আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ > উদ্ভিদ > লতা > পিপুলের ভেষজ গুণ

পিপুলের ভেষজ গুণ

শ্বাসকষ্ট উপশম করে পিপুল (বৈজ্ঞানিক নাম: piper-longum)। পিপুলের ব্যবহার রান্নায় কম হলেও নামটা অনেকেরই জানা। পিপুলকে ঔষধি হিসেবে সেবন করলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। পিপুল দীপন বা উদ্দীপিত করে, তীক্ষ্ণ, উষ্ণ, রুক্ষ, পিত্তকারক ও মলাবেগ করায়। কফ, বায়ু, উদর রোগ, গ্যাস, লিভারের অসুখ, গুল্ম, কৃমি, শ্বাস রোগ উপশম করে। ক্ষয় রোধ করে। মস্তিষ্কের দুর্বলতা, উগ, বাত প্রকোপ, সূতিকা রোগ, ঋতুস্রাব পরিস্কার না হওয়া, নিদ্রাহীনতা কফ, শ্বাস প্রভৃতি শারিরীক অসুবিধেতে প্রাচীন কাল থেকে ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে পিপুল ব্যবহার করা হয়ে আসছে।

সুস্থ থাকতে পিপুলের ব্যবহার:

১. ম্যালেরিয়া জ্বরে:  পিপুলের গুঁড়া মধু মিশিয়ে চাটলে এবং তার পরে গরম গরম গরুর দুধ খেলে বিষমজুর (ম্যালেরিয়া) সারে।

২. কাশি সারাতে:  পিপুল, শুঁঠ (শুকনা আদা) আর বহেড়াদলের (কবিরাজি দোকানে পাওয়া যায়) চূর্ণ মধু মিশিয়ে চাটলে কাশি সেরে যায়।

৩. বমি বন্ধ করতে: পিপুল আর শুঁঠ (শুকনা আদা) সম পরিমাণে নিয়ে চূর্ণ করে মধু মিশিয়ে চাটলে বমি বন্ধ হয়।

৪. অম্ল কমায়:  পিপুলের গুঁড়াতে চিনি মিশিয়ে এক মাস ধরে নিয়মিত খেলে অম্লাদিতে উপকার হয়।

৫. অনিদ্রা কমাতে: পিপুলের গুঁড়া গুড় মিলিয়ে খেলে এবং তারপরে গরম দুধ খেলে ঘুম ভাল হয়।

বৈজ্ঞানিক মতে পিপুল বাত উপশম করে, উত্তেজনা সৃষ্টি করে, রক্তশোধন করে এবং সারক (মল মূত্র বায়ু) নিঃসরণ করে।

তথ্যসূত্রঃ

১. সাধনা মুখোপাধ্যায়: সুস্থ থাকতে খাওয়া দাওয়ায় শাকসবজি মশলাপাতি, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, নতুন সংস্করণ ২০০৯-২০১০, ২৫৬-২৫৭।

আরো পড়ুন

Dolon Prova
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।

Leave a Reply

Top