আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > শিল্প > চলচ্চিত্র

ডকুমেন্টারি ফিল্ম

ডকুমেন্টারি ফিল্ম সম্পর্কে আমাকে আপনারা কিছু লিখতে বলেছেন। (ডকুমেন্টারি ফিল্মের বাংলা হিসেবে তথ্যচিত্র বা দলিলচিত্র আমার পছন্দ নয়।) ও-ধরনের ছবি সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সীমাবদ্ধ। কাজেই আমার কথাগুলোকে আপনারা দয়া করে প্রামাণ্য বলে ধরে নেবেন না। এককালে বিহার সরকারের হয়ে উপজাতিদের বিষয়ে কিছু ছবি করা গিয়েছিল, মাঝে পুনার বিপর্যয় ঘটে, সেখানেও

শিল্প মানেই লড়াই …

প্রশ্ন: একান্নর-পরবর্তী ঢাকা সম্পর্কে তাঁর প্রতিক্রিয়া কী? উত্তর: ঢাকা এখন আগেরকার সরলতা খুঁজে পাচ্ছি না। এখন দেখছি আভিজাত্য চারদিক জাঁকিয়ে বসেছে। জীবন যখন বদলায়, মানুষও বদলায়। জীবন হচ্ছে বহতা নদীর মতো। প্রশ্ন: নবজাত রাষ্ট্র বাংলাদেশের সমস্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়ে ঋত্বিক বাবু বলেছিলেন- উত্তর: বিহারী পাঞ্জাবীরা আগে ডমিনেট করেছিল, বাঙালিরা সেই শেকড় এবং শেকল

আর্ট ফিল্ম ও কমার্শিয়াল ফিল্ম প্রসঙ্গে–সন্দীপন চক্রবর্তী

বিজ্ঞানের এক মজার আবিষ্কার হিসেবেই চলচ্চিত্রের জন্ম। বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে তার ব্যবহার শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তা জনপ্রিয় ও বাজারসফল হয়ে ওঠে। এরপর ক্রমে তা এক স্বতন্ত্র শিল্পমাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং পূর্বোক্ত ধারার ছবিগুলোর থেকে শিল্পিত ছবিগুলোকে আলাদা করার প্রয়োজন দেখা দেয়। ‘আর্ট সিনেমা’কথাটার প্রয়োগ এসেছে আমেরিকান ‘আর্ট

ঋত্বিক ঘটকের ৮টি চলচ্চিত্র

ঋত্বিক ঘটককে বলা যায় বাংলা চলচ্চিত্রের মহাপরিচালক। একক ও অদ্বিতীয় এই মানুষটি অন্য কারো সাথেই তুলনীয় নন। গোটা দুনিয়াজোড়া খ্যাতিমান সত্যজিৎ রায়কেও ঋত্বিক ঘটকের সামনে নেহাত মাঝারি মনে হয়। ঋত্বিক ঘটক যেন গোটা দুনিয়ার মানুষের সংগ্রামকে বাংলা ভাষার চিত্রে ছোট ছোট জীবনের ক্যানভাসে তুলে ধরছেন। ঋত্বিক ঘটকের চরিত্রসমূহের লড়াই যেন

ঋত্বিক ঘটক বাংলা ভাগে যন্ত্রণাবিদ্ধ এক মহান চলচ্চিত্রকার

ঋত্বিক ঘটক (৪ নভেম্বর, ১৯২৫ - ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬) বাংলা চলচ্চিত্রের মহান পরিচালক। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর নাম বহুবার বহুভাবে উচ্চারিত। তিনি সর্বাপেক্ষা দগ্ধ ছিলেন বাংলা ভাগের যন্ত্রণায়। আর ঋত্বিকের অবগাহন যে নদীটিতে তার নাম বাংলা দেশ। এই নদী বয়ে গেছে দেশভাগ, দেশত্যাগ, নির্বাসন, ছিন্নমূলতা, যুদ্ধ, শ্রেণিসংগ্রাম ইত্যাদির ভেতর দিয়ে।

উত্তরা সিনেমার তিনটি গান

বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত পরিচালিত উত্তরা সিনেমার তিনটি গানই, সাঁওতালী লোকগীতি প্রভাবিত ‘লাল মাটির দেশ’ (বাঁকুড়া, বর্ধমান, বীরভূম) -এর গান। গানগুলোর স্বাতন্ত্র্য হচ্ছে, তীব্র অন্তর্নিহিত হাহাকার। অভিজিৎ বসুর অনন্য গায়কীতে নিম্নে উল্লেখিত গান দুটোই প্রাণ পেয়েছে। তৃতীয় গানটি গেয়েছেন প্রশান্ত চ্যাটার্জি। তিনটি গানের কথা ও সুরই ঐ অঞ্চলের মাটি থেকে উৎসারিত। প্রথম

Top