You are here
Home > প্রাণ > প্রাণী > প্রজাপতি > লালফুটকি ভুশন্ডা বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের প্রজাপতি

লালফুটকি ভুশন্ডা বাংলাদেশ ভারত মায়ানমারের প্রজাপতি

বৈজ্ঞানিক নাম: Euthalia derma (Kollar). প্রতিনাম: Adolias derma Kollar, 1848; Adolias evalina race derma Butler, 1868; Euthalia derma Distant, 1883. ইংরেজী নাম: The Redspot Duke. স্থানীয় নাম: প্রজাপতি। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Animalia অবিন্যাসিত: Euarthropoda শ্রেণী: Insecta বর্গ: Lepidoptera পরিবার: Nymphalidae গণ: Euthalia প্রজাতি: Euthalia derma

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা লালফুটকি ভুশন্ডা হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের সাইরেস্টিস গণের একটি প্রজাপতি।

বিবরণ: লালফুটকি ভুশন্ডার প্রসারিত ডানার মাপ ৮৫-৯৮ মিমি। পুরুষ এবং স্ত্রীর উপরের দিক fuliginous বাদামী। সামনের ডানার কোষ দুটি সর্পিলাকার কালচে রেখা দ্বারা অতিক্রান্ত, যার মধ্যে সুস্পষ্ট carmine দাগ রয়েছে। পেছনের ডানা ফ্যাকাশে তীর্যক কালচে রেখা বহন করে মধ্যাংশের কাছে এবং দুটি সুস্পষ্ট কালো রেখা কোষের শীর্ষে অবস্থিত। উভয় ডানাই একটি discal বাঁকা fuliginous ফ্যাসিয়া দ্বারা অতিক্রান্ত। যা সামনের ডানার শেষের কাছে একত্রিত যখন এটা প্রশস্ত হয় এবং উদরের মধ্যবর্তীর কাছে সামনের ডানার উপর অতিক্রম করে, যেখানে এটা সরু; এই ফ্যাসিয়ার পেছনে মেটে রঙ সামান্য ফ্যাকাশে নিচের দিক ফ্যাকাশে সবুজ, সামনের ডানার কোষের দাগ উপরে কিন্তু জোড়া রেখার মধ্যবর্তী অংশে ফ্যাকাশে-বাদামী, একটি প্রায় গোড়ার মলিন দাগ বাইরের দিকে সাদা প্রান্ত যুক্ত, কোষের নিচে অনিয়মিত দাগ রয়েছে। পেছনের ডানার কোষের দাগ উপরে একই রকম কিন্তু একটি বাড়তি বাঁকা কালো রেখা চূড়ায় পেছনে অবস্থিত, একটি সমান এবং নলাকার দাগ কাছে এবং discoidal প্রায় কস্টাল উপশিরার মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত। যা একটি গোলাকার দাগ দ্বারা অগ্রবর্তী হয় প্রায় কস্টাল উপর শিরার মধ্যে এবং একটি বড় ও সামান্য বদ্ধ একটি ধারন করে একটি carmine দাগ, সেলের মধ্যেও একটি ছোট carmine দাগ রয়েছে।

স্বভাব এবং বাসস্থান: এই প্রজাতির লার্ভার খাদ্য উদ্ভিদ হচ্ছে Diospyros candolleana, D. melanoxylon এবং Anacardium occidentale.

বিস্তৃতি: বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের (আগস্ট ২০১০) ২১ তম খণ্ডে এটির বিস্তৃতি বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, দক্ষিণ ভারত বর্ষ, আসাম, মারগুই, মায়ানমার, মালয়া পেনিনসুলা, জাভা, বোর্নিও, সেলিবিস এবং লুজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য: Evans (1932) এর মতে E. derma কে Euthalia evalina (Sic) (Stoll) এর তিনটি race-এর মধ্যে ধরা যায় এবং Varshney (1994) সনে একে গণ Dophla Moore, 1880-এর অন্তর্ভুক্ত করেন। এর উপরের দিকের রঙ বেশ নিখুঁতভাবে সবুজ পাতার সাথে মিশে যায় যা ডানা মুক্ত অবস্থায় হয় তাই একে বদ্ধ অবস্থায় দেখা বেশ কঠিন।

তথ্যসূত্র:

১. শফিক এইচ চৌধুরী, (আগস্ট ২০০৯)। “আর্থোপোডা: ইনসেক্টা-৩”। আহমাদ, মোনাওয়ার; কবির, হুমায়ুন, সৈয়দ মোহাম্মদ; আহমদ, আবু তৈয়ব আবু। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ ২১ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃষ্ঠা ৭৫-৭৬। আইএসবিএন 984-30000-0286-0

আরো পড়ুন

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম বই প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top