You are here
Home > শিল্প

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি — পীতাম্বর দাস

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি,* হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে জগৎবাসী।। কলের বোমা তৈরি করে দাঁড়িয়ে ছিলেম রাস্তার ধারে মাগো, বড়লাটকে মারতে গিয়ে মারলাম আরেক ইংল্যান্ডবাসী।। শনিবার বেলা দশটার পরে জজকোর্টেতে লোক না ধরে, মাগো হল অভিরামের দ্বীপ চালান মা ক্ষুদিরামের ফাঁসি। দশ মাস দশদিন পরে

আর্ট

আমি হাত দেখতে জানি, আমি দেরি করে আসার পার্থিব কারণ জানি না শুধু জানি, তুমি ঘন চুলের মতো গাঢ় আকাশের খুব পাশে আঁকো এক লোহিত সূর্য, ওখানে মেয়েরা মেঘ হয়ে পাখিদের খুব কাছে ভালোবাসার স্রোতে বেঁচে আছে। মাঝে মাঝে ভালো লাগে তোমার অনাদরের ডাক, সত্যজিতের সিনেমা খুঁজতে গিয়ে দেখেছি তোমার সজীব চোখে ঘুঙুর পরা বাঙলার

গোবিন্দ অধিকারী উনিশ শতকের কৃষ্ণ যাত্রার একজন বিখ্যাত পালাকার

“শুক-শারী সংবাদ” বা ‘বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের’ কীর্তন গানটি আমরা লোপামুদ্রা মিত্রের এবং কনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (১৯২৪ – ২০০০) কণ্ঠে শুনেছি বহুবার। এই গানটি উত্তম কুমার (১৯২৬- ৮০) অভিনীত ‘রাইকমল’ সিনেমাতেও গাওয়া হয়েছিল। সেই বিখ্যাত গানটির গীতিকারের নাম গোবিন্দ অধিকারী। তিনি ছিলেন উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত যাত্রাভিনেতা এবং কৃষ্ণ যাত্রায় দুতীর

শুক-শারী সংবাদ — গোবিন্দ অধিকারী

বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের। রাই আমাদের রাই আমাদের আমরা রাইয়ের রাই আমাদের।। শুক বলে আমার কৃষ্ণ মদনমোহন। শারী বলে আমার রাধা বামে যতক্ষণ; নৈলে শুধুই মদন। শুক বলে আমার কৃষ্ণ গিরি ধরেছিল। শারী বলে আমার রাধা শক্তি সঞ্চারিল; নৈলে পারিবে কেন? শুক বলে আমার কৃষ্ণের মাথায় ময়ুর পাখা। শারী বলে আমার রাধার নামটি তাতে লিখা; ঐ যে যায় গো দেখা।। শুক বলে

চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি — গোবিন্দ অধিকারী

চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি এ ফুলে এ কল আছে কে জানে। এতো ফুল নয় ভাই ত্রিশুল অসি, মরমে রহিল পশি রাই-রূপসীর রূপ অসি হানেপ্রাণে।। শ্রীরাধাকুণ্ডবাসী শ্রীরাধা-তুল্যবাসী অসি সরসী বাসি কাননে। এখন বিনে সেই রাই রূপসী জ্ঞান হয় সব বিষরাশি, গরলগ্রাসী নাশি জীবনে।        আমার মিথ্যা নাম  রাখালরাজ        রাখাল সঙ্গে বিরাজ, রাখালের রাজ অঙ্গে কাজ কি জানে। যদি

ঋত্বিক ঘটকের ৮টি চলচ্চিত্র

ঋত্বিক ঘটককে বলা যায় বাংলা চলচ্চিত্রের মহাপরিচালক। একক ও অদ্বিতীয় এই মানুষটি অন্য কারো সাথেই তুলনীয় নন। গোটা দুনিয়াজোড়া খ্যাতিমান সত্যজিৎ রায়কেও ঋত্বিক ঘটকের সামনে নেহাত মাঝারি মনে হয়। ঋত্বিক ঘটক যেন গোটা দুনিয়ার মানুষের সংগ্রামকে বাংলা ভাষার চিত্রে ছোট ছোট জীবনের ক্যানভাসে তুলে ধরছেন। ঋত্বিক ঘটকের চরিত্রসমূহের লড়াই যেন

তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে

হস্তিক নড়ান হস্তিক চরান হস্তির পায়ে বেড়ি   ও রে সত্যি করিয়া কনরে মাহুত কোন বা দেশে বাড়িরে? আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে?   হস্তিক নরাং হস্তিক চরাং হস্তির গালায় দড়ি ওরে সত্য করিয়া কংরে কন্যা গৌরীপুরে বাড়ি রে। আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি

হেমাঙ্গ বিশ্বাস বাংলা গণসংগীতের জননন্দিত মহাযোদ্ধা

হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম ১৯১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর; বাংলা তারিখ ২৭ অগ্রহায়ণ ১৩১৯। জন্মস্থান তৎকালীন শ্রীহট্ট বা সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাসি গ্রামে। সে হিসেবে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সিলেটের মিরাশির বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম হ রকুমার বিশ্বাস ও মা সরোজিনী দেবি। তাঁর মৃত্যূ তারিখ ২২ নভেম্বর ১৯৮৭। তিনি একজন

বাংলাভাগে যন্ত্রণাবিদ্ধ মহান চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক

ঋত্বিক ঘটক (৪ নভেম্বর, ১৯২৫ - ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬) বাংলা চলচ্চিত্রের মহান পরিচালক। তিনি সর্বাপেক্ষা দগ্ধ ছিলেন বাংলা ভাগের যন্ত্রণায়। আর ঋত্বিকের অবগাহন যে নদীটিতে তার নাম বাংলা দেশ। এই নদী বয়ে গেছে দেশভাগ, দেশত্যাগ, নির্বাসন, ছিন্নমূলতা, যুদ্ধ, শ্রেণিসংগ্রাম ইত্যাদির ভেতর দিয়ে। এই নদী ছিল সৃষ্টি, নির্মাণ, প্রলয় আর ধ্বংসের

তুলসী লাহিড়ী বাংলা ভাষার এক মহান নাট্যকার, গীতিকার ও চলচ্চিত্রকার

তুলসী লাহিড়ী (১৮৯৭-২২ জুন, ১৯৫৯) বিখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা। তিনি বাংলা নাটককে পুরোনো বাণিজ্যিক থিয়েটারকে মধ্য ১৯৪০-এ ভারতীয় গণনাট্য সংস্থার মাধ্যমে নবনাট্য আন্দোলনের মাধ্যমে রূপান্তর করেন। তিনি পূর্ববঙ্গের রংপুরে এবং পরে কলকাতার আলিপুর কোর্টে ওকালতি করতেন। তিনি বহুমুখী আগ্রহ ও পারদর্শিতা নিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন যেগুলো হচ্ছে সঙ্গীতবিদ, কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রশিল্পী,

Top