You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Author: কার্ল মার্কস

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির সাধারণ নিয়মাবলি

যেহেতু শ্রমিক শ্রেণির মুক্তি শ্রমিক শ্রেণিকেই জয় করে নিতে হবে; শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির জন্য যে সংগ্রাম, তার অর্থ শ্রেণিগত সুবিধা ও একচেটিয়া অধিকারের জন্য সংগ্রাম নয়, সমান অধিকার ও কর্তব্যের জন্য এবং সমস্ত শ্রেণি আধিপত্যের উচ্ছেদের জন্য সংগ্রাম। শ্রম করে যে মানুষ, শ্রম উপায়ের অর্থাৎ জীবনধারণের বিভিন্ন উৎসের একচেটিয়া মালিকের কাছে আরো পড়ুন

প্রুধোঁ প্রসঙ্গে

লন্ডন, ২৪ জানুয়ারি ১৮৬৫, প্রিয় মহাশয়। গতকাল আমি একটি চিঠি পেয়েছি, তাতে প্রুধোঁ সম্বন্ধে আমার কাছ থেকে একটি বিস্তারিত অভিমত আপনি চেয়েছেন। আপনার ইচ্ছা পূরণের অন্তরায় হয়েছে আমার সময় অভাব। উপরন্তু তাঁর কোনো রচনাও আমার কাছে নেই। যাই হোক, আপনাকে আমার সম্প্রীতি জানাবার জন্য তাড়াতাড়ি একটা সংক্ষিপ্ত খসড়া খাড়া করেছি। আরো পড়ুন

এঙ্গেলস সমীপে মার্কস

লণ্ডন, ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৮৫৭; … তোমার ‘ফৌজ’ চমৎকার হয়েছে। শুধু এর আয়তন দেখে আমার মাথায় যেন বজ্রাঘাত হলো। কারণ, এতখানি পরিশ্রম করা তোমার পক্ষে খুব ক্ষতিকর। যদি জানতাম যে রাত্রি জেগে কাজ করতে শুরু করবে, তাহলে বরং ব্যাপারটা চুলোয় দিতেই রাজী হতাম। উৎপাদন-শক্তি ও সমাজ-সম্পর্কের সংযোগ সম্পর্কিত আমাদের ধারণার নির্ভুলতা ফৌজের ইতিহাস থেকে যত স্পষ্ট হয়ে ওঠে আর কিছু থেকে তত নয়। আরো পড়ুন

কার্ল মার্কসের কয়েকটি উদ্ধৃতি

১. শ্রমিক শ্রেণি হয় বিপ্লবী, নয়তো কিছুই নয়। এঙ্গেলস সমীপে মার্কস, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৫; ২. যে মুহূর্তে জনগণকে আকৃষ্ট করে সেই মুহূর্তেই ঐ তত্ত্বটি বাস্তব শক্তিতে পরিণত হয়। ‘হেগেলের ফিলসফি অফ রাইট’ সম্বন্ধে আলোচনা। ৩. [প্যারিস] কমিউনের প্রথম ডিক্রিই হলো স্থায়ী সৈন্যবাহিনীর বিলোপ ও সশস্ত্র জনগণ দিয়ে তার স্থান পূরণ…। ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ; ৪. [প্যারিস] কমিউন গঠিত হয় প্যারিসের বিভিন্ন পল্লীতে সর্বজনীন ভোটে নির্বাচিত পৌর পরিষদ সভ্যদের নিয়ে। তারা ছিলো জবাবদিহিতে বাধ্য এবং যে কোনো সময়ে অপসারণীয়। স্বভাবতই তাদের অধিকাংশই ছিলো শ্রমিক, অথবা শ্রমিক শ্রেণির স্বীকৃত প্রতিনিধি… । ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ আরো পড়ুন

ভারতে অভ্যুত্থান

সিপাহী যুদ্ধ

লন্ডন ১৭ জুলাই ১৮৫৭; দিল্লি বিদ্রোহী সিপাহীদের হস্তগত ও মোগল বাদশাহ ঘোষিত হবার পর ৮ই জুন ঠিক এক মাস হলো। ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে ভারতের এই প্রাচীন রাজধানী বিদ্রোহীরা দখলে রাখতে পারবে তেমন কোনো ধারণা অবশ্যই অস্বাভাবিক। দিল্লি সুরক্ষিত কেবল একটি দেয়াল ও একটি সাধারণ পরিখা দিয়ে, আর দিল্লির চারিপাশে ও দিল্লিকে শাসনে রাখার মতো টিলা পাহাড়গুলি ইতিমধ্যেই ইংরেজদের দখলে, তারা দেয়াল না ভেঙেই জল সরবরাহ কেটে দেবার মতো সহজ পদ্ধতিতেই স্বল্প সময়ে দিল্লিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে পারে। আরো পড়ুন

শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিক সমিতির উদ্বোধনী ভাষণ

১৮৬৪ সালের ২৮ অক্টোবর লন্ডনের লং একরস্থ সেন্ট মার্টিন হলে অনুষ্ঠিত জনসভায় পঠিত[১] শ্রমজীবী মানুষগণ, একটি বিরাট সত্য হলো এই যে, ১৮৪৮ থেকে ১৮৬৪ সালের মধ্যে শ্রমজীবী জনসমষ্টির দুর্দশার কোনো লাঘব হয়নি, তবুও এই সময়টাই শিল্প-বিকাশ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির দিক থেকে অতুলনীয়। ১৮৫০ সালে ব্রিটিশ মধ্য শ্রেণির একটি নরমপন্থী ওয়াকিবহাল মুখপত্র এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলো যে, ইংল্যান্ডের রপ্তানি ও আমদানি যদি শতকরা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পায় তাহলে ইংরেজদের দারিদ্র্য একেবারে শূন্যের কোঠায় নেমে যাবে। আরো পড়ুন

ভূমি থেকে কৃষিজীবী জনগণের উচ্ছেদ

ইংলন্ডে ভূমিদাসপ্রথা কার্য্যত অদৃশ্য হয় ১৪শ শতকের শেষ ভাগে। তখনকার এবং আরো বেশি করে ১৫শ শতকের জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই[১] ছিলো মুক্ত কৃষক-মালিক, তা তাদের স্বত্বাধিকার যে সামন্ত পাট্টাতেই ঢাকা থাক না কেন। বড়ো বড়ো সামন্ত মহালগুলিতে সাবেকী যে গোমস্তা ছিলো নিজেই একজন ভূমিদাস, তার জায়গায় এসে দাঁড়ায় মুক্ত খামারী। আরো পড়ুন

ফয়েরবাখ সম্বন্ধে থিসিসসমূহ

ফয়েরবাখের বস্তুবাদ সমেত পূর্ববর্তী সমস্ত বস্তুবাদের প্রধান দোষ এই যে, তাতে বস্তুকে [Gegenstand]. বাস্তবতাকে, সংবেদ্যতাকে কেবল বিষয় [Objekt] রূপে বা ধ্যান রূপে ধরা হয়েছে, মানবিক সংবেদনগত ক্রিয়া হিসেবে, ব্যবহারিক কর্ম হিসেবে দেখা হয় নি, আত্মগতভাবে [subjectively] দেখা হয় নি। আরো পড়ুন

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তার ইতিহাস ও ফলাফল

লন্ডন, শুক্রবার ২৪শে জুন, ১৮৫৩; ভারত বিষয়ে বিধান প্রণয়ন স্থগিত রাখার জন্য লর্ড স্ট্যানলির মোশনের উপর বিতর্ক আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত মুলতুবী রাখা হয়েছে। ১৭৮৩ সালের পরে ইংলন্ডে এই প্রথম ভারত প্রশ্ন মন্ত্রিসভা-টেকা-না-টেকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন হল? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সত্যকার সূত্রপাত হিসাবে ১৭০২ সালের অতি পূর্ববর্তী কোনো যুগকে নির্দিষ্ট করা চলে না, ওই সময়টায় পূর্ব ভারতীয় বাণিজ্যের একচেটিয়া দাবি করে বিভিন্ন সংঘ একটি একক কোম্পানিতে মিলিত হয়। আরো পড়ুন

আদি সঞ্চয়ের রহস্য

আমরা দেখেছি টাকা পরিবর্তিত হয় পুঁজিতে; পুঁজি মারফত উদ্বৃত্ত মূল্য গড়ে ওঠে, এবং উদ্বৃত্ত মূল্য থেকে আসে আরো পুঁজি। কিন্তু পুঁজি সঞ্চয় মানে আগে ধরে নিতে হয় উদ্বৃত্ত মূল্য, উদ্বৃত্ত মূল্যের ক্ষেত্রে আগে পুঁজিবাদী উৎপাদন, পুঁজিবাদী উৎপাদনের ক্ষেত্রে আবার আগে পণ্য উৎপাদন-কর্তাদের হাতে যথেস্ট পরিমাণ পুঁজি ও শ্রমশক্তির অস্তিত্ব ধরে নিতে হয়। আরো পড়ুন

Top