You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > বই > বই পর্যালোচনা > কার্ল মার্কসের ‘পুঁজি’র প্রথম খন্ডের পর্যালােচনা

কার্ল মার্কসের ‘পুঁজি’র প্রথম খন্ডের পর্যালােচনা

উদ্বৃত্ত মূল্য হচ্ছে মাগনা শ্রম

Rheinische Zeitung পত্রিকার জন্যে;
ক. মার্কসের ‘পুঁজি’র প্রথম খন্ডের পর্যালােচনা প্রবন্ধ
কার্ল মার্কস। পুঁজি। অর্থশাস্ত্রের পর্যালােচনা;
খন্ড ১। পুঁজি উৎপাদনের প্রক্রিয়া। 
হাম্বুর্গ, অট্রো মেইনার, ১৮৯৭

ইতিমধ্যে বিদ্যমান পার্লামেন্টারী পার্টিগুলির সঙ্গে একটা নতুন পার্টি জুড়ে দিয়েছে সর্বজনীন ভােটাধিকার – সেটা হলো সােশ্যাল-ডেমােক্র্যাটিক পার্টি। উত্তর-জার্মান রাইখস্টাগের গত নির্বাচনে এই পার্টি নিজস্ব প্রার্থীদের দাঁড় করিয়েছিল বেশির ভাগ বড় শহরে, সমস্ত কারখানা মহল্লায় এই পার্টির ছয় কিংবা আট জন প্রার্থী ডেপুটি নির্বাচিত হন। এর আগের নির্বাচনে যা ছিল সেটার সঙ্গে তুলনায় এই পার্টি অনেকটা বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠছে, তাই ধরে নেওয়া যেতে পারে এটা এখনও বাড়ছে – অন্তত আপাতত। সর্বজনীন ভােটাধিকার যে-দেশে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ন্যস্ত করেছে সংখ্যায় সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গরিব শ্রেণির হাতে সেখানে এমন একটি পার্টির অস্তিত্ব, ক্রিয়াকলাপ আর মতবাদ খাসা নীরবে অগ্রাহ্য করতে থাকতে চাওয়াটা বােকামি।

ঐ অল্প কয়েক জন সােশ্যাল-ডেমােক্রাটিক ডেপুটি নিজেদের মধ্যে যতটা বিভক্ত এবং অব্যবস্থিত হন না কেন, ঐ পার্টির সমস্ত গ্রুপই এই বইখানাকে সাগ্রহে গ্রহণ করবে তাদের তত্ত্বীয় বাইবেল হিসেবে, যেখান থেকে তারা সংগ্রহ করবে সবচেয়ে সারবান যুক্তিগুলি এমন অস্ত্রাগার হিসেবে, সেটা ধরে নেওয়া যেতে পারে নিঃসন্দেহে। শুধু এই কারণে হলেও বইখানা বিশেষ মনােযােগ পাবার যােগ্য। তবে এর বিষয়বস্তুও এমন যা আগ্রহ জাগাবে। লাসালের প্রধান যুক্তিধারা তাে রিকার্ডোর তথাকথিত মজুরি নিয়মের অবিরাম পুনরাবৃত্তিতেই সীমাবদ্ধ (আর অর্থশাস্ত্রে লাসাল তাে মার্কসের শিষ্যমাত্র), কিন্তু আমাদের সামনে রয়েছে যে বইখানা তাতে পুঁজি আর শ্রমের গােটা সম্পর্ক নিয়ে আলােচনা করা হয়েছে সেটাকে সমগ্র অর্থনীতি-বিজ্ঞানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে, তাতে বিরল পান্ডিত্য, অকাট্য আর আধুনিক সমাজের গতির আর্থনীতিক নিয়মটাকে খুলে ধরার আখেরী লক্ষ্য নিয়ে এই বইখানা সেইভাবে বিষয়টা সম্বন্ধে সন্দেহাতীত জ্ঞানের সাহায্যে স্পষ্টতই সাচ্চা বিচার-বিশ্লেষণ চালিয়ে এসেছে এই সিদ্ধান্তে – লােপ করতে হবে সমগ্র ‘পুঁজিতান্ত্রিক উৎপাদন-প্রণালীটাকে’। আমরা অবশ্য-আরও একটা তথ্যের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছি; লেখক তার রচনার মধ্যে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত করা ছাড়াও অর্থবিদ্যার বেশ কতকগুলি বড়রকমের প্রশ্ন হাজির করেছেন একবারেই নতুন দিক থেকে, আর বিভিন্ন নিছক বৈজ্ঞানিক প্রশ্নে এমন সব ফল উদ্ভূত হয়েছে যেগুলি চলতি অর্থবিদ্যা থেকে অত্যন্ত বিসদৃশ, – সনাতনী অর্থনীতিবিদেরা এযাবৎ যে-মতধারা পােষণ-প্রচার করে আসছেন সেটা কুপােকাত হলো এমনটা দেখতে তারা যদি না চান তাহলে ঐ ফলগুলিকে যথােপযুক্ত উপায়ে সমালােচনা করতে হবে, বিজ্ঞানসম্মত প্রণালীতে খন্ডন করতে হবে তাদের। বিভিন্ন বিশেষিত পত্র-পত্রিকায় ঠিক এইসব বিষয়ে শীঘ্রই তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়ে যাওয়াটা বিজ্ঞানের স্বার্থে বাঞ্ছনীয়।

