Main Menu

সেন্দ মনসা একটি আলংকারিক ভেষজ উদ্ভিদ

বৈজ্ঞানিক নাম: Euphorbia neriifolia. সমনাম: Tithymalus edulis (Lour.) H.Karst., Euphorbia ligularia Roxb. ex Buch.-Ham, Euphorbia edulis Lour, Elaeophorbia neriifolia (L.) A.Chev. সাধারণ নাম: Momosha. বাংলা নাম: মনসা বা সেহুন্দ মনসা জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Tracheophyta অবিন্যাসিত: Magnoliopsida বর্গ: Malpighiales পরিবার: Euphorbiaceae গণ: Euphorbia প্রজাতি: Euphorbia neriifolia.

পরিচিতি: এর প্রচলিত বাংলা নাম মনসা বা সেহুন্দ মনসা বা সেন্দ মনসা বা কাঁটা মনসা। সমগ্র পৃথিবীতে এই গণের প্রায় ৮০০টি প্রজাতি আছে; এটি একটি পুজার বৃক্ষ, ভারতের বহু স্থানে এমন কি সিকিম ও ভুটানেও এটি পাওয়া যায়; বাংলাদেশে পলিমাটিতে এর বাড় বৃদ্ধি যেমন,  তেমনি পাথরে ও কাঁকুরে মাটিতেও এরা বেঁচে থাকতে পারে। গাছ বেশি উচু ও ডালপালাবিশিষ্ট্য হয় না, সোজা হয়ে ওঠে। এদের আকার গোল এবং গাছের গায়ে ও ডালে ছোট ছোট ঘন কাঁটা হয়। ৭ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা মাংসল পাতার মাথার দিকটা এক থেকে দেড় ইঞ্চি চওড়া, কিন্তু গোড়ার অর্থাৎ বোঁটার দিকটা ক্রমশ সরু, গাছ কাটলে বা পাতা ভাঙ্গলে প্রচুর পরিমাণ দুধের মতো আঠা বের হয়, এটা শুকিয়ে গেলে রবার সল্যুশনের মতো চিট হয়। ডাল বা শাখা কেটে পুতলেই গাছ হয়, ছোট ছোট হলুদ ফুল হয় বসন্তকালে। হিন্দিভাষী অঞ্চলে একে বলে সেহুন্দ উড়িষ্যার অঞ্চল বিশেষে একে বলে কন্টা সিজু।

বিস্তৃতি: বাংলাদেশ, ভারত, ভুটানে মনসাদের দেখা যায়।

চাষ পদ্ধতি: বিশেষ যত্ন ছাড়ায় মনসা জন্মে থাকে। পলিমাটি , কাঁকর মিশ্রিত মাটি প্রভৃতিতে জন্মে থাকে এই গাছ। বসন্ত কালে ফুল ফোটে।

আরো পড়ুন সেন্দ মনসা গাছের ঔষধি গুণাগুণ

ব্যবহৃত অংশ: ঔষধ হিসাবে ব্যবহত হয় মূল, কান্ড, শুকনো  আঠা বা ক্ষীর এবং পাতার রস।

তথ্যসূত্রঃ     

১. আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টাচার্য, চিরঞ্জীব বনৌষধি খন্ড ২, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৩৮৩, পৃষ্ঠা, ২০০-২০১।

আরো পড়ুন






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *