আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ > উদ্ভিদ > বীরুৎ > টমেটো খাওয়ার উপকারিতা

টমেটো খাওয়ার উপকারিতা

খিদে বাড়িয়ে তোলে টমেটো। কথায় বলে রোজ একটা করে টমেটো খেলে ডাক্তারের আর প্রয়োজন হয় না। Tomato a day keeps the doctor away. টোম্যাটো কিন্তু দেশী ফল বা সবজি নয় বিদেশ থেকে প্রায় ১৫০ বছর আগে এর বীজ আনা হয়েছিল। সেইজন্যে আগে একে বলা হত বিলিতি বেগুন- কারণ এর বীজ বেগুনের বীজের মতো। টোম্যাটোর আদি জন্মস্থান দক্ষিণ আমেরিকা। টোম্যাটো ফল বা সবজি তা নিয়ে অনেক মতবিরোধ আছে কিন্তু সে তর্কে গিয়ে আমাদের কোনও প্রয়োজন নেই, আমাদের শুধু জানা দরকার টোম্যাটোর গুণপনা। টোম্যাটোতে যে প্রচুর ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ আছে একথা অনেকেরই জানা।

পাকা টোম্যাটো খেতে টক-মিষ্টি । এতে শরীরের পক্ষে মূল্যবান পোষকতত্ত্ব আছে অথাৎ শরীরের পুষ্টি করে।

টোম্যাটো খেলে রক্তের লাল কণিকা বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের ফ্যাকাসে ভাব ও অ্যানিমিয়া (রক্তাল্পতা) দূর হয়। খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে পাকা টোম্যাটো খেলে খাওয়ার রুচি বাড়ে, খিদে বেড়ে যায়, হজম শক্তি অর্থাৎ পাচন শক্তির বৃদ্ধি হয়। রক্ত ও পিত্ত সম্পর্কিত অনেক রোগ সারে। টোম্যাটোর রস শরীরেও মনে একটা তাজা ভাব নিয়ে আসে, খেলে শরীর তরতাজা হয়ে ওঠে।

সগর্ভা মেয়েদের এবং যাঁদের বাচ্চা হয়েছে তাঁদেরও শারীরিক ও মানসিক শক্তি বাড়িয়ে তোলার জন্য প্রতিদিন টোম্যাটো খাওয়া প্রয়োজন। নানা রকম মেয়েলি অসুখে টোম্যাটোর উপকারিতা অশেষ। টোম্যাটো আজকাল প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায় এবং অন্য ফলের তুলনায় দামও অপেক্ষাকৃত কম। টোম্যাটোর উপকারিতাও উপযোগিতার কথা এবারে এক এক করে বলে নেওয়া যাক।

টোমেটোর উপকারী:

১. যাঁদের ওজন কম তাঁরা যদি খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে প্রতিদিন নিয়ম করে একটি পাকা টোম্যাটো খান ওজন নিশ্চয়ই বাড়বে।

২. ফ্যাকাসে রক্তহীন চেহারার ব্যক্তিদের প্রতিদিন নিয়মিত একটি পাকা টোম্যাটো খাওয়া উচিত এতে রঙে জৌলুস আসবে ও রক্তকণিকা বাড়বে।

৩.  টোম্যাটোর রস শরীরের পুষ্টির পক্ষে জরুরি। এই রস রুচিকর ও পাচক (খাবার হজম করায়) টোম্যাটোতে কমলালেবুর সমান পোষকতত্ত্ব (অথাৎ পুষ্টির ক্ষম) আছে।

৪. টোম্যাটোর রস খিদে বাড়িয়ে তোলে, মল নিঃসরণ করে ও রক্তশোধন করে। অখিদে, পেটের ব্যথা, মেদ-বৃদ্ধি আর রক্তবিকার (রক্তের দোষ) রোগে হিতকর।

৫.  অর্শ, জনডিস, পুরোনো জ্বর সারিয়ে দেয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

৬.  টোম্যাটো বায়ু নাশক পেটের ভেতরের জমা বায়ু নিঃসারিত করে দিয়ে পেট হালকা করে। হৃদয়ে তৃপ্তি আনে। হজমের পক্ষে হালকা (লঘু), উষ্ণ ও স্নিগ্ধ (শরীর স্নিগ্ধ করে)। রক্ত ও পিত্ত বৃদ্ধি করে। যাঁদের বাত আছে বা যাঁদের কফের ধাত তাদের পক্ষে টোম্যাটো খুব উপকারী।