আরো পড়ুন:  কবিতা জানাতে চায়

মার্কস শুরুতে বিবৃত করেছেন পণ্য আর অর্থের মধ্যে সম্পর্কটাকে; তার সবচেয়ে মূল উপাদানটা একটা বিশেষ রচনায় প্রকাশিত হয়েছিল কিছুকাল আগে। তারপর তিনি গেছেন পুঁজির প্রশ্নে, এটা হলো গােটা বইখানার সর্বপ্রধান বিষয়। পুঁজি কী ? — যে-অর্থ পণ্যে পরিবর্তিত হয়েছে, যাতে সেটা আবার পণ্য থেকে পরিবর্তিত হয়ে গােড়ায় যা ছিল তার চেয়ে বেশি অর্থে পরিণত হতে পারে। ১০০ টালারের[১] তুলাে কিনে সেটাকে ১১০ টালারে বিক্রি করলে আমি আমার ১০০ টালার বজায় রাখি পুঁজি হিসেবে, যে-মূল্যে বাড়ে আপনিই। এখন প্রশ্ন ওঠে: এই প্রক্রিয়ায় যে ১০ টালার অর্জন করি সেটা আসে কোথা থেকে? দুটো সরল বিনিময়ের ফলে ১০০ টালার হয়ে দাঁড়াল ১১০ টালার, এমনটা হয় কেমন করে? কেননা অর্থবিদ্যায় তাে ধরেই নেওয়া হয় সমস্ত বিনিময়েই সমান-সমান মূল্যের বিনিময় হয়। অর্থবিদ্যার ধরে-নেওয়া অবস্থায় মূল ১০০ টালার থেকে ১০ টালার উদ্বৃত্ত-মূল্য পয়দা হওয়া অসম্ভব, এটা প্রমাণ করার জন্যে মার্কস তারপর বিবেচনা করেছেন সম্ভাব্য অবস্থা নিয়ে (পণ্যের দামের চড়া-পড়া, ইত্যাদি)। অথচ এই প্রক্রিয়াটা ঘটে প্রতিদিন, কিন্তু অর্থনীতিবিদেরা তার কোনো ব্যাখ্যা আমাদের দেন নি এখনও। মার্কস দিয়েছেন নিম্নলিখিত ব্যাখ্যাটা ও ধাঁধাটা সমাধান করা যেতে পারে একমাত্র যদি আমরা বাজারে পাই খুবই বিশেষ ধরনের একটা পণ্য, বিনিময়-মূল্য পয়দা করাতেই যে-পণ্যটার উপযােগ-মূল্য। আছে এমন পণ্য — সেটা হলো শ্রমশক্তি। শ্রমশক্তি বাজারে কিনে পুঁজিপতি সেটাকে নিজের জন্যে খাটায় সেটার উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করার জন্যে। কাজেই শ্রমশক্তি নিয়ে আমাদের যাচবিচার হবে সর্বপ্রথমে।

