You are here
Home > শিল্প

লোকশিল্প প্রসঙ্গে

লোকশিল্প (ইংরেজি: Folk-Art) হচ্ছে ধর্মীয়, সামাজিক জীবন, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের প্রয়োজন থেকে উদ্ভব। লোকশিল্প কোনো একটি অঞ্চল, গোষ্ঠী, সভ্যতার সংস্কৃতিকে ফুটে তোলে। এটি একটি নিখুঁত শৈলী দ্বারা চিহ্নিত হয়, যা তৈরি হয় প্রথাগত নিয়মে। লোকশিল্প ঐতিহ্য হিসাবে সভ্যতার প্রতিটি পর্যায়কে বর্ণনা করে থাকে, তবে দ্রুত আধুনিকতা, শিল্পায়ন বা বাইরের

নন্দনতত্ত্ব বা সৌন্দর্যতত্ত্ব মানুষের সৃজনশীল ক্ষমতার বাস্তব প্রকাশ

নন্দনতত্ত্ব বা সৌন্দর্যতত্ত্ব (ইংরেজি: Aesthetics) কথাটি ব্যাপক। এ কারণে এর বিষয়বস্তুর সীমা নির্দিষ্ট করা কষ্টকর। সৌন্দর্যতত্ত্বের মধ্যে সৌন্দর্যানুভূতি, শিল্পকলার বিচার, সুন্দর-অসুন্দরের পার্থক্য প্রভৃতি সমস্যাকে সাধারণত অন্তর্ভুক্ত মনে করা হয়। সৌন্দর্যতত্ত্বের সঙ্গে নীতিশাস্ত্রেরও একটি সম্পর্ক রয়েছে। এক্ষেত্রে সমাজ সংস্থার নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবর্তনে সৌন্দর্যতত্ত্বের ভূমিকা আলোচিত হয়। সাধারণভাবে সৌন্দর্যানুভূতিকে প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ও তেতাল্লিশের মণ্বন্তর

জয়নুল আবেদীন (জন্ম: ২৯ ডিসেম্বর, ১৯১৪ - মৃত্যু: ২৮ মে, ১৯৭৬) বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। তিনি ‘শিল্পাচার্য’ নামে পরিচিত ছিলেন। তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে-দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড় এবং আরো অনেক ছবি। ১৯৬৯ সালে গ্রাম বাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন ৬৫ ফুট দীর্ঘ তাঁর বিখ্যাত ছবি নবান্ন। জয়নুল তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে

আর্ট ফিল্ম ও কমার্শিয়াল ফিল্ম প্রসঙ্গে–সন্দীপন চক্রবর্তী

বিজ্ঞানের এক মজার আবিষ্কার হিসেবেই চলচ্চিত্রের জন্ম। বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে তার ব্যবহার শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তা জনপ্রিয় ও বাজারসফল হয়ে ওঠে। এরপর ক্রমে তা এক স্বতন্ত্র শিল্পমাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং পূর্বোক্ত ধারার ছবিগুলোর থেকে শিল্পিত ছবিগুলোকে আলাদা করার প্রয়োজন দেখা দেয়। ‘আর্ট সিনেমা’কথাটার প্রয়োগ এসেছে আমেরিকান ‘আর্ট

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি — পীতাম্বর দাস

একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি বাংলা দেশাত্মবোধক গানের মধ্যে একটি খুবই উল্লেখযোগ্য গান। গানটির গীতিকার ও সুরকার পীতাম্বর দাস সরল লৌকিক ঝুমুর বাউল সুরে রচনা ও সুরারোপ করেন। গানটি ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতাসংগ্রামী মহান বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর (৩ ডিসেম্বর, ১৮৮৯ - ১১ আগস্ট, ১৯০৮) সম্মানে রচিত হয় এবং তৎকালীন সময়ে খুব জনপ্রিয় হয়। ভারতের

শুক-শারী সংবাদ — গোবিন্দ অধিকারী

বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের। রাই আমাদের রাই আমাদের আমরা রাইয়ের রাই আমাদের।। শুক বলে আমার কৃষ্ণ মদনমোহন। শারী বলে আমার রাধা বামে যতক্ষণ; নৈলে শুধুই মদন। শুক বলে আমার কৃষ্ণ গিরি ধরেছিল। শারী বলে আমার রাধা শক্তি সঞ্চারিল; নৈলে পারিবে কেন? শুক বলে আমার কৃষ্ণের মাথায় ময়ুর পাখা। শারী বলে আমার রাধার নামটি তাতে লিখা; ঐ যে যায় গো দেখা।। শুক বলে

চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি — গোবিন্দ অধিকারী

চম্পক বরণী বলি, দিলি যে চমক কলি এ ফুলে এ কল আছে কে জানে। এতো ফুল নয় ভাই ত্রিশুল অসি, মরমে রহিল পশি রাই-রূপসীর রূপ অসি হানেপ্রাণে।। শ্রীরাধাকুণ্ডবাসী শ্রীরাধা-তুল্যবাসী অসি সরসী বাসি কাননে। এখন বিনে সেই রাই রূপসী জ্ঞান হয় সব বিষরাশি, গরলগ্রাসী নাশি জীবনে।        আমার মিথ্যা নাম  রাখালরাজ        রাখাল সঙ্গে বিরাজ, রাখালের রাজ অঙ্গে কাজ কি জানে। যদি

ঋত্বিক ঘটকের ৮টি চলচ্চিত্র

ঋত্বিক ঘটককে বলা যায় বাংলা চলচ্চিত্রের মহাপরিচালক। একক ও অদ্বিতীয় এই মানুষটি অন্য কারো সাথেই তুলনীয় নন। গোটা দুনিয়াজোড়া খ্যাতিমান সত্যজিৎ রায়কেও ঋত্বিক ঘটকের সামনে নেহাত মাঝারি মনে হয়। ঋত্বিক ঘটক যেন গোটা দুনিয়ার মানুষের সংগ্রামকে বাংলা ভাষার চিত্রে ছোট ছোট জীবনের ক্যানভাসে তুলে ধরছেন। ঋত্বিক ঘটকের চরিত্রসমূহের লড়াই যেন

তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে

হস্তিক নড়ান হস্তিক চরান হস্তির পায়ে বেড়ি   ও রে সত্যি করিয়া কনরে মাহুত কোন বা দেশে বাড়িরে? আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে?   হস্তিক নরাং হস্তিক চরাং হস্তির গালায় দড়ি ওরে সত্য করিয়া কংরে কন্যা গৌরীপুরে বাড়ি রে। আর গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে? তোমরা গেইলে কি

হেমাঙ্গ বিশ্বাস বাংলা গণসংগীতের জননন্দিত মহাযোদ্ধা

হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম ১৯১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর; বাংলা তারিখ ২৭ অগ্রহায়ণ ১৩১৯। জন্মস্থান তৎকালীন শ্রীহট্ট বা সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাসি গ্রামে। সে হিসেবে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সিলেটের মিরাশির বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম হ রকুমার বিশ্বাস ও মা সরোজিনী দেবি। তাঁর মৃত্যূ তারিখ ২২ নভেম্বর ১৯৮৭। তিনি একজন

Top