You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Author: Anup Sadi

জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জাতিসমূহের দ্বারা পরিচালিত জনগণের যুদ্ধ

জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ বা জাতীয় মুক্তির বিপ্লবসমূহ (ইংরেজি: Wars of national liberation বা national liberation revolutions) হচ্ছে জনগণের সেসব যুদ্ধ যা স্বাধীনতা অর্জনের জন্য জাতিগুলি পরিচালনা করে। বিদ্রোহী জাতীয়তার মানুষেরা পৃথক সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বিদেশী শক্তির বিরুদ্ধে বা কমপক্ষে যাদেরকে বিদেশী হিসাবে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে এই শব্দটি যুদ্ধের সাথে

লেনিনবাদী মতে যুদ্ধ হচ্ছে অন্যভাবে বলতে গেলে সহিংস উপায়ে রাজনীতির ধারাবাহিকতা

সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ

লেনিনবাদী মতে যুদ্ধ হচ্ছে অন্যভাবে বলতে গেলে সহিংস উপায়ে রাজনীতির ধারাবাহিকতা। ভি আই লেনিন এবং মাও সেতুং যুদ্ধকে বলেছেন রাজনীতির বর্ধিত রূপ।[১]; লেনিন তাঁর সমাজতন্ত্র ও যুদ্ধ পুস্তিকায় যুদ্ধ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি উক্ত পুস্তিকায় কার্ল ভন ক্লজউইৎজের প্রবাদ বাক্যটিকে উল্লেখ করেন। মূলত ক্লজউইৎজের

অর্থনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব যুদ্ধকে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্রমবিকাশ হিসাবে দেখে

অর্থনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব (ইংরেজি: Economic war theory) যুদ্ধকে প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্রমবিকাশ হিসাবে দেখে থাকে। যুদ্ধের অর্থনৈতিক কারণের উপর অনেকেই জোর দিয়েছেন কিন্তু অর্থনীতি কীভাবে যুদ্ধের অবস্থা সৃষ্টি করে সেই সম্বন্ধে তাঁরা একমত হতে পারেন নি। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনের উদ্দেশ্যে অনেক সময় বিভিন্ন রাষ্ট্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। মাঞ্চুরিয়ার

শ্রমিক শ্রেণি ও শ্রমিক শ্রেণির পার্টি – জোসেফ স্তালিন

‘রাশিয়া এক এবং অবিভাজ্য’ যখন লোকে জোর গলায় এ কথা বলতো সেদিন চলে গেছে। আজ একটি শিশুও জানে এক এবং অবিভাজ্য রাশিয়া বলে কিছু নেই, অনেক আগেই রাশিয়া ভাগ হয়ে গেছে- বুজোয়া ও শ্রমিক এই দুটি বিরোধী শ্রেণিতে। আজ আর এ কথাটি গোপন নেই যে, এই দুটি শ্রেণির সংঘর্ষকে কেন্দ্র করেই আমাদের বর্তমান জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। আরো পড়ুন

রাজনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব যুদ্ধ সংঘটনের কারণ হিসেবে মানুষের রাজনৈতিক কার্যকলাপকে দায়ী করে

রাজনৈতিক যুদ্ধতত্ত্ব বা যুদ্ধের রাজনৈতিক তত্ত্ব (ইংরেজি: Political theory of war) হচ্ছে সেই যুদ্ধ তত্ত্ব যাতে যুদ্ধ সংঘটনের কারণ হিসেবে মানুষের রাজনৈতিক কার্যকলাপ ও রাজনৈতিক মতবাদের সংঘাতকে দায়ী করা হয়। স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য অথবা অর্জন করার জন্য অনেক দেশ যুদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। সাম্রাজ্য স্থাপন এবং জাতীয় শক্তি

মনোবৈজ্ঞানিক যুদ্ধতত্ত্ব মানুষের সহজাত আক্রমণাত্মক প্রবণতাকে যুদ্ধের কারণ হিসেবে বলে