শ্রমশক্তির মূল্য কী ? সাধারণত বিদিত নিয়ম অনুসারে সেটা হলো কোনো একটা নির্দিষ্ট দেশে কোনো একটা নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক যুগে প্রচলিত ধরনে মেহনতীজনের ভরণপােষণ আর বংশবৃদ্ধির জন্যে আবশ্যক জীবনীয় উপকরণের মূল্য। আমরা ধরে নিচ্ছি মেহনতীজনকে দেওয়া হয় তার শ্রমশক্তির গােটা মূল্যটাকে। আমরা আরও ধরে নিচ্ছি এই মূল্যটা হলো দৈনিক ছ’ঘন্টার কিংবা অর্ধ কর্ম-দিনের কাজ। কিন্তু পুঁজিপতি নিশ্চয় করে বলে, সে শ্রমশক্তি কিনেছে একটা গােটা কর্ম-দিনের জন্যে, এই বলে সে মেহনতীজনকে খাটায় বারাে ঘন্টা কিংবা আরও বেশি। কাজেই বারাে-ঘন্টার কর্ম-দিনে সে ছ’ঘন্টা কাজের উৎপাদিত পণ্য আত্মসাৎ করে মাগনা। এর থেকে মার্কসের এই সিদ্ধান্ত: পুঁজিপতির লাভ, ভূমিরাজস্ব, কর, ইত্যাদি যেভাবেই সেটার ভাগ-বাটোয়ারা হােক না কেন, সমস্ত উদ্বৃত্ত-মূল্য হলো মাগনা শ্রম।

আরো পড়ুন:  হুমায়ূন আহমেদ: লুটপাটের অর্থনীতির লাঠিয়াল

প্রতিদিন যতখানি সম্ভব মাগনা শ্রম আদায় করায় ম্যানুফ্যাকচারারের স্বার্থ, আর মেহনতীজনের বিপরীত স্বার্থ থেকে দেখা দেয় কর্ম-দিনের দৈর্ঘ্য নিয়ে সংগ্রাম। প্রায় এক-শ’ পৃষ্ঠাজোড়া খুবই পড়ার মতাে একটা দৃষ্টান্তে মার্কস ইংলন্ডের বৃহৎ শিল্পে এই সংগ্রাম উদ্ভবের বর্ণনা করেছেন; অবাধ-বাণিজ্যওয়ালা ম্যানুফ্যাকচারারদের প্রতিবাদ সত্ত্বেও গত বসন্তকালে এই সংগ্রামের শেষে কারখানা শিল্পকেই শুধু নয়, সমস্ত খুদে প্রতিষ্ঠানকে, এমনকি সমস্ত কুটির শিল্পকেও কারখানা আইনের বাধা-নিষেধের আওতায় ফেলা হয়, তদনুসারে নারীদের এবং আঠারর কম বয়সের কিশােরদের তার ফলে পরােক্ষ শিল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলিতে পুরুষদেরও – কর্ম-দিনের গরিষ্ঠ মাত্রা ধার্য হয় সাড়ে-দশ ঘন্টা। তার সঙ্গে সঙ্গে মার্কস স্পষ্ট দেখিয়েছেন কেন তার ফলে ইংলন্ডের শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলো না, উলটে বরং লাভবানই হলো, কেননা প্রতিটি ব্যক্তি শ্রমিকের কাজের সময়কাল কমে যাওয়ার দরুন তারা কাজে আরো গভীর হয়েছিল।

