You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > জীবনী > ইংরেজ বৈজ্ঞানিক আইজ্যাক নিউটন বলবিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা

ইংরেজ বৈজ্ঞানিক আইজ্যাক নিউটন বলবিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা

সপ্তদশ-অষ্টাদশ শতকের বিশ্ববরেণ্য ইংরেজ বৈজ্ঞানিক আইজ্যাক নিউটনকে (ইংরেজি: Issac Newton; ১৬৪২-১৭২৭ খ্রি.) বলবিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা বলে গণ্য করা হয়। নিউটন বস্তুজগতের সর্বক্ষেত্রে ক্রিয়াশীল মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। দার্শনিক চিন্তার বিকাশকেও তিনি বিরাটভাবে প্রভাবিত করেছেন। তাঁর মূল গ্রন্থের নাম হচ্ছে ‘ফিলসফি ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেম্যাটিকা।’ ‘প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেম্যাটিকা’ হিসাবে এ গ্রন্থ সর্বজনীনভাবে পরিচিত। তাঁর সর্ব-ব্যাপক মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব সূর্য কেন্দ্রিক সৌরমন্ডলের চিন্তাকে যেমন পরিপূর্ণতা দান করে তেমনি এ তত্ত্ব সমগ্র বিশ্বের সকল বস্তু জগৎ এবং রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহকেও ব্যাখ্যার উপায় প্রদান করে।

দর্শনের ক্ষেত্রে নিউটন সত্তার বাস্তব অস্তিত্ব এবং মানুষের পক্ষে বিশ্বজগতের জ্ঞান অর্জনের ক্ষমতার পক্ষে অভিমত প্রকাশ করেন। অবশ্য কালের প্রেক্ষিতে তিনি বস্তুর মূল গতি ঈশ্বর হতে এসেছে বলে মনে করেন। কিন্তু তত্ত্বের ক্ষেত্রে তাঁর ঘোষণা, অনুমানের উপরে আমি কোনো কথা বলি নে, ‘হাইপথেসিস ননফিঙ্গো’ অষ্টাদশ শতকের বিজ্ঞানের বাস্তব পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রধান নীতি হয়ে দাঁড়ায়।

ইউরোপে বস্তুবাদী দর্শনের বিকাশে নিউটনের অবদান অবিস্মরণীয়। জ্ঞানের অসীমতার ক্ষেত্রে তাঁর উক্তি, ‘আমি জ্ঞান সমুদ্রের তীরে উপলখন্ড সংগ্রহ করে চলেছি’ গভীর দার্শনিক তাৎপর্যে পূর্ণ অনুপ্রেরণাদায়ক উক্তি।

তথ্যসূত্র:
১. সরদার ফজলুল করিম; দর্শনকোষ; প্যাপিরাস, ঢাকা; জুলাই, ২০০৬; পৃষ্ঠা ২৯৩-২৯৪।

আরো পড়ুন:  সিগমুন্ড ফ্রয়েড ছিলেন মনোসমীক্ষণের প্রবক্তা
Anup Sadi
অনুপ সাদির প্রথম কবিতার বই “পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি” প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১০টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর “সমাজতন্ত্র” ও “মার্কসবাদ” গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন “বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা” নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। জন্ম ১৬ জুন, ১৯৭৭। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন।

Leave a Reply

Top