You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > বাংলাদেশ

ভাষা আন্দোলন প্রসঙ্গে

১৯৫২ সনের ফেব্রুয়ারী মাসে পূর্ববাংলায় তদানীন্তন পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের আন্দোলন বাংলা ভাষা আন্দোলন (ইংরেজি: Language Movement ) নামে পরিচিত। ঐ বৎসর ২১ ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রগণ প্রাদেশিক সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দানের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে পুলিশ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণ করে।

বাংলাদেশের গণযুদ্ধ প্রসঙ্গে

বাংলাদেশ একটি শোষণমূলক নয়া উপনিবেশিক রাষ্ট্র। স্বাধীনতার জন্য ১৯৭১ সালে একটি গণযুদ্ধে দেশটি স্বাধীন হয় যা বাংলাদেশের গণযুদ্ধ (ইংরেজি: Peoples War of Bangladesh) নামে পরিচিত। এই রাষ্ট্রটি ভারতীয় উপমহাদেশের অংশ বিধায় সপ্তদশ এবং অষ্টাদশ শতক থেকে ক্রমান্বয়ে ইউরোপের পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিসমূহের প্রত্যক্ষ দখল এবং শাসনের অধীনে এসেছিল। ভারতবর্ষের প্রধান দখলদারি

বাংলার ইতিহাস প্রসঙ্গে

প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রাচীন জাতি পুরা আর্যসভ্যতার বহুপূর্বেই এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিলাে। পুণ্ড্রদের নামানুসারেই এই দেশের নাম হয় পুণ্ড্রদেশ। কোনাে কোনাে শাস্ত্রীয় যুগে পুণ্ড্রদের অসুর বলে চিহ্নিত করা হয়। কালের পরিক্রমায় পুরা আর্য-সংস্কৃতি গ্রহণ করতে থাকে। মৌর্য শাসন কালে পুণ্ড্রদেশ ঐশ্বর্যপূর্ণ স্থানে পরিণত হয়। মৌর্য শাসনের পূর্বেই

ধ্রুপদী বাংলার ইতিহাস

প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রাচীন জাতি পুরা আর্যসভ্যতার বহুপূর্বেই এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিলাে। পুণ্ড্রদের নামানুসারেই এই দেশের নাম হয় পুণ্ড্রদেশ। কোনাে কোনাে শাস্ত্রীয় যুগে পুণ্ড্রদের অসুর বলে চিহ্নিত করা হয়। কালের পরিক্রমায় পুরা আর্য-সংস্কৃতি গ্রহণ করতে থাকে। মৌর্য শাসন কালে পুণ্ড্রদেশ ঐশ্বর্যপূর্ণ স্থানে পরিণত হয়। মৌর্য শাসনের পূর্বেই

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রসঙ্গে

ঠাকুরগাঁও উত্তরবঙ্গের একটি প্রাচীন জনপদ যা বর্তমানে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের একটি জেলা। ভৌগােলিক দিক থেকে ঠাকুরগাঁও অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ ফুটের বেশি উঁচু নয়। বেশির ভাগ ছােট নদী, শাখা নদী ও উপনদীর জল প্রবাহের কারণে প্রায় সবখানেই সমতল ভূমির সৃষ্টি হয়েছে। ভূ-প্রকৃতিগতভাবে বরেন্দ্র অতিপ্রাচীন এবং এর ইতিহাসও প্রাচীন। আরো পড়ুন

বাংলাদেশ পুঁজিবাদ অনুসারী সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত শোষণমূলক দেশ

বাংলাদেশ বা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (ইংরেজি: People’s Republic of Bangladesh) পুঁজিবাদ অনুসারী এবং সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা নিপীড়িত দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ। ১৯৭১ সালে পূর্ব বাংলার জনগণের জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম সফল হলে দেশটি পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্রে সার্বভৌম স্বাধীন দেশ হিসেবে এর অভ্যুদয় ঘটে। আরো পড়ুন

ছবিতে বাংলাদেশ

একটা বিরাট জোচ্চুরির ফলে বাংলাদেশ কেটে দু'ভাগ হয়েছে। এবং কর্তাব্যক্তিরা চেষ্টাচরিত্তির করে দুই ভাগ বাংলার মধ্যে যোগাযোগটা কেটে দিয়েছেন। কিন্তু বাংলা বাঙালির, ছবি যদি করতে হয় তা হলে পুরো বাংলাদেশকে ভুললে চলবে না। এই কথাটা আমি আগেও নানাভাবে প্রকাশ করতে চেষ্টা করেছি, জানি না কতখানি কৃতার্থ হয়েছি। কথাগুলো মনে পড়ল। কারণ,

বাংলাদেশে পুষ্পশিল্পের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফুলের উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ক্রমে শিল্পপণ্য উৎপাদনের বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে যাকে এখন পুষ্পশিল্প (floriculture industry) বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এ শিল্পের সর্বাধিক বিকাশ ঘটেছে নেদারল্যান্ড বা  হল্যাণ্ডে। হল্যাণ্ড প্রতি বছর ফুল ও সংশ্লিষ্ট দ্রব্য রপ্তানী করে বাংলাদেশী টাকায় পনের হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা

মৈত্রীসুলভ রেলের শোষণমূলক রূপ এবং বাংলাদেশের রেলের নিভু নিভু বাতি

ব্রিটিশরা বাষ্পচালিত লোকোমোটিভের বিকাশ করলে অষ্টাদশ ও উনিশ শতকে রেল পরিবহণ শিল্পবিপ্লবের প্রধান উপাদান হয়ে দাঁড়ায়। রেল জাহাজী পরিবহণের খরচকে কমিয়ে দেয় কারণ জাহাজডুবার ফলে মাঝেমাঝেই পণ্য-জাহাজ ডুবে মালিকের ক্ষতি হতো। খালপথ থেকে রেলপথ বৃদ্ধির ফলে একটি জাতীয় বাজার গড়ে ওঠে যেখানে একই রাষ্ট্রের এক শহর থেকে অন্য শহরে পণ্যের

বাংলাদেশে মার্কসবাদ চর্চা

বাংলাদেশে মার্কসবাদ প্রভাব বিস্তার করতে আরম্ভ করে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশক থেকে। বিশ শতকের শুরু থেকেই বিপ্লবী অনুশীলন ও যুগান্তর দলের সদস্যবৃন্দের ভেতরে মার্কসবাদী চিন্তা খুব ক্ষুদ্র আকারে কাজ করতে থাকে। ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের দ্বিতীয় কংগ্রেসের পর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হলে বাঙলায় তার ঢেউ লাগে। ১৯২৫ সালের ভেতরেই দৈনিক সংবাদপত্রগুলির পাতায় পাতায় আরো পড়ুন

Top