You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Author: সলিল চৌধুরী

ও মোর ময়না গো কার কারণে তুমি একলা?

ও মোর ময়না গো / ও মোর ময়না গো, কার কারণে তুমি একলা ? কার বিহনে বিহনে দিবা নিশি যে উতলা ? সে তো আসবে না সে তো ফিরবে না ফিরবে না, ও মোর ময়না গো, দূর দূর দূর দুর্ পানে আনমনে চাহিয়া, কি বিরাগের রাগিনী যাও গাহিয়া আরো পড়ুন

যদি জানতে গো তুমি জানতে

যদি জানতে গো তুমি জানতে, কেন এই মন আমার ছন্দবিহীন ছন্দে গেয়ে যায়, হারালো সুর সে যে তোমার চোখে চেয়ে কখন মনের অজান্তে, পান্থ আমি তোমার পথে যেতে পথ ভোলা দুস্তর প্রান্তে। তুমি জান কি আমি এলাম জীবন দিগন্তে? আরো পড়ুন

যদি কিছু আমারে শুধাও

যদি কিছু আমারে শুধাও, কি যে তোমারে কবো, নীরবে চাহিয়া রবো, না বলা কথা বুঝিয়া নাও।। ঐ আকাশ নত যুগে যুগে সংযত, নীরবতা অবিরত, কথা বলে গেছে কত। তেমনই আমার বাণী, সৌরভে কানাকানি। হয় যদি ভ্রমরা গো, সে ব্যাথা বুঝিয়া নাও।। আরো পড়ুন

মনের জানালা ধরে উঁকি দিয়ে গেছে

মনের জানালা ধরে উঁকি দিয়ে গেছে, যার চোখ তাকে আর মনে পড়ে না। চেয়ে চেয়ে কত রাত দিন কেটে গেছে, আর কোন চোখ তবু মনে ধরে না। হৃদয়ের শাখা ধরে নাড়া দিয়ে গেছে, ঝুরঝুর ঝরে গেছে কামনার ফুল। আরো পড়ুন

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা — আজ জেগেছে এই জনতা, তোমার গুলির, তোমার ফাঁসির, তোমার কারাগারের পেষণ শুধবে তারা ওজনে তা এই জনতা।। তোমার সভায় আমীর যারা, ফাঁসির কাঠে ঝুলবে তারা তোমার রাজা- মহারাজা, করজোড়ে মাগবে বিচার ঠিক জেনো তা এই জনতা।। তারা,  নতুন প্রাতে প্রাণ পেয়েছে, প্রাণ পেয়েছে প্রাণ পেয়েছে তারা,  ক্ষুদিরামের রক্তবীজে প্রাণ পেয়েছে প্রাণ পেয়েছে তারা,

কোনো এক গাঁয়ের বধুর

কোনো এক গাঁয়ের বধুর কথা তোমায় শোনাই শোনো রূপকথা নয় সে নয়। জীবনের মধুমাসের কুসুম- ছিঁড়ে- গাঁথা মালা শিশির ভেজা কাহিনী শোনাই শোনো।।   একটুখানি শ্যামল ঘেরা কুটিরে তার স্বপ্ন শত শত দেখা দিত ধানের শীষের ইশারাতে দিবা শেষে কিষাণ যখন আসতো ফিরে ঘি মউ-মউ আম কাঁঠালের পিঁড়িটিতে বসতো তখন সবখানি মন উজাড় ক’রে দিত তারে কিষাণী সেই কাহিনী শোনাই শোনো।   ঘুঘু ডাকা ছায়ায় ঢাকা গ্রামখানি কোন

ও আলোর পথযাত্রী

ও আলাের পথযাত্রী, এ যে রাত্রি, এখানে থেম না এ বালুরচরে আশার তরণী তােমার যেন বেঁধাে না, আমি শ্রান্ত যে, তবু হাল ধরাে, আমি রিক্ত যে, সেই সান্ত্বনা তব ছিন্ন পালে জয় পতাকা তুলে  তূর্য তােরণ দাও হানা ও আলাের পথযাত্রী, এ যে রাত্রি, এখানে থেম না আহা বুক ভেঙে

পথে এবার নামো সাথী

পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে এ পথ চেনা। জনস্রোতে নানান মতে মনোরথের ঠিকানা, হবে চেনা, হবে জানা।। অনেক তো দিন গেল বৃথাই এ সংশয়ে, এসো এবার দ্বিধার বাধা পার হ'য়ে—  তোমার আমার সবার স্বপন মিলাই প্রাণের মোহনায় কিসের মানা? তখন এ গান তোলে তুফান নবীন প্রানের প্লাবণ আনে দিকে দিকে; কিসের বাধা? বিপদ বরণ মরণ - হরণ, চরন ফেলে

হেই সামালো

হেই সামালো ধান হো কাস্তেটা দাও শাণ হো জান কবুল আর মান কবুল, আর দেবনা আর দেবনা রক্তে বোনা ধান মোদের প্রাণ হো।। চিনি তোমায় চিনি গো জানি তোমায় জানি গো, সাদা হাতির কালা মাহুত তুমিই না? পঞ্চাশে লাখ প্রাণ দিসি মা-বোনেদের মান দিসি, কালোবাজার আলো কর তুমিই না? মোরা তুলব না ধান পরের গোলায় মরব না আর ক্ষুধার জ্বালায় মরব

প্রান্তরের গান আমার

প্রান্তরের গান আমার, মেঠো সুরের গান আমার হারিয়ে গেল কোন্ বেলায়,  আকাশে আগুন জ্বালায় মেঘলা দিনের স্বপন আমার ফসল বিহীন মন কাঁদায়। মাঝে মাঝে উদাস হাওয়ায় এলোমেলো কি যে শুনি, বুঝি তাহার ব্যাথার ছোঁয়ায় হারায় আমার সুরের ধ্বনি ঝড়ের হাওয়ায়, পাতার মতন ঝরিয়া যায়— যায় যায় যায়! ক্লান্ত ডানায় নীড় খুঁজি, অথৈ নদীর তীর খুঁজি, শুধুই আমার যায়

Top