You cannot copy content of this page
আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ

আফিম বা আফিং গুল্মে আছে নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

আফিম বা আফিং

আফিম, আফিং (বৈজ্ঞানিক নাম: Papaver somniferum, ইংরেজি: Opium poppy) বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এ গাছ লম্বায় সাধারণত ৩ থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত হয়। অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসে এর বীজ বপন করা হয় ও জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে এর ফুল ও ফল হয়। ফল পাকলে তা থেকে বীজ সংগ্রহ করা হয়। এগুলোই দেখতে পোস্তদানা মতো। পোস্তদানা, ফল, আঠা, ফুল ও ফুলের পাপড়ি সবগুলোই ওষুধরূপে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

আমাজন লিলি নিমফাসি পরিবারের সর্ববৃহৎ বিরুত উদ্ভিদ

আমাজন লিলি হচ্ছে নিমফাসি পরিবারের ভিক্টোরিয়া গণের জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতির নাম। এটি গায়ানার জাতীয় ফুল। এদের মূল আকর্ষণ পাতা। এদের পাতা এমন শক্ত আর বড় যে একজন সাত-আট বছর বয়সী শিশুকে এর পাতার উপর অনায়াসেই শুইয়ে রাখা যায়। এরা বহুবর্ষজীবী জলজ বীরুৎ। রাইজোম মােটা। পত্রবৃন্ত ঘন কন্টকিত। পাতা আড়াআড়িভাবে ১২০-১৩০ সেমি, বর্তুলাকার, অখন্ড, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ, আরো পড়ুন

ভিক্টোরিয়া হচ্ছে নিমফাসি পরিবারের সপুষ্পক জলজ উদ্ভিদের গণ

ভিক্টোরিয়া হচ্ছে নিমফাসি পরিবারের সপুষ্পক জলজ উদ্ভিদের একটি গণের নাম। এই গণের প্রজাতিগুলো বহুবর্ষজীবী জলজ বীরুৎ হয়। এই গণে কেবল দুটি প্রজাতি আছে যার বাংলা নাম আমাজন লিলি এবং আর্জেন্টাইন লিলি। ভিক্টোরিয়া গণের প্রজাতিগুলোর পাতা অতি বৃহদাকার, প্রায়শই ১.৫ মিটার বা ততােধিক ব্যাসবিশিষ্ট, ভাসমান এবং আরো পড়ুন

সাদা শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জলজ ফুল

সাদা শাপলা বা শাপলা বা শালুক (ইংরেজি: hairy water lily বা pink water-lily) হচ্ছে শাপলা পরিবারের নিমফাসি গণের একটি জলজ বীরুত জাতীয় উদ্ভিদ। [১] এটাই বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। এর পুংকেশর লেমন হলুদ হয়, ফুলে গন্ধও নাই, বৃন্ত সবুজ বা হাল্কা সবুজাভ বাদামি। ফল হয়। গন্ধও নেই। রাতে ফোটে। দিনের আলো বাড়ার সাথে সাথে ফুল বুজে যেতে থাকে। সাদা শাপলা বহুবর্ষজীবী জলজ বীরুৎ, রাইজোম সচরাচর বক্রধাবকবিশিষ্ট, কন্দাল মূল বর্তমান, খাড়া বা লতানো। আরো পড়ুন

হাড়জোড়া লতার ঘরোয়াভাবে তৈরি ছয়টি ভেষজ চিকিৎসা গুণ

হাড়জোড়া লতা

হাড়জোড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Cissus quadrangularis) লতানে শ্রেণীর উদ্ভিদ। এ গাছ লতিয়ে লতিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত যায়। অনেক সময় গাছকে পত্রহীন দেখায়। পাতা এক থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। দেখতে ঠিক হৃদপিণ্ডের মতো। তিন থেকে পাঁচটি অংশে বিভক্ত। পাতার কিনারাগুলো করাতের মতো কাটা। পুষ্পগুচ্ছ ছোট বোঁটাতে থাকে। খুব চকচকে এবং লোমযুক্ত। আরো পড়ুন

আতা বা নোনা আতা ঔষধি গুণেভরা বাংলাদেশের পরিচিত ফল

আতা বা নোনা আতা ফল ও পাতা

আতা বা নোনা আতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Annona reticulata, ইংরেজি নাম: Bullock’s Heart.) হচ্ছে এনোনাসি পরিবারের সপুষ্পক একটি উদ্ভিদ। গাছটি মাঝারি উচ্চতাবিশিষ্ট গাছ। আবহাওয়ার গুণে কোথাও বিশ ফুট, আবার কোথাও ৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা পাঁচ থেকে আট ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা এবং দেড় থেকে দু’ইঞ্চি পর্যন্ত চওড়া হয়। গাছে ফুল ২ থেকে ৩টি এক একসাথে ফোটে। ফুলের পাপড়ি থাকে তিনটি। ফল দেখতে গোলাকার, তবে লম্বা ধরনের। পাকা অবস্থায় ফলের রং পীতের আভাযুক্ত বা হালকা লালবর্ণ। গাছে ফুল ফোটে গরমকালে আর ফল ধরতে শুরু করে শরৎকালে। আরও পড়ুন

