You are here
Home > বাংলাদেশ

জাসদ, ফ্যাসিবাদ সাম্রাজ্যবাদের কার্যক্রম বাস্তবায়নের এক গণবিরোধী দলের নাম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বা সংক্ষেপে জাসদ, গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। এই দলটির নামের সাথে মিল পাওয়া যায় হিটলারের নামের দলটির। আডলফ হিটলারের (১৮৮৯ - ১৯৪৫) দলের নাম ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক দল। শুরু থেকেই দলটির নাম নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় এবং মার্কসবাদীরা এটিকে ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে বলতে শুরু করে। কেননা

মৈত্রীসুলভ রেলের শোষণমূলক রূপ এবং বাংলাদেশের রেলের নিভু নিভু বাতি

ব্রিটিশরা বাষ্পচালিত লোকোমোটিভের বিকাশ করলে অষ্টাদশ ও উনিশ শতকে রেল পরিবহণ শিল্পবিপ্লবের প্রধান উপাদান হয়ে দাঁড়ায়। রেল জাহাজী পরিবহণের খরচকে কমিয়ে দেয় কারণ জাহাজডুবার ফলে মাঝেমাঝেই পণ্য-জাহাজ ডুবে মালিকের ক্ষতি হতো। খালপথ থেকে রেলপথ বৃদ্ধির ফলে একটি জাতীয় বাজার গড়ে ওঠে যেখানে একই রাষ্ট্রের এক শহর থেকে অন্য শহরে পণ্যের

বাংলাদেশের জনগণের দিল্লি বিরোধীতা এবং তার সমাধানের পথ

বাংলাদেশে দিল্লি বিরোধিতার আগ-পাছ বুঝতে হলে অনেক কিছুই ভাবাদরকার। আমরা এখানে একটি ক্ষুদ্র আলোচনার অবতারণা করছি যা আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমেসমৃদ্ধ হবে বলে আশা করছি। বাংলাদেশের জনগণ আসলে দিল্লি বিরোধিঃ বাংলাদেশের জনগণ ভারত বিরোধিতার নামে মূলত দিল্লীর আধিপত্য, সম্প্রসারণবাদ, আমলাতন্ত্র ও শোষণের বিরোধিতা করে। দিল্লীর শাসকগোষ্ঠী বাংলাদেশের চতুর্দিকে কাঁটাতারের বেড়া দেয় অথচ চট্টগাম

বাংলাদেশে মার্কসবাদ চর্চা

বাংলাদেশে মার্কসবাদ প্রভাব বিস্তার করতে আরম্ভ করে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশক থেকে। বিশ শতকের শুরু থেকেই বিপ্লবী অনুশীলন ও যুগান্তর দলের সদস্যবৃন্দের ভেতরে মার্কসবাদী চিন্তা খুব ক্ষুদ্র আকারে কাজ করতে থাকে। ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের দ্বিতীয় কংগ্রেসের পর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি প্রতিষ্ঠিত হলে বাঙলায় তার ঢেউ লাগে।

প্রধান শত্রু নির্ণয়ের সমস্যা ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক রাজনীতি

যেসব বামপন্থি ও তাদের সমর্থক আওয়ামি লিগকে আক্রমণ না করে বা আওয়ামি লিগকে সহযোগিতা করে দেশে সমাজতন্ত্র কায়েম এবং সামন্তবাদ দ্বারা উত্থিত, পুঁজিবাদ-পুষ্ট ও সাম্রাজ্যবাদ দ্বারা পালিত জামাতসহ অন্যান্য গোঁড়া ধর্মপন্থি দলগুলোকে উৎখাতের স্বপ্ন দেখছেন তারা আসলে শ্রেণি-সমন্বয়ের লাইনে আছেন এবং সুবিধাবাদকে উৎসাহিত করছেন। তারা দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ এবং

Top