

Top