আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ > উদ্ভিদ > বৃক্ষ > ভোলাটুকি বাংলাদেশের ঔষধি ফল গাছ

ভোলাটুকি বাংলাদেশের ঔষধি ফল গাছ

বৈজ্ঞানিক নাম: Semecarpus anacardium সমনাম: বাংলা নাম: ভোলাটুকি, ভল্লাত, ভল্লাতক ইংরেজি নাম: The Marking nut Tree জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants অবিন্যাসিত: Angiosperms অবিন্যাসিত: Rosids বর্গ: Sapindales পরিবার: Anacardiaceae গণ: Semecarpus প্রজাতি: Semecarpus anacardium L.f..

ভূমিকা: ভোলাটুকি, ভল্লাত, ভল্লাতক হচ্ছে এনাকারডিয়াসি পরিবারের সেমেকারপাস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। ময়মনসিংহে এই ফলটির নাম বাওলা, অন্য নাম ভোলা।

বিবরণ: ভোলাটুকি ছোট আকারের পাতাঝরা স্বভাবের বৃক্ষ। গাছের মাথায় প্রচুর শাখা-প্রশাখা ও পাতা থাকায় তা ছাতার মতো দেখায়। ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের শুষ্ক বনাঞ্চলে ভোলাটুকির গাছে দেখা যায়। ফল ছোট, আকারে বড় জোর ২.৫ সেমি। পাকলে খোসার রঙ বেগুনি হয়ে যায়। কচি ফল টক, লবণ মিশিয়ে খাওয়া যায়, আচার তৈরি করা যায়। বলা হয়, বীজের শাঁস খেলে মেধা ও স্মরণশক্তি বাড়ে। এছাড়াও এজমা, ত্বকের সংক্রমণ, জ্বালাপোড়ায় বীজের ব্যবহার করা হয়। ভোলাটুকির গাছ এখন কম দেখা যায়।

আরো পড়ুন

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top