তবে আবশ্যক জীবনীয় উপকরণগুলাে কিংবা সেগুলাের মূল্য পয়দা করতে সময় লাগে সেটা ছাড়িয়ে কর্ম-দিনের দৈর্ঘ্য বাড়ান ছাড়াও আর-একটা উপায় আছে উদ্বৃত্ত-মূল্য বাড়াবার। আমরা আগে যা ধরে নিয়েছি তাতে কোন একটা কর্ম-দিনের (ধরা যাক বারাে-ঘন্টার কর্ম-দিনের) মধ্যে থাকে ছ’ঘন্টার আবশ্যক খাটুনি এবং উদ্বৃত্ত-মুল্য পয়দা করতে লাগান আর ছ’ঘন্টার খাটুনি। আবশ্যক কর্মকালটাকে কমিয়ে পাঁচ ঘন্টা করার কোন উপায় পাওয়া গেলে উদ্বৃত্ত-মূল্য পয়দা করার জন্যে থাকে সাত ঘন্টা। এটা হাসিল করা যায় প্রয়ােজনীয় জীবনীয় উপকরণগুলাে পয়দা করার জন্যে যা লাগে সেই কর্ম-কাল কমিয়ে, অর্থাৎ কিনা, জীবনীয় উপকরণের দাম কমিয়ে, আর সেটা আবার করা যায় উৎপাদনের উৎকর্ষ ঘটিয়েই শুধু। এই বিষয়েও মার্কস বিস্তারিত ব্যাখ্যাকর উদাহরণ দিয়েছেন; এইসব উৎকর্ষ কিভাবে ঘটানাে যায় তার তিনটে প্রধান চাড়া তিনি তাতে যাচবিচার কিংবা বর্ণনা করেছেন: ১) সমবায় বা ক্ষমতার বহুলীকরণ, যেটা ঘটে কিছুসংখ্যক শ্রমিকের যুগপৎ এবং প্রণালীবদ্ধ যৌথ কাজের ফলে; ২) শ্রমবিভাগ, যেমনটা দানা বেঁধে উঠেছিল পুরােদস্তুর ম্যানুফ্যাকচারের কালপর্যায়ে (অর্থাৎ প্রায় ১৭৭০ সাল নাগাদ); আর শেষে, ৩) যন্ত্রপাতি, যার সাহায্যে তারপর থেকে শিল্পের উন্নয়ন ঘটেছে। এইসব বর্ণনাও খুবই আগ্রহজনক, আর সেগুলিতে দেখা যায় বিষয়টা সম্বন্ধে আশ্চর্য জ্ঞান, সেটা একেবারে প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি।

উদ্বৃত্ত-মূল্য আর মজুরি সম্বন্ধে যাচ-বিচারের আরও বিস্তারিত আলােচনা এখানে করা যাচ্ছে না; তবে ভুল বােঝাবুঝি এড়াবার জন্যে আমরা শুধু বলছি – কতকগুলি উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কস যা প্রমাণ করেছেন – মজুরি যে কাজের সমগ্র উৎপাদের চেয়ে কম সেটা সনাতনী অর্থনীতিবিদ্যায় অজানা নয়। আশা করা যেতে পারে, বাস্তবিকই আশ্চর্য ওই বিষয়ে শ্রীযুক্ত সনাতনী অর্থনীতিবিদেরা আরও যথাযথ কৈফিয়ত দেবার সুযােগ পাবেন এই বইখানার প্রকাশন উপলক্ষে। মার্কস যেসব তথ্যমুলক প্রমাণ দিয়েছেন সেগুলি সবই নেওয়া হয়েছে সেরা-সেরা প্রামাণিক সূত্র থেকে – বেশির ভাগই অফিশিয়াল পার্লামেন্টারী রিপাের্ট, এটা যথাযথভাবে উপলব্ধ হবে। লেখক তাঁর মুখবন্ধে পরােক্ষ একটা কথা তুলেছেন, সেটাকে আমরা সমর্থন করছি এই সুযােগে – সেটা হলো এই যে, জার্মানিতেও সরকারী কর্মকর্তারা (তাদের অবশ্য পক্ষপাতদুষ্ট আমলা হওয়া চলবে না) বিভিন্ন শিল্পে শ্রমিকদের অবস্থা সম্বন্ধে সর্বত তদন্ত করুন, আর তার রিপাের্ট পেশ করা হােক রুইখস্টাগে এবং সাধারণ্যে।