৭.  টোম্যাটো টুকরা করে কেটে তাতে শুকনা আদার গুঁড়া ও নুন মিশিয়ে খেলে অখিদে ও অরুচি দূর হয়।

৮.  কাঁচা টোম্যাটো টুকরা করে কেটে অ্যালুমিনিয়াম বা স্টেনলেস স্টিলের পাত্রে কিছুক্ষণ মৃদু আঁচে বসিয়ে রেখে গোলমরিচ, নুন, সামান্য খাওয়ার সোডা মিশিয়ে খেলে অজীর্ণ রোগ সারে।

৯.  টোম্যাটোর রসে বা সুপে চিনি মিশিয়ে খেলে খিস্তের অসুখ সারে।

১০.  টোম্যাটোর রস চিনি আর লবঙ্গ চুর্ণ মিশিয়ে তালে তৃষা রোগ বার বার গলা শুকিয়ে যাওয়া ও বার বার পিপাসা পাওয়া সেরে যায়।

১১.  যতটা টোম্যাটোর রসের তার চার ভাগের এক ভাগ চিনি মিশিয়ে | এবং সামান্য এলাচ, দালচিনি লবঙ্গ ও গোলমরিচের চূর্ণ মিশিয়ে পান করলে বমি, বুক ধড়ফড়ানি হঠাৎ ঘাবড়ে যাওয়া ইত্যাদি ভাব কমে।

১২. অর্জুন গাছের ছাল (কবিরাজি দোকানে পাওয়া যায়) আর চিনি মিশিয়ে টোম্যাটোর রসের অবলেহ (জ্যামের মতো) ঘন থকথকে তৈরি করে রাখলে ও নিয়মিত খেলে বুকের ব্যথা বা হার্টের ব্যথা এবং হার্টের অসুখে উপকার পাওয়া যায়।

১৩. পাকা টোম্যাটোর অর্ধ কাপ (ছোট কাপে) রস দিনে তিন বার পান করলে কয়েকদিনের মধ্যেই রক্তপিত্ত (পিত্তের জন্যে নাক মুখ থেকে রক্তপড়া) এবং দাঁতের মাড়ি ঢিলে হয়ে যাওয়ার জন্যে রক্তসড়া বন্ধ হয়।

১৪. পাকা টোম্যাটোর রসে মধু মিশিয়ে খেলে রক্তপিত্ত এবং রক্তবিকার (রক্তের দোষ) সেরে যায়।

১৫.  সকালবেলা ও সন্ধেবেলা পাকা টোম্যাটোর রস খেলে এবং খাওয়া-দাওয়ায় নুন কম খেলে ত্বকের ওপর লাল। চাকা চাকা দাগ হওয়া, ত্বকের শুষ্ক, চুলকুনি, ত্বকের ওপর ছোট ছোট ফুসকুড়ি হওয়া প্রভৃতি রক্তবিকারের রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

১৬.  টাটকা পাকা টোম্যাটো দুপুরে ভাত খাওয়ার আগে খোসা ও বীজ সমেত আস্ত কামড়ে কামড়ে খেলে এবং রাত্তিরে শোওয়ার আগে এইভাবে খেলে পুরোনো কোষ্ঠকাঠিন্য ক্রমশ দূর হয়ে যাবে।

১৭.  পাকা টোম্যাটোর এক কাপ রস প্রতিদিন নিয়ম করে খেলে অন্ত্রের ভেতরে আটকে থাকা মল নিষ্কাশিত হয়ে যায় এবং এই ভাবে পুরোনো কোষ্ঠকাঠিন্য সারে।

১৮.  হিং ফোড়ন দিয়ে টোম্যাটোর রস পান করলে কৃমি রোগে উপকার তা পাওয়া যায়।

১৯.  সকালে সন্ধেবেলা নিয়মিত টোম্যাটোর রস খেলে রাতকানা রোগ কমে, দৃষ্টি স্বচ্ছ হয়, চোখের তেজ বৃদ্ধি পায়।

২০. ছোট বাচ্চাদের টোম্যাটোর রস (যদি সহ্য হয় এবং চিকিৎসকের অনুমতি নিয়ে) দিনে তিনবার করে অল্প পরিমাণে খাওয়ালে শিশু নিরোগ, বলবান ও হৃষ্টপুষ্ট হয়।

২১.  টোম্যাটোর দু-এক চামচ রস বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর আগে খাইয়ে দিলে দুধ তোলা বন্ধ হয়।

২২. এক কাপ ভাল নারকোল তেল আধকাপ টোম্যাটোর রস একসঙ্গে মিশিয়ে শরীরে মালিশ করলে এবং তার একটু পরে কুনকুনে গরম জলে স্নান করলে চুলকুনি সারে।

