আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ > উদ্ভিদ > বৃক্ষ > পাতি লেবু বা কাগজি লেবু ২৬টি ভেষজ গুণাগুণ

পাতি লেবু বা কাগজি লেবু ২৬টি ভেষজ গুণাগুণ

পাতিলেবুর অনেক গুণ। লেবু আর তেঁতুল দুটোই স্বাদে টক। কিন্তু তেঁতুলের চেয়ে লেবুর গুণ অনেক বেশি। এইভাবে একটি লোককথা প্রচলিত আছে হিন্দি ভাষায় তেঁতুলে আছে একটি গুণ কিন্তু অপকারিতা কুড়িটি, লেবুর কোনো অপকারিতা নেই কিন্তু গুণ আছে কুড়িটি। লেবুর রস খেতে রুচিকর এবং খাবার হজম করায় তাড়াতাড়ি। তরকারি ডাল প্রভৃতিতে লেবুর রস মেশানো হয় কিছুটা স্বাদ বাড়াবার জন্যে কিছুটা বা খাবার খাতে তাড়াতাড়ি হজম হয় সেইজন্যে। টক লেবুর মধ্যে কাগজি বা পাতিলেবুর উপকারিতাই বেশি। পাতিলেবু বা কাগজি লেবু ছাড়াও বাজারে নানা রকমের লেবু পাওয়া যায়- গোঁড়া লেবু । টক জামির, গন্ধরাজ লেবু, বাতাবি লেবু, কমলা লেবু, মৌসম্বি ইত্যাদি।

পাতিলেবু বা কাগজি লেবু:

আয়ুর্বেদ মতে, পাতি বা কাগজি লেবু গুল্ম (পেটের ভেতরের বায়ু গোলক বা টিউমার), কাশি, কফ, বমি, তৃষ্ণা, কোষ্ঠবদ্ধতা, অম্লপিত্ত, পেটের গ্যাস বা শোথ জাতীয় পীড়া নাশ করে। খিদে বাড়ায়, চোখের পক্ষে উপকারী, খাবার তাড়াতাড়ি হজম করিয়ে দেয়, রুচি বৃদ্ধি করে। বাত, অম্ল (অম্বল) ও পেটের অসুখে উপকার দেয়। কৃমি নাশ করে। শূল ব্যথা দূর করে। বিষের দোষ নাশ করে। শরীরের ক্ষয় রোধ করে। ত্রিদোষ অর্থাৎ বাত, কফ ও পিণ্ডের দোষ দূর করে। বমি বমি ভাব সারিয়ে তোলে কিন্তু একটু পিত্ত বৃদ্ধি করবার প্রবণতা আছে।

১. কানের রোগ সারাতে: পাতিলেবুর রস ফোঁটা ফোঁটা করে কানে দিলে কানের ব্যথা সারে। লেবুর রসে সর্ষের তেল মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে ছেকে শিশিতে ভরে রাখুন। কানে দু ফোঁটা করে দিলে- পুঁজ পড়া, চুলকনি। কানের ব্যথা এমনকী বধিরতার উপশম হবে।

২. রুচি বাড়াতে: পাতিলেবুর রসে একটু ভাল ঘি ও নুন মিশিয়ে মুখে রাখলে জ্বরের জন্যে মুখে যে অরুচি সৃষ্টি হয় তা সারে। লেবুর রস খেলে ক্ষুধা বৃদ্ধি হয় ও রক্ত পরিষ্কার হয়।

৩. লিভারের রোগ সারাতে: সকাল বেলা খাওয়ার আগে খালিপেটে একটা পাতিলেবুর রস গরম জলে মিশিয়ে খেলে লিভারের দোষ ও পিত্তের দোষ সারে স্বাস্থ্য ভাল থাকে। লেবুর রসে জল ও গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে লিভারের সব অসুখের উপশম হয়।

৪. গলা ব্যথা সারাতে: পাতিলেবুর রসে অল্প চিনি মিশিয়ে কুলকুচি করলে গলার ব্যথা সারে- স্বরভঙ্গ বা গলার আওয়াজ বসে গেলেও উপকার পাওয়া যায়। লেবুর রস পান করলে গলার অসুখ সারে।

৫. মাথা ব্যথা কমাতে: এক পেয়ালা কড়া র-চায়ে একটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে মাথা ধরা সারে ও মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

৬. বাতে উপকার: গেঁটে বাত রোগে পাতিলেবুর রস মালিশ করলে বা পান করলে উপকার পাওয়া যায়।

৭. দাঁত ও মুখে ঘা দূর করতে: ডিপথিরিয়া রোগে বা মুখে ঘা হলে যবক্ষার (কবিরাজি দোকানে পাওয়া যায়) ও মধু মিশিয়ে লেবুর রসে দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে অনেক সময় উপকার হয়। স্কার্ভি ও অস্থিসংক্রান্ত রোগে টাটকা লেবুর রসই মহৌষধ। লেবুর রসে সম পরিমাণ জল মিশিয়ে সেই জলে কুলকুচো করলেও দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া সারে। লেবুর রস আঙুলে লাগিয়ে দাঁতের মাড়িতে মালিশ করলে দাঁত থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।

৮. বহুমূত্র রোগ সারাতে: পাতিলেবুর রস বহুমূত্র রোগে উপকারী।

৯. চোখের জ্যোতি বাড়াতে: কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস জলে মিশিয়ে পান করলে চোখের জ্যোতি বাড়ে।

১০. হাত-পায়ের যত্নে: শীতকালে হাত-পা জ্বালা করলে বা ত্বক বা চামড়া ফেটে গেলে গ্লিসারিনের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মাখলে উপকার পাওয়া যায়।

১১. ক্ষত স্থানে: লেবুর রস লাগালে ক্ষত ভাল হয়ে যায়।

১২. জ্বরে প্রশান্তি: পাতিলেবুর রস জ্বরের দাহ বা জ্বালা সারিয়ে দেয় তৃষ্ণা দূর করে। লেবুর রস রোগে জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করে।

১৩. প্রস্রাবে সমস্যা দূর করে: প্রসবের পর বেশি রক্তস্রাব হলে লেবুর রস খেলে উপকার পাওয়া যায়। পাতিলেবুর রসে যবক্ষার মিশিয়ে খেলে প্রস্রাবের জ্বালা দূর হয় ও প্রচুর পরিমাণে প্রস্রাব হয়।

১৪. ত্বকের যত্নে: চুলকুনিতে, গায়ে সূর্যে বেশি তাপ লেগে গেলে যে কষ্ট হয় তাতে লেবুর রস বিশেষ উপকারী। লেবু চিরে তাতে নুন ভরে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। একেবারে শুকিয়ে গেলে পিষে গুড়া করতে হবে। এই গুঁড়া লাগালে চুলকুনি এমনকী কুষ্ঠব্যাধিতেও আরাম পাওয়া যায়। লেবুর খোসা লেবুর রসে পিষে পুলটিস তৈরি করে গরম করে। বাঁধলে বা লেবুর রস ঘষলে নানা কারণে ত্বকে যে দাগ পড়ে তা দূর হয়। লেবুর রসে তেঁতুলের বীজ পিষে লাগালে দাদ সারে।  লেবুর রস ও নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মালিশ করলে ত্বকের শুষ্কতা, চুলকুনি, দাদ প্রভৃতি ত্বকের বা চামড়ার রোগে উপকার হয়। লেবুর রসে সমপরিমাণ সর্ষে বা তিলের তেল মিশিয়ে গায়ে মালিশ করুন। ফের গরম জলে স্নান বা গোসল করুন। জামা-কাপড় প্রতিদিন সাবান ও গরম জলে কেচে স্নানের পরে পরবেন। শুকনা চুলকুনি সারবে। এক বালতি গরম বা ঠাণ্ডা জলে একটি লেবু গেলে নিয়ে সেই জলে স্নান করলে চামড়া নরম ও উজ্জ্বল হয়।

১৫. বিছে বা পোকার কামড়ে: বিছে বা বিষাক্ত পোকার যে জায়গায় কামড়েছে লেবু ঘষলে সেই জায়গার জ্বালা কমে যায়। লেবুর রস বিষাক্ত পোকার কামড়ে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।

১৬. কাটা স্থানের রক্ত বন্ধ: শরীরে কোনো জায়গা কেটে গেলে এক টুকরা কাপড় লেবুর রস ভিজিয়ে সেখানে জড়িয়ে রাখলে রক্তপড়া বন্ধ হয়।

১৭. ক্ষারগুণ বৃদ্ধি: লেবু টক হলেও অম্লজনক নয়। অল্প পরিমাণে লেবুর রস খেলে অম্লত্ব নষ্ট হয়ে যায় এবং ক্ষারগুণ বৃদ্ধি পায়।

১৮. পেটের সমস্যা: বর্ষাকালের বদহজম, বমি, পাতলা পায়খানা, অরুচি ও অখিদে ইত্যাদি রোগের মহৌষধ এই লেবু। মিষ্টি ও ঘিয়ে খাবার খেলে যে বদহজম হয় তার কষ্ট দূর করে লেবুর রস। লেবু কেটে একটু নুন মিশিয়ে চুষলে অজীর্ণ সেরে যায়। লেবু আধখানা করে চিরে তার মধ্যে চিনি মিশিয়ে চুষলেও খাবার হজম না হওয়ার জন্যে যে বমি তা বন্ধ হয়।  দু চা চামচ লেবুর রস ও দু চা চামচ আদার রস মিশিয়ে তাতে একটু চিনি দিয়ে খেলে বদহজমজনিত সব রকমের পেট ব্যথা সারে। দুধ হজম না হওয়ার জন্যে যদি পেট গড়গড় করে তাহলে সকালে এক গ্লাস জলে একটি পাতিলেবুর রস গেলে নিয়ে খালি পেটে পান করুন আরাম পাবেন। একটা সুপক্ক পাতিলেবু আঁচে গরম করে নিন, রস বের করুন। এতে নুন আর চিনি মিশিয়ে এই লেবুর রস পান করলে পিত্তের জন্যে যে বমি হয় সেই বমি, পুরান পেটের অসুখ ও আমাশা সারে।  লেবু আর পেঁয়াজের রস ঠাণ্ডা জলে গুলে খেলে বদহজমের জন্যে যে পেটর অসুখ তাতে উপকার হয়। এমনকী কলেরাতেও উপকার পাওয়া যায়।

১৯. পিত্তে সমস্যা দূর করে: পিত্ত প্রকোপ থেকে যে সব রোগ হয় তার সবচেয়ে ভাল ওষুধ পাতিলেবু। ম্যালেরিয়ার একটি শ্রেষ্ঠ ওষুধ এই লেবু। এক গ্লাস জলে একটি লেবুর রস গেলে নিয়ে তাতে অল্প চিনি মিশিয়ে খেলে পিত্তের দাহ সেরে যায়।  প্রতিদিন লেবুর রসে চিনি মিশিয়ে শরবত তৈরি করে খেলে রক্তপিত্ত রোগ সেরে যায়।

২০. পাতলা পায়খানা বন্ধ করতে: লেবুর রস, ডালিম গাছের শিকড় ও জাফরান জলে একসঙ্গে পিষে ও জলে গুলে খেলে পায়খানা বন্ধ হয়।

২১. সর্দি ও কাশি সারাতে: শোওয়ার সময় গরম জলে লেবুর রস গুলে খেলে সর্দি সারে। কিছুদিন ধরে এইভাবে খেলে পুরনো সর্দিও সেরে যায়। অল্প লেবুর রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে চেটে খেলে প্রবল কাশি সেরে যায়। হাঁপানির আক্রমণও তৎক্ষণাৎ থেমে যাওয়ায় আরাম পাওয়া যায়।

 ২২. শূল ব্যথা কমে: লেবুর রসে মধু ও যবক্ষার (কবিরাজি দোকানে পাওয়া যায়) মিশিয়ে চাটলে শূল রোগের ব্যথা কমে।

২৩. কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করতে: কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোরবেলা খালি পেটে এক গ্লাস জলে একটি । পাতিলেবুর রস গেলে খেলে উপকার পাওয়া যায়। রাত্তিরে আগে বা ভোরে গরম বা ঠাণ্ডা জলে লেবুর রস মিশিয়ে খেলেও কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর হয়। লেবুর রসে চিনি ও জল মিশিয়ে এক মাস ধরে বাতি আগে খেলে বহু পুরনো কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে গিয়ে শৌচশুদ্ধি হয়।

 ২৪. মেদ কমাতে: পাকা পাতিলেবুর রসে সমপরিমাণ মধু দিয়ে অল্প অল্প গরম জল মিশিয়ে আহারের পর সঙ্গে সঙ্গেই পান করে নিলে এক দু মাসের মধ্যে মেদ-বৃদ্ধি কমে যায় এবং শরীরের বেড়ে যাওয়া মেদও ঝরে যায়।

২৫. পাথুরে রোগ সারাতে: লেবুর রসে নুন মিশিয়ে কিছুদিন ধরে নিয়মিত পান করলে কিডনির পাথর বা গল ব্লাডারের গলে যায়।

২৬. মাথার ত্বকে সুস্থ রাখতে: লেবু আর সর্ষের তেল সমপরিমাণে মাথায় লাগিয়ে তারপরে টক দই দিয়ে ঘষে মাথা ধুয়ে ফেললে মাথায় ছোট ছোট ফুস্কুড়ি হওয়া ও মাথার চামড়া শক্ত হয়ে যাওয়া (দারুণক রোগে) উপকার পাওয়া যাবে। লেবুর রস মাথায় ভাল করে ঘষে নিয়ে চুল ধুয়ে ফেললে চুলের ময়লা দূর হয় এবং মাথার চুলকুনি সারে। চুল চকচকে আর পরিষ্কার হয়।

২৭. প্রাথমিক কিছু রোগ সারাতে: লেবুর রসে মধু মিশিয়ে বাচ্চাদের চাটিয়ে দিলে বাচ্চাদের দুধ তোলা বন্ধ হয়। লেবু পুড়িয়ে তার ছাই মধুর সঙ্গে মিশিয়ে এক এক ঘণ্টা পর চাটলে হেঁচকি বন্ধ হয়। একটি পাকা পাতিলেবুর রসে অল্প মধু মিশিয়ে চাটলে সুলতা কমে ও শরীরে স্ফুর্তি আসে।

পাতিলেবুর কয়েকটি উপকারী পানীয় ও আচার তৈরি:

১. নিম্বু পানক: এক ভাগ পাতিলেবুর রস ও ছয় ভাগ চিনি জলে মিশিয়ে তাতে লবঙ্গ ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে তৈরি হয় নিম্বু পানক বা পাতিলেবুর পানীয়। এই পানীয় অতি উৎকৃষ্ট শরীরের পক্ষে উপকারী ও পিপাসা দূর করে।

২. পাতিলেবুর শরবত: পাতিলেবুর রস ২৫০ গ্রাম আদার রস ১২৫ গ্রাম,  চিনি ৫০০ গ্রাম, এতে নুন, বিট লবন ও অল্প হিং মিশিয়ে আঁচে বসাবেন। তিন বার ফুটে উঠলেই আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। পাতলা কাপড় দিয়ে গরম অবস্থায় ছেকে নিন। ঠাণ্ডা হলে বোতলে ভরে রাখুন। এক চিমটি কপূর মিশিয়ে এই শরবত আন্দাজ মতো জল দিয়ে পান করুন। বদহম, বদহজমের জন্যে পেটের অসুখ, কলেরা, আমাশা, অরুচি, অখিদে, কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলাবরোধ, পেটের ব্যথা, পেটে কৃমি প্রভৃতি সবই সারবে।

৩. লেবুর টাটকা শরবত : এক কাপ টাটকা লেবুর রসে কাপ চিনির রস মিশিয়ে তাতে অল্প লবঙ্গ ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে খিদে বেড়ে যায়, মুখের রুচি হয়, খাবার হজম হয়।

৪. লেবু-খামির: একটি মাটির হাঁড়িতে এক স্তর করে লেবু রাখুন তার ওপর এক স্তর লবণ রাখুন। এইভাবে স্তরে স্তরে লেবু ও লবণ চেপে চেপে রাখুন। এইভাবে চেপে চেপে লেবু রাখলে খামিরের সৃষ্টি হবে। একটি একটি করে এই লেবু-খামির খেলে বদহজম দূর হয়, খিদে পায় এই মুখে রুচি আছে।

৫. লেবুর আচার :  লেবু কেটে চার টুকরা করুন। কাচের বোয়ামে ভরে রাখুন। ওপর থেকে বিট নুন, গোলমরিচ, শুঠ বা শুকনা আদার গুঁড়া ও নুন দিয়ে রোদে রাখুন। লেবুর টুকরা  কিছুদিনের মধ্যেই গলে নরম হয়ে যাবে লবণ-সংযোগে রোদে রাখবার জন্যে। এই লেবুর আচার খেলে অজীর্ণ দূর হয় অরুচি দূর হয়।

৬. লেবু পোড়া: লেবু আধখানা করে চিরে নিন। এই চেরা অংশে অল্প শুঠের (শুকনা আদা) গুঁড়া ও নুন দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে নিন। গ্যাসে করলে। তাওয়ায় বসিয়ে একটু পুড়িয়ে কালচে করে নেবেন। এই লেবু পোড়ার রস চুষলে বদহজমের জন্যে বমি, টক ঢেকুর ওঠা, পেট ফুলে যাওয়া ইত্যাদি অম্বলের জন্যে যে অসুখ তাতে উপকার পাওয়া যাবে।

বৈজ্ঞানিক মতে, লেবুর টক রসে আছে সাইট্রিক অ্যাসিড। লেবুর রস পেটের সব জীবাণু ধ্বংস করে ও রক্ত শুদ্ধ করে। এতে আছে প্রোটিন, চর্বি, প্রাকৃতিক লবণ, শর্করা, ক্যালশিয়াম, পটাশ, ফসফরাস আর লোহা। লেবুতে ভিটামিন সি বেশি মাত্রায় আছে। অতএব স্কার্ভি ও রক্তপিত্ত রোগে খুব উপকারী। দাঁত থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। এতে ভিটামিন বিও আছে।

তথ্যসূত্রঃ

১. সাধনা মুখোপাধ্যায়: সুস্থ থাকতে খাওয়া দাওয়ায় শাকসবজি মশলাপাতি, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, নতুন সংস্করণ ২০০৯-২০১০, পৃষ্ঠা,১৬৯-১৭৫।

আরো পড়ুন

Dolon Prova
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।

Leave a Reply

Top