আরো পড়ুন:  কার্ল মার্কসের জীবন

পুঁজি সঞ্চয়ন সম্বন্ধে বিচার-বিশ্লেষণ দিয়ে শেষ হয়েছে প্রথম খন্ড। এই বিষয়ে লেখা হয়েছে প্রায়ই, যদিও এক্ষেত্রেও বইখানায় যা দেওয়া হয়েছে তার অনেকটাই নতুন, আর নতুন-নতুন দিক থেকে স্পষ্ট করে তােলা হয়েছে পুরানটাকে, তা অনস্বীকার্য। খুবই মৌলিক উপাদান হলো এটা প্রতিপাদনের চেষ্টা: পুঁজির সমাহরণ আর সঞ্চয়নের পাশাপাশি এবং সেটার সঙ্গে তাল রেখে উদ্বৃত্ত মেহনতী জনসমষ্টি রাশীকৃত হয়ে উঠছে, আর এই দুয়ের মিলিত ক্রিয়াফলে শেষে সামাজিক-ওলটপালট হয়ে উঠবে একদিকে আবশ্যক, আর সম্ভব অন্য দিকে।

এই বইখানা লেখকের সমাজতান্ত্রিক অভিমত সম্বন্ধে পাঠকের মতামত যা-ই হােক, আমাদের মনে হয় আমরা পাঠককে দেখাতে পেরেছি তার সামনে রয়েছে এমন একটা রচনা যেটা প্রচলিত ধরনের সােশ্যাল-ডেমােক্র্যাটিক প্রকাশনগুলি থেকে বেশ কিছুটা উপরে। আর তার উপর আমরা আরও বলছি, প্রথম চল্লিশ পৃষ্ঠার জোরাল দ্বান্দ্বিক উপাদানগুলি ছাড়া বইখানা – যাবতীয় বৈজ্ঞানিক যথাযথ সত্ত্বেও – খুবই সহজবােধ্য, আর লেখক কাউকে ছেড়ে কথা বলেন নি যে ব্যঙ্গবিদ্রুপাত্মক ধরনে তা ফলে রচনাটা হয়েছে বেশ আগ্রহজনক।[২]

টিকা

১. ১৬ শতক থেকে অস্ট্রিয়া এবং ইউরােপের অন্যান্য দেশে ছাপা রুপাের মুদ্রা। – সম্পাঃ
২. মূল জার্মান লেখাটি লেখা হয় ১৮৬৭ সালের ১২ অক্টোবর, এঙ্গেলসের ইংরেজি Review of Volume One of Capital for the Rheinische Zeitung নিবন্ধের এটি বঙ্গানুবাদ। বঙ্গানুবাদটি নেয়া হয়েছে সোভিয়েত ইউনিয়নের মার্কস-এঙ্গেলস ইন্সটিটিউট কর্তৃক প্রকাশিত মার্কসের পুঁজি প্রসঙ্গে গ্রন্থ থেকে।

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
কার্ল মার্কসের সাথে মার্কসবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস (২৮ নভেম্বর, ১৮২০ - ৫ আগস্ট ১৮৯৫) ছিলেন জার্মান বিপ্লবী, দার্শনিক, সমাজ বিজ্ঞানী, লেখক ও রাজনৈতিক তাত্ত্বিক। তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো হচ্ছে “পবিত্র পরিবার” (১৮৪৪), “ইংল্যান্ডে শ্রমিক শ্রেণির অবস্থা” (১৮৪৫) “এ্যান্টি-ডুরিং” (১৮৭৮) “প্রকৃতির দ্বান্দ্বিকতা (১৮৮৩), “পরিবার ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি” (১৮৮৪) প্রভৃতি। ১৮৪৮ সালে ছাপা মার্কস ও এঙ্গেলসের সুবিখ্যাত “কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার”।

Leave a Reply

Top