You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > শিল্প

‘কোমল গান্ধার’ প্রসঙ্গে

চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের সম্পর্ক

‘কোমল গান্ধার’ নির্মাণকালে কোনাে সুনির্দিষ্ট তত্ত্বকে অনুসরণ করা হয় নি। সমস্ত অবরােহী তত্ত্বগুলি প্রকৃতপক্ষে বাস্তবের সুসংবদ্ধ মূল্যায়নের প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। আর সে কারণেই সব তত্ত্বই বাস্তবের তুলনায় কম নির্ভরযােগ্য। কোনাে পূর্বনির্ধারিত তত্ত্বের আক্ষরিক অনুসরণ সৃষ্টিশীলতার পক্ষে বিশেষ অনুকুল নয়। তা ছাড়া বিশিষ্ট শৈল্পিক সমস্যার সম্মুখীন হলে সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ভঙ্গি বেছে নেওয়া আদৌ অযৌক্তিক নয়। আরো পড়ুন

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি

একটি দুটি তারা

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি মনকে দিলাম ছুটি তাই গো এই সন্ধ্যায়। একটি দুটি ফুল করে ফুটি ফুটি যেথা খুশি মুঠি মুঠি পাই গো সেথা মন ধায়।। তোমার আমার মাঝে রবে নীরবতা মাঝে মাঝে শুধু একটি দুটি কথা, সেই শুনে উলু দেবে অলি নিশিগন্ধায়।। প্রথম রাতের চাঁদ জেগে রবে দূরে বাতাসের বাঁশি ভরে যাবে সুরে, সেই শুনে ঢুলু ঢুলু

ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী

ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী, তোমারই দুয়ারে কুড়াতে এসেছি ফেলে দেওয়া মালাখানি, নয়নের জলে যে কথা জানাই, সে ব্যথা আমার কেহ বোঝে নাই, মেঘের মরমে যে মিনতি কাঁদে চাঁদ বুঝিবে না জানি, ভালবাসা মোরে ভিখারী করেছে তোমারে করেছে রাণী। আরো পড়ুন

শ্রাবণরাতি বাদল নামে

শ্রাবণরাতি বাদল নামে, কোথা তুমি এসো ফিরে— কেতকী ঝরে পথের ‘পরে বাঁধন ছিঁড়ে।। বেতস বনে বাতাস কাঁদে সে শুধু সুরে বেদন সাধে, অকূল আঁধার জাগিয়ে মম পরাণ ঘিরে।। হে মেঘ, জানো কি তুমি প্রিয়া কোথায় আছে, বিরহ ব্যথা কহিব বলো কাহার কাছে। আরো পড়ুন

শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে গো

শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে গো ঐ অন্তর হল দিশাহারা ! আজ কোথা সেদিনের ছলছল কলগান, জ্বলজ্বল দুটি আঁখি তারা।। একটি বাঁশির মীড়ে বেজে ওঠা কাঁকনের ধ্বনি, বালুচরে আর নাহি শুনি! আরো পড়ুন

পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে

পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে একফালি চাঁদ বাঁকা ঐ, তুমি আমি দুজনাতে বাসর জেগে রই। তোমার আছে সুর আর আমার আছে ভাষা, মনের কোনে আছে কিছু পাওয়ার আশা, এবার কিছু শুনি আর আমিও কিছু কই আরো পড়ুন

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি মোর নিশীথ বাসর শয্যায়, মন বলে ভালবেসেছি, আঁখি বলিতে পারেনি লজ্জায়। জানিনা এ কোন লীলাতে মন চায় যে মাধুরী বিলাতে, তবু পারেনি তোমারে ভোলাতে মধুর বধুর সজ্জায়।। সুন্দর এই মায়া তিথিতে মন তুমি ছাড়া কিছু জানে না, যেন এ আবেশ কোনদিন ভাঙ্গে না। জানিনা তো এই ফাগুনে আমি জ্বলে মরি কীসের আগুনে এ কোন খুশীর বিজুরী শিহরে তনুর মজ্জায়।। কথা: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার সুর:

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন আজ ওই চোখে সাগরের নীল— আমি তাই কি গান গাই কি বুঝি মনে মনে হয়ে গেল মিল। কবরীতে ওই ঝর ঝর কনকচাঁপা, না- বলা কথায় থর থর অধর কাঁপা— তাই কি আকাশ হল আজ আলোয় আলোয় ঝিলমিল।। এই যেন নই গো প্রথম— তোমায় যে কত দেখেছি, স্বপনেরও তুলি দিয়ে তাই তোমার সে ছবি এঁকেছি। মৌমাছি আজ

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া— মীরা দেববর্মণ

কে যাস রে ভাটি গাঙ বাইয়া আমার ভাইধনরে কইও—নাইওর নিতো বইল্যা। বছরখানি ঘুইর‍্যা গেল, গেল রে, ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না। কইলজা আমার পুইড়া গেল, গেল রে, ভাইয়ের দেখা পাইলাম না, পাইলাম না। ছিলাম রে কতই আশা লইয়া। ভাই না আইল—গেল গেল রথের মেলা চইল্যা।। প্রাণ কান্দে, কান্দে—প্রাণ কান্দেরে, নয়ন ঝরে ঝরে—নয়ন ঝরে রে— পোড়া মন রে বুঝাইলে বুঝে না। সুজন মাঝি রে

কালসাপে দংশে আমায়— মীরা দেববর্মণ

কালসাপে দংশে আমায় ওঝা হয়ে সে যেন রে বিষ নামায়। ছোবল খেয়ে কালো হইলাম, এখন আমার কী হবে উপায়? যার রূপেতে মজেছিলাম হায়, সে কালাচাঁদ আমারে গো কলঙ্কে ডুবায়।। মরণ বাঁচন কালার হাতে, মারিয়া পারে বাঁচাইতে, এমন বৈদ্য পাবে কে কোথায় ? কৃষ্ণপ্রেমে মরি যদি হায়, অবশেষে কালা যেন আমারে বাঁচায়।।। কথা : মীরা দেববর্মণ সুর : শিল্পী শিল্পী: শচীন দেববর্মণ

Top