You are here
Home > Author: Dolon Prova

সুষনি ঔষধি গুণ সম্পন্ন শাক

সুষনিশাক বা সুনসুনি শাক গ্রামে অনেকের পরিচিত শাক। এই শাকের পাতা অনেক নরম ও পাতলা হয়। পাতার রং সবুজ নরম ও সরু ডাল বিশিষ্ট ঘাস বিশিষ্ট। থোকা থোকা জন্মে থাকে। একটি ডালে একটি পাতা হয়। শাক হিসাবে জনপ্রিয় এর বৈজ্ঞানিক নাম Marsilea minuta ও পরিবার  Marsileaceae. রোগ প্রতিকারে ১. শ্বাস রোগে (হাঁপানিতে):

গিমে ঔষধি গুণে ভরা শাক

গিমে শাক পরিত্যক্ত জমিতেও হয় আবার আলু, রসুন, পেঁয়াজ ইত্যাদি ক্ষেতে জন্মে থাকে। যত্ন ছাড়া এই শাক হৃষ্ট-পুষ্টভাবে বেঁচে থাকে। তবে স্যাঁতস্যাঁতে অর্থাৎ কলতলা, পুকুরপাড়ে, নালার পাশে এটি ভালো ভাবে জন্মে।  বোটানিকাল নাম Glinus oppositifolius (L.) Aug.DC. এটি Molluginaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। স্বাদে তিক্ত, কফ পিত্তাধিক্যনাশক ও রুচিকারক, আর রোগারোগ্যের ক্ষেত্রে বলা

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী বাংলার উপনিবেশবাদ বিরোধী বিপ্লবী

ক্ষীরোদাসুন্দরী চৌধুরী ১৮৮৩ সালে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইলের সুন্দাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পৈতৃক ভূমিও সেখানেই। পিতার নাম শিবসুন্দর রায় ও মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবী। তিনি ছিলেন বিপ্লবীদের মা। ময়মনসিংহের নান্দাইলের খারুয়া গ্রামের ব্রজকিশোর চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। তাঁর যখন ৩২ বা ৩৩ বছর বয়স তখন একটিমাত্র কন্যা নিয়ে তিনি বিধবা হন।

জগডুমুরের ঔষধি ব্যবহার

জগডুমুর বা যজ্ঞডুমুর গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus racemosa. এরা মোরাসি পরিবারভুক্ত ফাইকাস গণের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বৃক্ষ। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার উদ্ভিদ। এটির ফল রান্না করে এবং পাকার পরে খাওয়া যায়। দেশি রেসাস বানরের এটি প্রধান খাবার। অনেক পাখি স্তন্যপায়ী ও প্রাণীর পছন্দের খাবার। জগডুমুর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন জগডুমুর এশিয়ার অপ্রচলিত ফল

দুকড়িবালা দেবী উপনিবেশবাদ বিরোধী বাংলার বিপ্লবী

দুকড়িবালা দেবী ১৮৮৭ সালের (বাংলা ১২৯৪, ৬ শ্রাবণ) ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন বীরভূম জেলায় নলহাটি থানার ঝাউপাড়া গ্রামে। পিতা নীলমণি চট্টোপাধ্যায় এবং মা কমলকামিনী দেবী। স্বামী ছিলেন ঝাউপাড়া গ্রামেরই ফণীভূষণ চক্রবর্তী। মাসিমা নামে তিনি বিপ্লবী মহলে পরিচিতি। তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম পর্যায়ের নারী বিপ্লবীদের মধ্যে অন্যতম। ব্রিটিশ দ্বারা যেসব বিপ্লবী

চালকুমড়া বা জালিকুমড়ার ১১টি ঔষধি গুণ

চালকুমড়া বা জালিকুমড়া বাংলাদেশের জনপ্রিয় ফল জাতীয় সবজি। সংস্কৃত ভাষায় একে 'কুষ্মাণ্ড' বলা হয়। চালকুমড়া লতা বিশিষ্ট্য উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Benincasa hispida ও Cucurbitaceae পরিবারের। ঔষধি ব্যবহার:  ১. রক্তপিত্ত: রক্ত উঠলেই টি বি হয়েছে যেমন ধরে নেওয়া উচিত নয়, সেই রকম রক্ত পড়লেই অর্শ হয়েছে একথা ভাবাও সমীচীন নয়; বৈদ্যকের ভাষায়

লাউয়ের ১৬টি ঔষধি গুণ

পরিচিতি এই গাছটি বাংলাদেশ কেন, ভারতের প্রায় সর্বত্রই চাষ হয়, আমাদের নিত্য আহার্যের তরকারী হিসেবে ব্যবহারের জন্য। এটির বোটানিক্যাল নাম Lagenaria vulgaris Seringe. ফ্যামিলি Cucurbitaceae. এই অলাবুর চলতি নাম লাউ, আবার কোনো কোনো প্রদেশে ‘কন্দু'ও বলে। এই ফল আকৃতিতে ভিন্ন হলেও এর প্রজাতি (Species) ও গণে (Genus) কোনো পার্থক্য নেই, আবার

বথুয়া বা বাসতুগ শাকের ঔষধি গুণাগুণ

বথুয়া, বেতো বা বাসতুগ শাক মূলত আগাছ হিসাবে জন্মে থাকে গম, ধানের জমিতে। এটি শীত ঋতুতে জনপ্রিয় শাক। এর বৈজ্ঞানিক নাম Chenopodium album. Amaranthaceae পরিবারে অন্তর্ভুক্ত।   সুশ্রুতের মুষ্টিযোগ হলও- ১. বেতোশাকের রস ১ চা-চামচ এবং টাটকা ঘোল আধ পোয়া মিশিয়ে খেলে হিক্কা বন্ধ হয়। ২.  বেতোশাকের রস আধ পোয়া, তিল তৈল তিন

পুঁই শাকের ঔষধি গুণ

পুঁইশাক বহু লতা বিশিষ্ট ও বর্ধনশীল একটি গাছ। বাঙালির খাদ্য তালিকায় একটি জনপ্রিয় শাক পুঁই। প্রবাদে আছে-শাকের মধ্যে পুঁই, মাছের মধ্যে রুই।এর বৈজ্ঞানিক নাম Basella alba. পরিবার Basellaceae. ঔষধি ব্যবহার : ১. পুইশাক দিয়ে বার্লি রান্না করে একটু, দই মিশিয়ে খেলে, বেশি মদ খাওয়াতে যে সব দোষ জন্মে, সে সব দোষ সারাতে

কলমি শাকের ঔষধি গুণ

কলমি শাক অতি পরিচিত একটি শাক। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ও বাংলায় অনেকের প্রিয় ও পরিচিত শাক। এর ব্যাটানিক্যাল নাম Ipomoea reptans (Linn.). পরিবার Convolvulaceae. উপকারিতা: ১. আফিংয়ের বিষক্রিয়ায়:  ঢলে পড়েছে, হাতের কাছে কিছু নেই, কলমী শাকের রস করে অন্ততঃ এক ছটাক খেলে; শরীর স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ২. প্রথম বয়সের যৌবনের চাঞ্চল্যের কু-অভ্যাসে শরীর

Top