আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > শিল্প

কতদিন দেখা হয়নি দুজনে

কতদিন দেখা হয়নি দুজনে, জানি না কেমন আছ! কোথায় আছ যে তাও! ফাগুনের এই সোনালী হাসির বেলা, পথে পড়ে আছে ঝরা-বকুলের মেলা। আরো পড়ুন

হৃদয়ে মোর রক্ত ঝরে

হৃদয়ে মোর রক্ত ঝরে, ব্যথায় দুটি নয়ন ভরে, শিল্পী আমি, আমায় তবু গাইতে হবে গান, পাবার কিছু নেই শুধু মোর দেবার থাকে দান॥ আরো পড়ুন

ও আমার মন যমুনার অঙ্গে অঙ্গে

ও আমার মন যমুনার অঙ্গে অঙ্গে, ভাব তরঙ্গে কতই খেলা, বধূ কি তীরে বসেই মধুর হেসে, দেখবে শুধুই সারাবেলা? ও রূপের মিথ্যে গরব অমন যদি বিরূপ থাকে, ও গুণের কি দাম বল লাজেই যদি আগুন ঢাকে আরো পড়ুন

আমি এত যে তোমায় ভালবেসেছি

আমি, এত যে তোমায় ভালোবেসেছি। তবু, মনে হয় এ যেন গো কিছু নয়, কেন, আরো ভালোবেসে যেতে পারে না হৃদয়।। আরো পড়ুন

অনল চট্টোপাধ্যায় বাংলা গণসংগীতের এক প্রখাত গীতিকার

অনল চট্টোপাধ্যায় বাংলা গানের একজন গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। সাহিত্যপ্রেমী এই ব্যক্তি ১৯৪৬ সনে ভারতীয় গণনাট্য সংঘ বা আইপিটিএ-‘র সাথে যুক্ত হন। ভারতীয় গণনাট্য সংঘে যুক্ত হবার ফলেই সেখানে পরিচয় ঘটে সলিল চৌধুরীর সংগে। ১৯৫৪ সালে তার প্রথম রেকর্ড বের হয় হিজ মাস্টার্স ভয়েস থেকে। ১৯৫৫ সালে মৃণাল সেনের রাতভোর চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন। আরো পড়ুন

সে নিল বিদায়

সে নিল বিদায় না-বলা ব্যথায় আমি ছিনু অভিমানে রজনীগন্ধা জানে সে কেন তাহারে সাধিল না হায়! ছিল মোর চোখে জল দেখি নি যাবার আগে, যূথী কেন কহিল না, - ‘যেও না, শপথ লাগে।’ পথে তৃণদল ছিল সে কেন রে যেতে দিল, ফুটিল না কেন নিঠুরের পায়।।

কথা কও দাও সাড়া

কথা কও দাও সাড়া; শেষ রাগিণীর বীণ বাজে প্রাণে, ফুটেছে বিদায়-তারা। মনে পড়ে সব কাজে তব মণিহার বিরহ রচিত নিশীথ শয়ন মাঝে, আজ কোথা তুমি কত দূরে আমি হিয়া মোর হিয়া ছাড়া। আমার গানের একটি কথা যে ভালবেসেছিলে কত, শত গান আজি গাহি আর ভুলি ভুলি না তো ব্যথা যত। আজো মোর মনে পড়ে আমার কাঁদনে কাঁদিয়াছ তুমি তবু কেন গেলে সরে; ভুল নিয়ে বুঝি

আমার ব্যথার গানে তোমায় আমি

আমার ব্যথার গানে তোমায় আমি ছুঁয়ে গেলাম বারে বারে কেমন ক’রে ভুলবে তারে।। অশ্রু আমার বাদল হয়ে তোমায় কাঁদায় র’য়ে র’য়ে, আমার জ্বালা প্রদীপ হয়ে জ্বলে তব অভিসারে।। কণ্ঠমালায় হয় নি যে ঠাঁই পথপারের কুসুম আমি, সুবাস দিয়ে তোমার পায়ে জানাই প্রণাম দিবসযামী। শেষ হয়েছে বিফল চাওয়া, এবার শুধু এড়িয়ে যাওয়া, যে নাম ছিল মনের মাঝে মুছে যাবে নয়নধারে।।

আমি ছিনু একা বাসর জাগায়ে

আমি ছিনু একা বাসর জাগায়ে হৃদয়ের ব্যথা ছিল মিশে। প্রদীপে শুধানু, ‘কিছু জান কি গো?’ শুধু সে কহিল, ‘সে যে মায়ামৃগ,      কিছু তার আলো কিছু ঢাকা ছায়ে।’ কহিনু কাঁদিয়া, ‘যে গান পাঠানু     শুনিলো না সে কি?’ দ্বার খুলে দেখি সে গান আমার       ফিরে এল এ কি! কেতকী কহিল, ‘তারে কোথা পাই, ফুটেছিনু পথে আজি ঝ’রে যাই,   দিয়ে

Top