মনোবৈজ্ঞানিক যুদ্ধতত্ত্ব (ইংরেজি: Psychoanalytic theory of war) হচ্ছে সেই যুদ্ধ তত্ত্ব যাতে যুদ্ধ সংঘটনের কারণ হিসেবে মানুষের সহজাত আক্রমণাত্মক প্রবণতাকে দায়ী করা হয়। এই মতের সমর্থক চিন্তাবিদেরা বলার চেষ্টা করেন যে মানুষ সহজাতভাবেই হিংস্র, মানব প্রকৃতির মধ্যেই রয়েছে যুদ্ধের কারণ অথবা তারা বলেন যে মানুষ জন্মগতভাবেই যুদ্ধবাজ প্রাণী। মূলত পুঁজিবাদ

যুদ্ধের সমস্যা ও কারণ সংক্রান্ত আলোচনা হচ্ছে যুদ্ধের প্রেষণা তত্ত্ব সংক্রান্ত আলোচনা

যুদ্ধের সমস্যা ও কারণ (ইংরেজি: Problems and causes of war) সংক্রান্ত আলোচনা হচ্ছে যুদ্ধের প্রেষণা তত্ত্ব সংক্রান্ত আলোচনা। যুদ্ধের প্রেষণাগুলি সম্পর্কে অনেক তত্ত্ব রয়েছে, তবে কোনটি সম্পর্কেই সর্বসম্মতি সবচেয়ে সাধারণ নয়। যুদ্ধের বিভীষিকা এবং ধ্বংসাত্মক কার্যাবলী সম্বন্ধে প্রত্যেক দেশের মানুষই আজ সচেতন। যুদ্ধের ফলে কত লক্ষ লক্ষ মানুষ যে নিহত

অনিয়মিত যুদ্ধ তৎপরতা হচ্ছে রাষ্ট্র ও অ-রাষ্ট্রীয় কার্যকর্তাদের মধ্যে চালিত সহিংস লড়াই

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মতবাদে অনিয়মিত যুদ্ধ তৎপরতাকে (ইংরেজি: Irregular warfare) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে "প্রাসঙ্গিক জনগোষ্ঠীর উপরে বৈধতা ও প্রভাব বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্র ও অ-রাষ্ট্রীয় কার্যকর্তাদের মধ্যে একটি সহিংস লড়াই।" অনিয়মিত যুদ্ধের সাথে জড়িত ধারণাগুলি এ শব্দটির চেয়ে পুরানো। অনিয়মিত যুদ্ধ শব্দটির প্রথম দিকের ব্যবহারগুলির মধ্যে অন্যতম হলো প্রাক্তন নাৎসি অফিসার

যুদ্ধ ও যুদ্ধ তৎপরতার ধরন হচ্ছে মানবেতিহাসে সংঘটিত হরেক রকমের যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড

যুদ্ধ (ইংরেজি: War) ও যুদ্ধ তৎপরতা (ইংরেজি: Warfare) হচ্ছে সাধারণভাবে যুদ্ধ বা যুদ্ধগুলোর বিভিন্ন ধরণের সাধারণ ক্রিয়াকলাপ এবং বৈশিষ্ট্য। সেই অর্থে যুদ্ধের ধরন আছে বহু রকমের। স্নায়ুযুদ্ধ, উপনিবেশিক যুদ্ধ, সমুত্থান, সীমান্ত যুদ্ধ, ফল্ট লাইন যুদ্ধ, আগ্রাসন, বদলি যুদ্ধ, ব্যাপ্তি যুদ্ধ, ধর্মীয় যুদ্ধ, অঘোষিত যুদ্ধ, সমগ্র যুদ্ধ, বিশ্বযুদ্ধ, পারমাণবিক যুদ্ধ ইত্যাদি

মার্কসবাদী যুদ্ধতত্ত্ব যুদ্ধের কারণকে আপাত-আধা-অর্থনৈতিক হিসেবে উল্লেখ করে

যুদ্ধ

যুদ্ধের মার্কসবাদী তত্ত্বটি (ইংরেজি: The Marxist theory of war) যুদ্ধের কারণকে আপাত-আধা-অর্থনৈতিক হিসেবে উল্লেখ করে। এই তত্ত্ব বলে যে সমস্ত আধুনিক যুদ্ধ বড় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মধ্যে সম্পদ এবং বাজারের জন্য প্রতিযোগিতার কারণে ঘটেছিল; এবং এই মার্কসবাদী তত্ত্ব আরো দাবি করে যে এই যুদ্ধগুলি মুক্তবাজার এবং শ্রেণিব্যবস্থার একটি প্রাকৃতিক ফলাফল। আরো পড়ুন

Top