২৩.  মাথার খুসকিতে অর্ধকাপ ভাল নারকেল তেলে এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ টোম্যাটোর রস মিশিয়ে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।

বৈজ্ঞানিক মতে : টোম্যাটো খুবই উপকারী। শরীরের পুষ্টির জন্যে যা যা দরকার লৌহ এবং অন্য ক্ষার টোম্যাটোতে প্রচুর পরিমাণে আছে। আপেল, কমলালেবু, মৌসম্বি, আঙুর প্রভৃতি দামি ফলের চেয়ে টোম্যাটোতে রক্ত তৈরি করবার ক্ষমতা বেশি। টোম্যাটোতে অক্রেলিক অ্যাসিড খানিকটা আছে এবং সাইট্রিক অ্যাসিড আছে। এতে লবণ, পটাশিয়াম, লোহা, চুন আর ম্যাঙ্গানিস যথেষ্ট পরিমাণে আছে। টোম্যাটোতে খনিজ ক্ষার, লোহা ফসফেট, মেলিক অ্যাসিডও (শরীর তাজা করবার এবং রক্ত শোধন করবার টক পদার্থ) আছে।

টোম্যাটো লিভার, রক্ত মাংস এবং শরীরের নানা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অনেক উপকার করে। অন্ত্রকে সচল ও সবল রাখে। পাকা টোম্যাটোতে ভিটামিন এ, বি আর সি পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে। টোম্যাটোর চাটনি, সস, জ্যাম ও জেলি সবই খুব জনপ্রিয়। টোম্যাটোতে পেক্টিন ও সাইট্রিক অ্যাসিড থাকার দরুণ টোম্যাটোর জ্যাম জেলি তৈরি করতে আলাদা করে পেক্টিন মেশাতে হয় না।

মুখের স্বাদ আনতে টোম্যাটোর চাটনি : পুদিনা পাতা, আদা, ধনে পাতা বাটা ও নুন দিয়ে এবং তাতে উপযুক্ত পরিমাণে টোম্যাটো ও গুড় বা চিনি মিশিয়ে চাটনি তৈরি করুন। খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে এই চাটনি টাকনা দিয়ে খেলে মুখে স্বাদ আসবে, খাওয়ার রুচি বাড়বে। এ ছাড়াও টোম্যাটোর রসে আদা রস ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে পান করলে শরীরের খুব উপকার হবে।

টোম্যাটো ও পাকা তেঁতুলের কাই একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে, গুড় বা চিনি, আদা, বিট নুন, জিরে ভাজা ইত্যাদি দিয়ে বেং পাঁচ ফোড়ন দিয়ে সুস্বাদু চাটনি তৈরি করা যায়। ইচ্ছে করলে হিঙের গুঁড়াও দেওয়া যায়।

টোম্যাটো সস : টোম্যাটো সসের আজ সারা পৃথিবীতে জয়জয়কার। শীতকালে টোম্যাটো সস্তা হলে টোম্যাটো টুকরা করে কেটে সেদ্ধ করে রস ছেকে বের করে নেবেন। এই রসের মধ্যে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, গরম মশলা ও জৈত্রি থেঁতো করে একটি পাতলা কাপড়ের পুঁটলিতে বেঁধে দেবেন ও আঁচে বসিয়ে নাড়তে থাকবেন। রস ঘন হলে পরিমাণ মতো  চিনি ও নুন দেবেন।

রস শুকিয়ে ১ কাপ হলে পুঁটলি চেপে মশলার রস বের করে পুঁটলিটা তুলে নেবেন। আন্দাজ মতো ভিনেগার ও সামান্য সোডিয়াম বেনজয়েট মিশিয়ে পরিষ্কার শিশিতে ফুটন্ত গরম অবস্থায় ভরে ফেলে ঢাকনা লাগিয়ে দিন। শিশি বা বোতল একেবারে ঠাণ্ডা হলে তবেই সরাবেন। এইভাবে তৈরি সস বাজারের ভেজাল সসের চেয়ে অনেক ভাল।

টোম্যাটো ও পাকা কুমড়ার সস:

টোম্যাটোর রসের সঙ্গে সেদ্ধ পাকা কুমড়ার শাঁস পিষে নিয়ে একই পদ্ধতিতে তৈরি করবেন। এক কেজি পাকা টোম্যাটোর ২৫০ গ্রাম পাকা কুমড়া দেবেন। পাকা কুমড়া ‘ইয়েলো ভেজিটেবল’  অর্থাৎ খুব উপকারী।

