You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > Author: তপোধীর ভট্টাচার্য

শুদ্ধতার কবিতা উত্তরায়ণের কবিতা

‘যারা ভারি পণ্ডিত তারা সুন্দরকে প্রদীপ ধরে দেখতে দেখতে চলে আর যারা কবি ও রূপদক্ষ তারা সুন্দরের নিজেরই প্রভায় সুন্দরকে দেখে নেয়, অন্ধকারের মধ্যেও অভিসার করে তাদের মন।’ শিল্পাচার্য অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘সুন্দর’ নিবন্ধে এই যে স্মরণীয় বাচন উপহার দিয়েছেন, এ-কথা মনে পড়ল কি এজন্যে যে, গহনভাবনার ডুবুরি কবি সুন্দরের আবাহনে জগৎ-সংসারের

এনআরসি অথবা গিলোটিনে অসমের বাঙালি

শুরুতেই শিরোনামে ব্যবহৃত ‘অসম’ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট কথা বলি। শৈশব থেকে আমাদের প্রদেশ-নাম আর তার উৎপত্তির ইতিহাস যে ভাবে জেনে এসেছি, হঠাৎই এক দিন তা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল প্রাদেশিকতা-বাদী বুদ্ধিজীবীরা। পাল্টে গেল প্রদেশ নাম এবং বিনা বাক্যব্যয়ে তাকে বৈধতা দিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত সমস্ত সংবাদপত্র। এ সম্পর্কে যাঁরা ভিন্নমত পোষণ

আসামে বাঙালি বিতাড়নের মুষল পর্ব

যাঁরা ইতিহাস ও ভূগোলের বিষম সম্পর্ক নিয়ে সচরাচর মাথা ঘামান না, তাঁদের জন্য এ তথ্য জানাচ্ছি, ভারতের উত্তর-পূর্বের সবচেয়ে বড় রাজ্য আসামে যাঁরা থাকেন, তাঁরা সবাই অসমিয়া নন। না, তা আদপেই নয়। এখানে অসমিয়াদের সঙ্গে আছে প্রচুর বাঙালি, হিন্দিভাষী, বড় জনগোষ্ঠী, ডিমাসা-কার্বি-মিশিং-আহোম-মৈতৈ-মণিপুরি-বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি-মারা প্রভৃতি ক্ষুদ্র জনসমাজ। এদের সবাইকে সহাবস্থানের পাঠ

অসমে বাঙালির শরশয্যা

প্রতিদিনই পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে দ্রুত। এতদিন বাঙালি–‌সহ সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘু মানুষ রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করেছেন কবে আসবে ৩০ জুন!‌ ২০১৭–‌এর ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রথম খসড়া নাগরিকপঞ্জি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নাগরিকপঞ্জি নবায়ন সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। তারপর যতদিন গেছে, অসমিয়া আধিপত্যবাদের স্বর উগ্র থেকে উগ্রতর হয়েছে গুয়াহাটির বিভিন্ন

অসমে বাঙালি মৃগয়া কি গণহত্যায় পরিণত?

এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নবায়নের নামে বাঙালি বিদ্বেষী শাসক যেভাবে জাতিবিদ্বেষ ও হিংস্রতায় প্ররােচনা দিয়েছে, তাতে তিনসুকিয়ার গণহত্যা অনিবার্যই ছিল। পাঁচজন বাঙালি দিনমজুর যে অকালে আততায়ীর নৃশংসতায় প্রাণ হারালেন, একে যত বিশেষণ দিয়েই নিন্দা করি না কেন তাতে এই মূল বিষয় ঝাপসা হবে না যে, এঁদের মাতৃভাষাই মৃত্যুর কারণ। এরকম

Top