ব্রাহ্মী লতা গ্রাম বাংলার অতিপরিচিত ভেষজ গুণে ভরা শাক

ব্রাহ্মী

ব্রাহ্মী (বৈজ্ঞানিক নাম: Bacopa monnieri, ইংরেজি: waterhyssop, thyme-leafed gratiola, water hyssop, herb of grace, Indian pennywor) এক ধরণের লতা জাতীয় উদ্ভিদ। ভিজা মাটিতে লতিয়ে লতিয়েই এ লতার বৃদ্ধি ঘটে। লতার প্রত্যেকটি গাঁট থেকে শিকড় বের হয়। কাণ্ড খুবই নরম এবং রসযুক্ত। গায়ে খুব সরু লোম থাকে, পাতা আধা ইঞ্চি বা আরও একটু বড় হতে পারে। কাণ্ডের বিপরীত দিক থেকে যুগপত্র জন্মায়। পাতার বোটা কাণ্ডের সাথে প্রায় লেগে থাকে। পাতার কিনারায় কোনো খাজ থাকে না। সামনের দিকটা গোলাকার এবং বৃন্তদেশ ডিমের মতো। পাতার শিরাগুলো অস্পষ্ট। আরো পড়ুন

মহুয়া গাছের ভেষজ গুণ

মহুয়া ( বৈজ্ঞানিক নাম: Madhuca longifolia ) বেশ বড় ধরনের গাছ। লম্বায় এটি প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ ফুট পর্যন্ত হয়। মহুয়া গাছের উপরের ছাল মোটা এবং ধূসর। পাতা লম্বা ধরনের এবং চওড়ায় প্রায় পাঁচ ইঞ্চির মতো হয়। কনকচাঁপার পাতার সাথে এর মিল আছে। আগাটা চাপার মতো সূচালো নয়, বেশ ভোতা। ডালের আগায় ছাতার মতো ছড়িয়ে থাকে। অনেকটা ছাতিমের মতো। ফাল্গুন চৈত্র মাসের মধ্যে গাছে ফুল ফুটতে শুরু করে। গরমে সময় ফল ধরে। ফলের আকৃতি সুপারির মতো। ফলের ভিতরটা শাঁসে ভরা থাকে। প্রথম দিকে ফলের রং সবুজ থাকে। পরে পেকে গেলে রং পাল্টে ফিকে হলুদে পরিণত হয়। মহুয়া গাছের ছাল, বীজ, ফুল, বীজের তেল ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

করবী গাছের ঔষধি গুনাগুণ

করবী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Nerium indicum, ইংরেজি নাম: Flor de Sao Jose, Laurel de jardin, Laurel rosa, Laurier rose, Flourier rose, Olean, Aiwa, Rosa Francesca, Rosa Laurel, and Rose-bay ) এটি সরল বিস্তৃত ডালভুক্ত ছোট আকারের গাছ। উচ্চতায় দশ থেকে পনের ফুট পর্যন্ত বাড়ে। গাছের মূলদেশ থেকে বহু শাখা-প্রশাখা বের হয়। পাতা চার থেকে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা। পাতার গঠন বর্শার ফলার মতো সরু, বেশ পুরু ধরনের। পাতার মাঝখানের শিরাটা বেশ শক্ত। বোটা খুবই ছোট। ফুলের ব্যাস দেড় ইঞ্চি এবং সুন্দর গন্ধযুক্ত। ফুলের রং ফিকে গোলাপী। ফল ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। আরো পড়ুন:

বিশল্যকরণী লতার ভেষজ গুণ

বিশল্যকরণী (বৈজ্ঞানিক নাম- Polygonum recumbens) একটি বহু শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট সরু লোমযুক্ত উদ্ভিদ। বিশল্যকরণী মাটিতে লতিয়ে অনেকটা দূর পর্যন্ত যায়। পাতা খুব ঘন ঘন থাকে। আকারে ছোট এবং ডিমের মতো কিছুটা গোলাকার। পাতার আগার দিকটা মোটা অর্থাৎ ভোতা বলে মনে হয়। বীজকোষের মধ্যে অনেকগুলো বীজ একসাথে থাকে। বীজের রং কালো, গোডা দিকটা

Top