কাজেই এইভাবে পাকা কুমড়া টোম্যাটোর সস তৈরি করলে খরচ কম হবে। সস তাড়াতাড়ি ঘন হবে অথচ উপকারিতা কমবে না।  কাঁচা টোম্যাটোতেও আছে অনেক গুণ। আলু পেঁয়াজ হিং ও পাঁচফোড়ন দিয়ে কাঁচা টোম্যাটোর টক-টক তরকারি, বিশেষত রুটি দিয়ে খেতে খুব ভাল লাগে। কাঁচা টোম্যাটো ও আপেল মিশিয়ে গ্রিন টোম্যাটো সস তৈরি করা যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে পাকা টোম্যাটো:পুরনো কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে সকালে ভাত খাওয়ার আগে এবং রাত্তিরে শুতে যাওয়ার আগে একটি করে খোসা-বিচি সমেত আস্ত টোম্যাটো খেলে কয়েক দিনের মধ্যেই সুফল পাওয়া যাবে। ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এবং শুতে যাওয়ার আগে ও দুপুরে ভাত খাওয়ার পর এক গ্লাস করে প্রল অবশ্যই খাবেন।

টোম্যাটোর অবলেহ (অর্জুন গাছের ছাল মিশিয়ে):

যা যা লাগবে : ভাল পাকা পুরুষ্টু টোম্যাটো ১ কেজি। যত কাপ রস বেরোবে তত কাপ এবং তারচেয়ে একটু বেশি চিনি, পাতিলেবুর রস ২ টেবিল চামচ, অর্জুন গাছের ছাল ছোট এক টুকরা।

পদ্ধতি : টোম্যাটো ছোট ছোট টুকরা করে কেটে অ্যালুমিনিয়ামের ডেকচিতে রেখে ঢাকা দিয়ে আঁচে বসাবেন। মাঝে মাঝে নাড়তে থাকবেন যাতে তলায় ধরে না যায়। সমস্ত টোম্যাটো নরম হয়ে গেলে এবং ভাল করে গলে গেলে নামিয়ে নিন।

গরম অবস্থায় চটকে নিয়ে প্লাস্টিকের ছাঁকনি দিয়ে রসটা বের করে নিন ও একটা মাঝারি সাইজের কাপে রসটা মাপতে হবে। যদি ৪ কাপ রস হয় তাহলে উঁচু করে ভরা চার কাপ চিনি মেশাবেন। আরও অর্ধ কাপ চিনি রসের মধ্যে মিশিয়ে নিন।

টোম্যাটোর রস যে কাপ দিয়ে মেপেছেন চিনিও সেই কাপেই মাপবেন। এবারে রস ও চিনি আঁচে বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। চিনি গলে গিয়ে ঘন হয়ে এলে পাতিলেবুর রস মেশাবেন।

থকথকে ঘন হলে নামিয়ে নিন। শুকনা অর্জুন গাছের ছাল (কবিরাজি দোকানে পাওয়া যায়) আগে থেকেই চূর্ণ করে রাখবেন। এই চূর্ণ চালুনি দিয়ে চেলে নেবেন। টোম্যাটোর অবলেহর মধ্যে এই চুর্ণ মিশিয়ে নেড়ে নিয়ে পরিষ্কার ঢাকনা দেওয়া শিশিতে গরম অবস্থায় ঢেলে দিন। যদি অর্জুন গাছের ছাল টাটকা হয় সেক্ষেত্রে এক রাত ছাল অল্প জলে ভিজিয়ে রাখবেন। অবলেহ তৈরি হয়ে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিয়ে সেই ভেজানো জলটুকু (কষটুকু) মিশিয়ে দিন।

বলা হয়ে থাকে এই অবলেহ প্রতিদিন সকালে নিয়মিত এক চা চামচ বা দুই চা চামচ করে খেলে হার্টের অসুখে উপকার পাওয়া যায়। হার্টের ব্যথা বা বুকের ব্যথাও সারে। লেহন করে অর্থাৎ চেটে চেটে খেতে হয় বলে এর কবিরাজি নাম অবলেহ।

তথ্যসূত্রঃ

১. সাধনা মুখোপাধ্যায়: সুস্থ থাকতে খাওয়া দাওয়ায় শাকসবজি মশলাপাতি, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, নতুন সংস্করণ ২০০৯-২০১০, পৃষ্ঠা ১৬০-১৬৫।

আরো পড়ুন

Dolon Prova
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।

Leave a Reply

Top