Main Menu

জাত বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

জাত বাটনা

বৈজ্ঞানিক নাম: Castanopsis lanceifolia (Kurz) Hickel & A. Camus.

সমনাম: Synaedrys lanceifolia Koidz.; Quercus tema Buch.-Ham. ex Wall.; Quercus lanceifolia Roxb.; Quercus kurzii Hance; Pasania lanceifolia Oerst.; Castanopsis roxburghiana S.N.Biswas; Castanopsis kurzii (Hance) S.N.Biswas; Castanea lanceifolia (Oerst.) Kurz.

বাংলা ও স্থানীয় নাম: জাত বাটনা (চট্টগ্রাম), শাকমা (সিলেট), টুকি বাটনা, সিংগ্রা ইত্যাদি।

ইংরেজি নাম:

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস

জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants

 শ্রেণী: Eudicots

উপশ্রেণি: Rosids

বর্গ:  Fagales

পরিবার: Fagaceae

গণ: Castanopsis

প্রজাতি: Castanopsis lanceifolia.

বিবরণ: জাত বাটনা ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষ,উচ্চতায় ২০-২৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা এবং গোলাকার। বাকল ধূসর-বাদামি বর্ণের এবং বাকলের উপরি ভাগ ঘনভাবে ফাটলযুক্ত। এদের পাতা সরল, আয়তাকার, লম্বায় ১২-২০ সেন্টিমিটার, পাতার উপরিপৃষ্ঠ উজ্জ্বল ও নিম্নপৃষ্ঠ লালচে, কিনারা মসৃণ এবং আগা সূচালো। মে-জুন মাসে লম্বা পুষ্পবিন্যাসে ফুল বিন্যস্ত থাকে। একই গাছে পুংফুল ও স্ত্রীফুল ধরে। এদের ফল নাট ধরনের,ফলের বহিরাবরণ ৪-৬টি ঢেউ খেলানো রিং দ্বারা বেষ্টিত। জুলাই-আগস্ট মাসে পরিপক্ক ফল কমলা-বাদামি বর্ণের হয়। প্রতি ফলে ১টি করে বীজ থাকে। প্রতি কেজিতে বীজের সংখ্যা ১,০০০-১,৩০০টি। সাধারণ তাপমাত্রায় বীজ বায়ুরোধক পাত্রে ২০-২৫ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

প্রজনন ও বংশবিস্তার: সাধারণত বনাঞ্চলে বীজ দিয়ে জাত বাটনার চারা জন্মায় ও বংশ বিস্তার হয়। নার্সারিতে সংগৃহীত বীজ পলিব্যাগে বপন করে চারা উৎপাদন করা হয়। চারা গজানো বা বীজের অঙ্কুরোদগমের হার শতকরা প্রায় ৪০-৫০ ভাগ। চারা গজাতে সময় লাগে ৯০-১২০দিন।

ভৌগোলিক বিস্তৃতি: বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, লাওস ও দক্ষিণ চীন

বাংলাদেশে বিস্তৃতি ও প্রাপ্তিস্থান: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট বনাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো জাত বাটনার কদাচিৎ গাছ বিক্ষিপ্তভাবে দেখা যায়।

গুরুত্ব ও ব্যবহার: কাঠ হালকা বর্ণের, বেশ শক্ত, মজবুত এবং টেকসই। গৃহ নির্মাণ ও আসবাবপত্র তৈরিতে কাঠ ব্যবহৃত হয়।

সংরক্ষণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ: আরণ্যক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে কালা বাটনার চারা লাগিয়ে সংরক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আরো পড়ুন






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *