You are here
Home > প্রাণ > উদ্ভিদ > লতা > ইঞ্চি লতা বাংলাদেশের বহিরাগত আলংকারিক উদ্ভিদ

ইঞ্চি লতা বাংলাদেশের বহিরাগত আলংকারিক উদ্ভিদ

বৈজ্ঞানিক নাম: Tradescantia zebrina  

সমনাম: Zebrina pendula  

ইংরেজি নাম: inch plant বা wandering jew

বাংলা নাম: ইঞ্চি লতা বা ভ্রাম্যমান ইহুদী,

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস

জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants

অবিন্যসিত: Angiosperms

অবিন্যসিত: Monocots

অবিন্যসিত: Commelinids

বর্গ: Commelinales

পরিবার: Commelinaceae

গণ: Tradescantia

প্রজাতি: Tradescantia zebrina (Schinz) D. R. Hunt

পরিচিতি: ইঞ্চি লতা হচ্ছে কমেলিনাসি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। এটি মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং কলম্বোর স্থানীয় প্রজাতি এবং এখন এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে প্রাকৃতিকভাবে জন্মে।

বর্ণনা: ইঞ্চি লতার পাতা কিছুটা মাংশল বা সরস। ইঞ্চি লতাতে তিন পাপড়ির ফুল হয়। ফুলের রং লাল। ইঞ্চি লতার গাছ ঝুলানো টবে রাখা যায়, ঝুলানো টবে রাখলে এদের পাতার নিচের দিকের সুন্দর মেরুণ বর্ণ দেখা যায়। তবে অতিরিক্ত বেড়ে যায় বলে ট্রিমিং করে রাখতে হয়। এর ডাঁটা ছেঁটে কেটে বাগানের কোণায় যেনতেনভাবে ফেলে রাখলেও সিঙ্গাপুর ডেইজির মতো গাছ গজাতে পারে। বীজ ব্যতিরেকে মাত্র এক ইঞ্চি কাণ্ড থেকেও এর বিস্তার ঘটতে পারে।

ব্যবহার: ইঞ্চি লতা মূলত আলংকারিক বাসাবাড়ির উদ্ভিদ। এদেরকে ভূমির আচ্ছাদন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এদেরকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে আগ্রাসি হয়ে ওঠে। এদের কান্ড এবং পাতার স্বচ্ছ কষ বেশ এলার্জি সৃষ্টিকারী। তাই হাত সুরক্ষা করার জন্য গ্লাভস্‌ ছাড়া নাড়াচাড়া করলে হাত ধুয়ে ফেলা ভাল।

এটি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে আগ্রাসি উদ্ভিদ হিসেবে বিবেচিত।

আরো পড়ুন

Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম বই প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top