Main Menu

ক্ষুদে বড়লা বিশ্বে সংকটাপন্ন এবং বাংলাদেশে মহাবিপন্ন স্থানীয় উদ্ভিদ

বেড়েলার বৈজ্ঞানিক নাম: Knema benghalensis. সাধারণ নাম: নেই। বাংলা নাম: ক্ষুদে বড়লা জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Magnoliids বর্গ: Magnoliales পরিবার: Myristicaceae গণ: Knema প্রজাতি: Knema benghalensis.

ভূমিকা: ক্ষুদে বড়লা বাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ।  বাংলাদেশে অনেক উদ্ভিদ প্রজাতি আছে যে গুলো পূর্বে দেখা গেলেও এখন আর দেখা যায় না। দেশে ২২৬টি উদ্ভিদ প্রজাতি বিপন্ন বলে বিবেচিত। বাংলাদেশ এবং বিশ্বে মহাবিপন্ন উদ্ভিদ ক্ষুদে বড়লার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিম্নে দেয়া হলো।

বিবরণ: ক্ষুদে বড়লা মাঝারি আকারের গুপ্তবীজী উদ্ভিদ যা কেবল বাংলাদেশেই পাওয়া যায়। এর স্ত্রী ও পুরুষ গাছ ভিন্ন। বাকল রেজিনযুক্ত ও সূক্ষ্ম দাগ বহন করে। কান্ডে ক্ষত হলে বা এ ধরনের গাছকে কাটলে দ্রুত বেগে রেজিন বের হয় যা রক্তের ধারার মতো দেখায়। নতুন শাখা প্রশাখাগুলো রোমযুক্ত। বাংলাদেশের এন্ডেমিক উদ্ভিদ। ১৯৫৭ সালে কক্সবাজারের ডুলাহাজারায় প্রথম আবিষ্কৃত হয়। এরপর ১৯৯৯ সালে আরেকটি গাছ পাওয়া যায় কক্সবাজারের আপার রিজু বনবিট অফিসের কাছে। এখনও ক্ষুদে বড়লার স্ত্রী গাছের সন্ধান পাওয়া যায়নি। রেড ডাটা বুক ২০০১ অনুযায়ী এই উদ্ভিদটি সংকটাপন্ন (Vulnerable)। প্রাকৃতিক পরিবেশে আর এ উদ্ভিদ আছে কিনা তা নিয়ে উদ্ভিদ বিজ্ঞানীগণ শংকিত।

ক্ষুদে বড়লা বিলুপ্তপ্রায় হয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা এঁদের আবাসস্থল ধ্বংসকে দায়ী করেছেন। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, যে জায়গায় গাছটি আবিষ্কৃত হয়েছে সেখানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে স্ত্রী গাছ খুঁজে বের করে বীজ সংরক্ষণ, কলম লাগানো, সেইসঙ্গে টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে নতুন গাছ সৃষ্টি করে সংরক্ষণে জরুরী ভিত্তিতে এগিয়ে আসতে হবে।

আরো পড়ুন






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *